ঢাকা, ৪ ফেব্রুয়ারি (আরটিএনএন ডটকম)-- শনিবার বইমেলায় দশর্কদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। অথচ প্রকাশকদের আক্ষেপ সে তুলনায় ক্রেতা মেলেনি।
এ প্রসঙ্গে খান ব্রাদাসের কর্ণধার ফিরোজ খাঁন বলেন, শুক্রবারের চেয়ে আজকের বিক্রি খুবই কম। মানুষ মেলায় ঘুরতে আসে কিন্তু বই কিনতে আসেনা।
একই আক্ষেপ ত্রয়ী প্রকাশনীর বিক্রয় কর্মী শেখ কাদেরের। গতকাল বেশ কিছু বই বিক্রি করতে পারলেও আজ তেমন বিক্রি হয় নাই। তারপরও কাদের আশা করছেন দিন সপ্তাহের মধ্যে মেলা জমে উঠবে।
তবে চয়ন প্রকাশনের কর্ণধার বিশিষ্ট কবি লীলি হক বলেন, মান সম্পন্ন বই না থাকায় বই বিক্রি না হলেও তার স্টলের বিক্রি বেশ ভালো।
মেলায় কি কি বই এসেছে তাই এখন দেখতে এসেছি আগামী সপ্তাহে এসে পছন্দের বইগুলো কিনবু বললেন , মেলায় ঘুরতে আসা কানিজ ফাতেমা নামের এক ইডেন কলেজের শিক্ষাথী।
অন্য দিকে, লেখকরা কম বিক্রির জন্যে মেলার নোংরা পরিবেশকে দায়ি করেন।
শনিবার মেলায় নতুন বই এসেছে মোট ১৩৩টি। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়ার ‘বঙ্গবন্ধুকে যেমন দেখেছি’, শেখ হাফিজুর রহমানের ‘নীল কাঁটায় পারিজাত’, ‘হাসনাত আবদুল হাইয়ের ‘বৃষ্টিতে কিংবা কুয়াশায়’, তাসলিমা জামান পান্নার ‘সে রাতে পূণির্মার রাত ছিল’, আনিসুল হকের ‘প্রিয় পাঠক একটু হাসুন’, লিয়াকত হোসেনের ‘পত্রমিতালী’, ওয়াসিম হকের ‘অল্প কথার গল্প’, সরদার জয়েন উদ্দীনের অনেক ‘সূর্যের আশা’, আফরোজা আলমের ‘ফানুস’ , কথা সাহিত্যিক মো. শাহাদাত হোসেনের ‘বৃষ্টি ভেজা দিনে’, ছানোয়ার খান সুজনের ‘কেউ কথা রাখেনি’ ইত্যাদি।
তবে এতগুলো নতুন বই আসলেও মোড়ক উন্মোচন হয়েছে মাত্র সাতটি বইয়ের।এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হল, ‘কাঠ গোলাপ’ এটি রচনা করেছেন ড. এ এম এম আমানুল্লাহ, শিল্পী কনক চাঁপার ‘মুখোমুখি যোদ্ধা’, ডি.এম.আবু বকরের, ‘মেঘলা আকাশ’ ও সুমন্ত আসলামের ‘চার দুরন্ত’ প্রভৃতি।
আরটিএনএন ডটনেট/এএস/আরআই/এসবি