বাজেটে বিনিয়োগকে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার: ডিএসই

০৯ জুন,২০১৩

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: প্রস্তাবিত ২০১৩-১৪ অর্থবছরের বাজেট পুঁজিবাজারবান্ধব হয়েছে। পুঁজিবাজারের জন্য যে প্রণোদনা দেয়া হয়েছে তা বাজারের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সভাপতি মো. রকিবুর রহমান।

প্রস্তাবিত বাজেট সরকার বিনিয়োগকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।

রবিবার দুপুরে ডিএসই ভবনে ২০১৩-১৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমেদ রশিদ লালী, পরিচালক আবদুল হকসহ পরিচালকবৃন্দ ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. স্বপন কুমার বালা।

ডিএসই মনে করে, প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা হয়েছে যা পুঁজিবাজারকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাবে।

রকিবুর রহমান বলেন, ‘সরকার যদি পুঁজিবাজারকে প্রতিষ্ঠা করে তাহলে এ বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। সরকারি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের পাশাপাশি বেসরকারি মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগকে কর রেয়াতের আওতায় আনার সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

এতে করে বিনিয়োগের ক্ষেত্র আরো প্রসারিত হবে এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বাজার ও চাহিদা সম্প্রসারিত হবে বলে মনে করে ডিএসই।

ডিএসই সভাপতি বলেন, লভ্যাংশ আয়ের ক্ষেত্রে আমরা করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করেছিলাম। প্রস্তাবিত এই বাজেটে এই সীমা ১০ হাজার টাকায় উন্নীত করার ঘোষনা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘করমুক্ত লভ্যাংশের সীমা ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করা হলে তা বিদ্যমান বাজার পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি পোষানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারতো। একই সাথে তা দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের প্রনোদনা হিসেবে কাজ করতো। তাই আমরা করমুক্ত লভ্যাংশের সীমা ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব পুনঃব্যক্ত করছি।’

এ সময় ডিএসই’র পক্ষ থেকে কয়েকটি প্রস্তাব দেয়া হয়। এক. প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মূলধনী লাভের উপর সরাসরি ১০ শতাংশ হারে কর কর্তনের পরিবর্তে আমরা ধারণের মেয়াদ অনুযায়ী প্রগতিশীল হারে কর কর্তনের প্রস্তাব করেছিলাম। কিন্তু এই প্রস্তাবে কোন ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। এ ব্যবস্থায় দুই বছর পর্যন্ত শেয়ার ধারনের ক্ষেত্রে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ, তিন বছর পর্যন্ত শেয়ার ধারনের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ এবং ততোধিক কাল শেয়ার ধারনের ক্ষেত্রে মূলধনী লাভ করমুক্ত রাখা যেতে পারে।

যুক্তি হিসেবে বলা হয়, তাহলে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ভবিষ্যতে এই করমুক্ত মূলধনী লাভের আশায় দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে উৎসাহিত হতো। দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ ধরে রাখতে ভারতসহ অন্যান্য দেশের ন্যায় প্রগতিশীল হারে কর কর্তনের বিধান প্রবর্তনের দাবি পুনঃব্যক্ত করছি।

দুই. ঘোষিত বাজেটে করপোরেট করদাতাদের জন্য কোনো প্রনোদনা না থাকলেও তালিকাভূক্ত মোবাইল ফোন কোম্পানি ও তামাক উৎপাদনকারী কোম্পানির করহার ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৪০ শতাংশেএ উন্নীত করা হয়েছে। এর ফলে এসব কোম্পানির লভ্যাংশ বিতরণের ক্ষমতা হ্রাস পাবে যা পুঁজিবাজারের জন্য নেতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমরা মনে করি। আমরা লিস্টেড কোম্পানিসমূহের মধ্যে অসম কর হার বিলোপের প্রস্তাব করছি।

শেয়ার প্রিমিয়ামের উপর ৩ শতাংশ কর আদায়ের যে আয়কর নীতির পরিপন্থী বিধান ছিল সেটি বাতিল করা হয়েছে। ফলে এক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। এজন্য সন্তোষ প্রকাশ করে ডিএসই।

অর্থনীতি পাতার আরো খবর

বাংলাদেশে শ্রমিকদের নিরাপত্তা চায় যুক্তরাষ্ট্র

নিজস্ব সংবাদদাতাআরটিএনএননিউ ইয়র্ক: নিউ ইয়র্ক থেকে নির্বাচিত কংগ্রেসওম্যান গ্রেস ম্যাং বলেছেন, সাভার ট্র্যাজেডি শুধু বাংল . . . বিস্তারিত

ক্ষতিপূরণের জন্য এখনো অপেক্ষায় থাকা লজ্জাজনক

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: রানা প্লাজা ধসের এক বছর পরও ক্ষতিপূরণের জন্য দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের অপে . . . বিস্তারিত

ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: ০১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: [email protected]