‘কূটনৈতিক বিতর্ক থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র-তুরস্কের সামরিক সম্পর্ক ভালো’

১২ অক্টোবর,২০১৭

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলা সত্ত্বেও ন্যাটোর অংশীদার এ দু’দেশের সামরিক বাহিনী ভালভাবেই একসাথে কাজ করে যাচ্ছে। বুধবার মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিস একথা বলেন। খবর এএফপি’র।

ফ্লোরিডায় একটি সামরিক সদরদপ্তর পরিদর্শনকালে ম্যাটিস সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা অনেক ঘনিষ্ট সহযোগিতা, ভাল যোগাযোগ ও সামরিক বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক আলোচনা বজায় রেখেছি। এক্ষেত্রে কূটনৈতিক বিরোধের কোন প্রভাব পড়েনি।’

তিনি জোরদিয়ে বলেন, ‘আমরা তুরস্কের সামরিক বাহিনীর সাথে ভালভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’ গত বছরের ব্যর্থ সামরিক অভ্যত্থানে অভিযুক্ত গ্রুপের সাথে সম্পর্ক থাকার অভিযোগে আমেরিকান কনস্যুলেটে চাকুরি করা এক তুর্কি নাগরিককে গ্রেপ্তার করায় গত সপ্তাহে এ দু’দেশ কূটনৈতিক বিরোধে জড়িয়ে পড়ে।

এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কে তাদের মিশনে অভিবাসী নন এমন ব্যক্তির ভিসা ইস্যু করা বন্ধ করে দেয়। এরপরই যুক্তরাষ্ট্রে তুরস্কের মিশন এ ব্যাপারে অনুরূপ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। তুরস্ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু পারস্পরিক বিতর্কিত ভিসা সার্ভিস নিয়ে আলোচনা করতে বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন।

বিগত বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে অন্যতম এ সংকট ওয়াশিংটন ও আঙ্কারার মাঝে দেখা দেয়ার পর থেকে এই প্রথম তারা কথা বললেন। মঙ্গলবার পেন্টগণ মুখপাত্র জানান, এ কূটনৈতিক বিরোধ ন্যাটো বা তুরস্কের সাথে মার্কিন সামরিক সম্পর্কের ওপর কোন প্রভাব ফেলেনি।

কিছুদিন আগেই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়িপ এর্দোয়ানের প্রশংসা করেছিলেন এবং তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত স্তরেও বেশ উষ্ণতা দেখা গিয়েছিল৷কিন্তু সেই সখ্যতার জায়গায় একাধিক বিষয়কে কেন্দ্র করে এখন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে উত্তেজনা বেড়ে চলেছে৷

সিরিয়ায় কুর্দি গোষ্ঠী ওয়াইপিজি-র প্রতি মার্কিন সমর্থন ও সহায়তার তীব্র বিরোধিতা করছে তুরস্ক৷ তার উপর অ্যামেরিকায় নির্বাসিত তুর্কি ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লাহ গ্যুলেন-কে প্রত্যর্পণের ডাকে সাড়া দিচ্ছে না মার্কিন প্রশাসন৷ তুরস্কে ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করে এর্দোয়ান তার এই শত্রুকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর৷ এক মার্কিন আদালতে তুরস্কের প্রাক্তন অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রী জাফের চালায়ানের বিরুদ্ধে ইরানের উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷ পারস্পরিক আস্থার এমন সংকটের মধ্যে শুরু হয়েছে নতুন এক কূটনৈতিক সংঘাত৷

মন্তব্য

মতামত দিন

আমেরিকা পাতার আরো খবর

ধূমপান নয়, ক্যান্সারের প্রধান কারণ হবে অতিরিক্ত ওজন

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনমার্কিন: যুক্তরাজ্যের ক্যান্সার গবেষণা প্রতিষ্ঠানের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৪৩ সালের মধ্যে নার . . . বিস্তারিত

ইরানকে আয়নায় মুখ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনওয়াশিংটন: ইরানে সামরিক কুচকাওয়াজে বন্দুকধারীদের হামলার ঘটনায় সরকারের নিপীড়নমূলক আচরণই কারণ বলে . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com