যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে পোশাক শিল্পে চলছে নৈরাজ্য: শ্রমমন্ত্রী
Fri 30 Jul 2010 7:31 PM BdST
ফরিদপুর, ৩০ জুলাই (আরটিএনএন ডটনেট)-- রাজধানী ঢাকার মহাখালী ও গুলশান এলাকায় পোশাক শ্রমিকদের ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেছেন শ্র্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বলেছেন, শ্রমিক বিক্ষোভ একটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ঘটনা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বাধা সৃষ্টির জন্যই একটি পক্ষ এ ধরনের নাশকতা চালাচ্ছে।
শুক্রবার বিকালে ফরিদপুরে স্থানীয় সাংবাদিকদের দেয়া এক সাক্ষাতকারে শ্রমমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শ্রমিক বিক্ষোভকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অযৌক্তিক মন্তব্য করে মোশাররফ হোসেন বলেন, ২০০৬ সালে শ্রমিকেরা বেতন পেত মাত্র ১৬ শ’ ৬২ টাকা। আমরা সেখানে প্রায় দ্বিগুন বাড়িয়ে ৩ হাজার টাকা করেছি। এর পরও যদি কেউ আন্দোলন সংগ্রাম করতে চায় তবে বুঝতে হবে এরা মালিক বা শ্রমিক কারো পক্ষে নয়। বরং তারা উদ্দেশ্যপ্রনোদিত হয়ে এসব কর্মকান্ড করছে।
তিনি বলেন, মজুরি কাঠামো নিয়ে এখনো মালিক-শ্রমিকদের নিয়ে আলাপ আলোচনার সুযোগ আছে।তাই এখনই শ্রমিকদেও এতটা অশান্ত হওয়ার দরকার নেই।
এরআগে দুপুরে সড়ক ও জনপদ বিভাগের অর্থায়নে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যায়ে ফরিদপুর শহরের সাড়ে ১১ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নতিকরণ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন শ্রমমন্ত্রী।
আরটিএনএন ডটনেট/প্রতিনিধি/আইএইচ_১৯২৩ ঘ.
পাঠকের মন্তব্য:
ঢাকা থেকে চুদন মিয়া লিখেছেন,
সিমান্তে ২৪জন লোককে ধরে নিয়ে গেছে।আমার মনে হয় এটাও যোদ্ধাপরাধীদের বিচারকে বাধাগ্রস্ত করতেই হয়েছে।দ্রব্যমূল্য বাড়ছে এটাও বিচার বাধাগ্রস্ত করাতেই হচ্ছে।খানকির পোলারা বিচার বেচা বন্ধ কর।সময় আইতাছে................
12277
CUET,chittagong থেকে rofrof লিখেছেন,
ha ha all negative event occur due to war criminal!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
12267
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন। সবগুলো ঘর পুরণ করা আবশ্যক: