ট্রাম্পের ছেলের বউয়ের কাছে পাউডার ভর্তি খাম

১৩ ফেব্রুয়ারি,২০১৮

ট্রাম্পের ছেলের বউয়ের কাছে পাউডার ভর্তি খাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
ওয়াশিংটন: ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছেলে জুনিয়র ট্রাম্পের স্ত্রী’র কাছে পাউডার ভর্তি খাম পৌঁছালো। তা খুলে অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন তিনি। তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। চলছে তদন্ত।

তাহলে কি জুনিয়র ট্রাম্পের স্ত্রী ভ্যানেসা ট্রাম্পের কাছে খাম পাঠালো সন্ত্রাসবাদীরা? প্রশ্ন ঘুরছে মার্কিন মুলুকে।

ঘটনার সূত্রপাত একটি চিঠিকে ঘিরে। অভিযোগ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুত্রবধূর বাড়িতে একটি চিঠি পৌঁছায়। সেখানে নাম লেখা ছিল জুনিয়র ট্রাম্পের। খাম খুলতেই তিনি দেখতে পান, ভিতরে কোনো চিঠি নেই। রয়েছে পাউডার। খাম খোলার পর থেকেই অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন ট্রাম্পের ছেলের বউ। সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। যদিও প্রাথমিক পরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তিনি নিরাপদ।

খবর, জুনিয়র ট্রাম্পের স্ত্রী ছাড়াও তার মাকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কারণ সে সময় তিনিও বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তিনিও সুস্থ আছেন বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, কে বা কারা, কেন ওই পাউডার ভর্তি খাম পাঠালো জুনিয়র ট্রাম্পের বাড়িতে? কী তাদের উদ্দেশ্য? পুলিশ এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের আধিকারিকেরা উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছেন।

তবে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি তারা। জানিয়েছেন, তদন্ত চলছে। তবে নিরাপত্তার খাতিরেই এখনই কিছু বলা হবে না। তবে, পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, খামে পাওয়া পাউডারে কোনো জীবাণু বা প্রাণঘাতী পদার্থ মেলেনি।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দফতর কিংবা তার সংস্থার তরফ থেকেও বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। উল্লেখ্য, ট্রাম্পের পরিবারের কাছে এই প্রথম পাউডার ভর্তি খাম পৌঁছায়নি। এর আগে ২০১৬ সালে ট্রাম্পের আরেক ছেলে এরিকের কাছেও একটি হুমকির চিঠি গিয়েছিল। সেখানেও সাদা পাউডার ছিল। যদিও সেই পাউডারেও প্রাণঘাতী কোনো পদার্থ ছিল না।

পরবর্তীকালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দফতর ট্রাম্প টাওয়ারেও একই ধরনের একটি খাম গিয়ে পৌঁছায়।

খাম ভর্তি সাদা পাউডার নিয়ে মার্কিন মুলুকে প্রথম উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে ২০০১ সালে। বেশ কয়েকটি সংবাদসংস্থা এবং আইন বিষয়ক দফতরে সে সময় এ ধরনের খাম পাঠিয়েছিল অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীরা। সেই পাউডারে ছিল অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু। সেই সময় ৫ জনের মৃত্যুও হয়েছিল। এফবিআই তখন থেকেই বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন।

তবে প্রশ্ন অন্য। কেন বার বার ট্রাম্পের পরিবারের কাছে এ ধরনের খাম পাঠানো হচ্ছে? কারা পাঠাচ্ছে? এটা কি কোনো হুমকি? কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতো হাই প্রোফাইল ব্যক্তির পরিবারের কাছে কীভাবে পৌঁছাচ্ছে এই চিঠিগুলো? নিরাপত্তারক্ষীরা কেন কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না? কেন পাউডার ভর্তি খাম আগেই স্ক্যান করা যাচ্ছে না? প্রশ্ন সহজ। তবে উত্তর দিতে আপাতত রাজি নয় মার্কিন নিরাপত্তা সংস্থা।

সূত্র: ডয়চে ভেলে

মন্তব্য

মতামত দিন

আমেরিকা পাতার আরো খবর

এবারে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস করলেন সাবেক উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা ওমারোসা ম্যানিগোল্ট এবার তার . . . বিস্তারিত

১৪ বছর বয়সেই যুক্তরাষ্ট্রে গভর্ণর হওয়ার দৌড়ে এক কিশোর

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএননিউইয়র্ক: বয়স মাত্র ১৪, কিন্তু তাতে কি, কথায় বলে না বয়স সংখ্যা মাত্র। আমেরিকার স্কুল পড়ুয় . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com