রাজধানীতে গাড়ি ‘চুরি চক্রের হোতা’ আটক

০৯ জুন,২০১৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: রাজধানীর রামপুরা, বনশ্রী, বনানী, উত্তরা, খিলক্ষেত এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাড়ী চুরির এক হোতাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এ সময় ০১ টি জীপ, ০১ টি মাইক্রোবাস ও ০৭ টি প্রাইভেট কারসহ মোট ১৫টি চোরাই গাড়ি উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- খিলক্ষেতের রয়েল অটো কেয়ার এন্ড সার্ভিসিং সেন্টার এর মালিক ইসমাইল হোসেন (৩৭), মোঃ হানিফ মৃধা (৩২) এবং ইমরান (৪১)। ইসমাইল হোসেন গাড়ি চুরির উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রবিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে যুগ্ন-কমিশনার মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের একথা জানান।

তিনি জানান, গত বুধবার সন্ধ্যা ৬ টা হতে শনিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের সহকারী কমিশনার (এসি) মোঃ রায়হানুল ইসলাম এর নেতৃত্বে গাড়ী চুরি প্রতিরোধ টিম (উত্তর) এর একটি দল রামপুরা, বনশ্রী, বনানী, উত্তরা, খিলক্ষেত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০১ টি জীপ, ০১ টি মাইক্রো বাস ও ০৭ টি প্রাইভেট কার উদ্ধারসহ গাড়ী চুরি ঘটনার সাথে জড়িত ০৩ জনকে গ্রেপ্তার করে।

মনিরুল ইসলাম জানান, গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে খিলক্ষেত থানাধীন কুড়িল বিশ্বরোড এলাকার ইসমাইল হোসেন এর রয়েল অটো কেয়ার এন্ড সার্ভিসিং সেন্টার হতে চোরাই সন্দেহে একটি প্রাইভেটকার এবং একটি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় প্রাইভেটকারের মালিক মোঃ আব্দুল হক রয়েল অটো কেয়ার এন্ড সার্ভিসিং সেন্টার এর মালিক মোঃ ইসমাইল হোসেন এর বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত ২৮ এপ্রিল এ মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের উপর ন্যস্ত হওয়ার পর গত বুধবার ইসমাইল হোসেন (৩৭) ও ঘটনার সাথে জড়িত আসামী মোঃ হানিফ মৃধা (৩২) কে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরো জানান, গত বুধবারে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত তাদের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। রিমান্ডে থাকা আসামীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সাথে জড়িত অপর আসামী ইমরান (৪১) কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্য মতে গত কয়েকদিনে উত্তরা, রামপুরা এবং খিলক্ষেত থেকে হতে ৬টি প্রাইভেটকার ও ১টি জীপ উদ্ধার করা হয়।

মনিরুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন যাবত গাড়ী চুরির ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছে। তারা ইসমাইল হোসেন এর নেতৃত্বে বিআরটিএ’র কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও দালালের সহায়তায় চোরাই গাড়ীর জাল কাগজ পত্র সৃষ্টি করে গাড়ীগুলো অন্য জায়গায় বিক্রি করে আসছে। তাদের হেফাজতে এ ধরণের আরো অনেক চোরাই গাড়ী আছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, আটককৃতরা গাড়ী চুরি সংঘবদ্ধ দলের সক্রিয় সদস্য বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। এবং এ অপরাধী চক্রের সদস্য সংখ্যা ২০/২৫ জন। এ গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে কেউ গাড়ী চুরি করলে তা  ইসমাইল হোসেনের কাছে দেন।

পরে ইসমাইল হোসেন তার দলের অন্য সদস্যদের মাধ্যমে প্রথমে গাড়ীর ইঞ্জিন, চেসিস, রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ রং পরিবর্তন করে। তারপর বিআরটিএ’র অসাধু কর্মকর্তা ও  দালালের মাধ্যমে সু-কৌশলে গাড়ীর ফাইল হতে মালিকের ছবিসহ গাড়ীর কাগজপত্র সংগ্রহ করে ঐ গাড়ীর অবিকল কাগজপত্র প্রস্তুত করে তার দলের অন্যান্য সদস্যদের মাধ্যমে বর্তমান বাজার  মূল্যে বিক্রি করে আসছে বলে স্বীকার করে।

জাতীয় পাতার আরো খবর

ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে সেশন ফি আদায়ে স্থগিতাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে সেশন ফি আদায়ের ওপর তিন মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।এক রিট আবেদনে . . . বিস্তারিত

ভূমি দখলের প্রতিবাদে কেরানীগঞ্জ-মাওয়া সড়ক অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের আবাসন প্রকল্পের নামে ভূমি অধিগ্রহণের চেষ্টার প্রতিবাদে ঢাকা- . . . বিস্তারিত

ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: ০১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: [email protected]