সর্বশেষ সংবাদ: |
  • আজ যারা মনোনয়নপত্র ফিরে পেয়েছেন- নঈম জাহাঙ্গীর (জামালপুর-৩); আব্দুল কাঈয়ুম খান (নেত্রকোনা-১); এ কে এম লুৎফর রহমান (ময়মনসিংহ-১); চৌধুরী মোহাম্মদ ইসহাক (ময়মনসিংহ-৬); জেড খান মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন (চাঁদপুর-৪); মো. মহিউদ্দিন মোল্লা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২); মো. নাসির উদ্দিন (চট্টগ্রাম-৫); মামা চিং (বান্দরবান); সৈয়দ মাহামুদুল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩); এম মোরশেদ খান (চট্টগ্রাম-৮); মো. আবু বকর সিদ্দিক (রাজশাহী-৫), মো. আবু সহিদ চাঁদ (রাজশাহী-৬); আলেয়া বেগম (জয়পুরহাট-১); মো. মজিবুর রহমান (রাজশাহী-১); মো. ইবাদুল খালাসী (যশোর-৫); মো. তছির উদ্দিন (কুষ্টিয়া-৪); আবু তালেব সেলিম (ঝিনাইদহ-২); মো. সাজেদুর রহমান (যশোর-১); লিটন মোল্লাহ (যশোর-৪); রবিউল ইসলাম (যশোর-৫); মোছা. মেরিনা আক্তার (চুয়াডাঙ্গা-১)।
  • ইতালির একটি নৈশক্লাবে আতঙ্কিত জনতার হুড়োহুড়িতে ছয় জনের প্রাণহানি, আহত ১০০
  • ২০৬ আসনে বিএনপির একক প্রার্থী চূড়ান্ত, শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ৯৪টি আসন

নিউ ইয়র্কের নদীতে দুই সৌদি বোনের লাশ রহস্য

০১ নভেম্বর,২০১৮

নিউ ইয়র্কের নদীতে দুই সৌদি বোনের লাশ রহস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
নিউ ইয়র্ক: নিউ ইয়র্কে হাডসন নদীতে গত সপ্তাহে খুঁজে পাওয়া গেল দুই সৌদি তরুণীর লাশ। তাদের দুজনের দেহ এক সঙ্গে টেপ দিয়ে পেঁচানো। এই দুজন আসলে দুই বোন।

বড় বোন রোতানা ফারিয়ার বয়স ২২। ছোট বোন তালা ফারিয়ার ১৬। কেন তাদের মৃত্যু ঘটলো, তাদের লাশ কীভাবে হাডসন নদীতে ভেসে আসলো, সেটা এক বিরাট রহস্য। নিউ ইয়র্কের পুলিশ এখনো পর্যন্ত এই রহস্যের কোন কিনারা করতে পারেনি। খবর বিবিসি’র।

পুলিশ বলছে, এরা কি কোন অপরাধের শিকার হয়েছে, নাকি দুই বোন মিলে আত্মহত্যা করেছে সেটা নিশ্চিত করে বলার মত তথ্য এখনো তাদের কাছে নেই। পুলিশ বলছে, সৌদি নাগরিক এই দুই বোন সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছিল।

সৌদি আরব থেকে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্সে আসে ২০১৫ সালে। সঙ্গে ছিল তাদের মা। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দুই বোন প্রায়শই তাদের বাড়ি থেকে পালিয়ে যেত।

কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তারা এই ধাঁধাঁর কোন সূত্র খুঁজে পাচ্ছেন না কেমন করে ভার্জিনিয়ার বাড়ি থেকে ২৫০ মাইল দূরে হাডসন নদীর তীরে তাদের মৃতদেহ এলো।

সৌদি কনস্যুলেট জেনারেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দূতাবাসের কর্মকর্তারা এই দুই বোনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এরা দুজনেই ছিল ছাত্র। তারা ওয়াশিংটনে তাদের ভাইয়ের সঙ্গে ছিল।

অন্যদিকে নিউ ইয়র্ক পুলিশকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা এসোসিয়েটেড প্রেস বলছে, যেদিন দুই বোনের মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যায়, তার আগের দিন সৌদি দূতাবাসের এক কর্মকর্তার কাছ থেকে তাদের মায়ের কাছে একটি ফোন কল আসে।

ঐ কর্মকর্তা নাকি যুক্তরাষ্ট্রে দুই বোনের রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে পরিবারটিকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ দেন।

নদীর ধারে যখন তাদের দেহ খুঁজে পাওয়া যায়, দুই বোনের পরনে ছিল কালো লেগিংস এবং কালো জ্যাকেট। তাদের দুজনের কোমরে এবং পায়ের গোড়ালিতে কালো ডাক্ট টেপ পেঁচানো ছিল।

পুলিশ প্রথমে সন্দেহ করছিল, এরা দুজন হয়তো জর্জ ওয়াশিংটন ব্রীজ থেকে ঝাঁপ দিয়েছিল। কিন্তু দুজনের শরীরে কোন ধরনের আঘাতের চিহ্ণ না দেখে তারা সেই ধারনা এখন বাতিল করে দিচ্ছে।

পুলিশ লাশ দুটি সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছিল দুজনের মুখের স্কেচ একেঁ সেটি প্রকাশ করে মানুষের সাহায্য চাওয়ার পর।

গত দুমাসে নিউ ইয়র্কে এই দুজনের জীবন সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে পুলিশ মানুষের কাছে তথ্য চেয়ে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে।

বুধবার নিউ ইয়র্কের গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান বলেছেন, এই দুজনের জীবনের অনেক তথ্য এখনো অজানা। তারা দুজনের পুরো জীবনের একটা পরিস্কার চিত্র পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

মন্তব্য

মতামত দিন

আমেরিকা পাতার আরো খবর

খাসোগি হত্যার জন্য সৌদি যুবরাজকে দায়ী করে মার্কিন সিনেটে প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনওয়াশিংটন: মার্কিন সিনেটে আনা নতুন একটি প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের প্রখ্যাত সাংবাদিক জামাল . . . বিস্তারিত

‘নেতারা ভুল পথে হাঁটছেন, ইসলামহীন হয়ে পড়লে যুক্তরাষ্ট্রের ধ্বংস অনিবার্য’

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন শহরের রক্সবারি এলাকার ‘Mosque Praise Allah’(আল্লাহ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com