ব্রেকিং সংবাদ: |
  • পরিবেশ সৃষ্টি হলে দেশে নির্বাচন হবে, বিএনপিও অংশ নেবে: মির্জা ফখরুল
  • ফখরুল তো বাম রাজনীতি করতেন, মনে হয় আল্লাহ-খোদায় বিশ্বাস কম: ওবায়দুল কাদের
  • স্বাধীনতাবিরোধীদের সন্তানদের চাকরিতে অযোগ্য ঘোষণার দাবি

ব্রাজিলের চপ্পল কিভাবে সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়লো

১৭ জুলাই,২০১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
ব্রাসেলস: এই গ্রহের সম্ভবত সবচেয়ে সাধারণ ও সাদামাঠা জুতো- এক টুকরো প্লাস্টিক যা মানুষের পায়ের পাতার সমান এবং তাতে লাগানো দুটো ফিতে যা দিয়ে এটি পায়ের সাথে আটকে থাকে। অর্থাৎ এক জোড়া স্যান্ডেল।

ব্রাজিলের এই হাভায়ানাস ব্র্যান্ডের চপ্পল বলতে গেলে সারা বিশ্বের বাজার প্রায় দখল করে নিয়েছে।

এই স্যান্ডেল তৈরি করে যে কোম্পানি সেটি গত সপ্তাহে বিক্রি হয়ে গেছে একশো কোটি ডলারে।

কিন্তু সেটি অন্য গল্প।

এই কোম্পানিটি প্রত্যেক বছর বিক্রি করতো গড়ে প্রায় ২০ কোটি জোড়া স্যান্ডেল।

দেশের ভেতরে তো বটেই আন্তর্জাতিক বাজারেও এটি হয়ে উঠেছিলো আকর্ষণীয় এক পণ্য।

ব্রাজিলের প্রায় সর্বত্রই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এই চপ্পলের দোকান। তাতে সারি সারি করে সাজানো আছে নানা রঙের ও স্টাইলের স্যান্ডেল।

কোনটাতে স্ট্র্যাপ লাগানো, কোনটা খুব বেশি উজ্জ্বল, কোনটা খুব হালকা, কোনটা আপনার প্রিয় ফুটবল ক্লাবের রঙের, আবার কোনটার হিল হয়তো সাধারণের চেয়েও উঁচু।

রাবারের তৈরি এই জুতোটি এখন ব্রাজিলের প্রায় সমার্থক হয়ে উঠেছে। এমনকি কোন কোনটার গায়ে ব্রাজিলের পতাকাও আঁকা।

কোম্পানির টুইটার অ্যাকাউন্টেও বলা হয়েছে, ‘হাভায়ানাসে আছে ব্রাজিলের আনন্দময় জীবনের স্বতঃস্ফূর্ততা।’

যুক্তরাজ্য থেকে অস্ট্রেলিয়া, প্যারিস থেকে নিউ ইয়র্ক সর্বত্রই এই স্যান্ডেল বিক্রি হচ্ছে।

এটি প্রথমে বাজারে এসেছিলো ১৯৬০ এর দশকে। প্রথমে ছিলো শ্রমজীবী মানুষের পায়ে আর এখন এটি উঠে এসেছে ধনী গরিব সবার পায়ে।

শুরুর দিকে এটি ছিলো শুধু শাদা ও নীল রঙের। পরতো শুধু শ্রমিকেরাই। বিক্রি হতো ভ্যানগাড়িতে।

এই স্যান্ডেলের ডিজাইনে প্রথম বৈচিত্র আসে ১৯৬৯ সালে, দুর্ঘটনাক্রমে। ভুল করেই দেখা যায় এক ব্যাচ স্যান্ডেল বেরিয়ে আসে সবুজ রঙের। কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে এটি বাজারে সাড়া ফেলে দেয়।

তখন থেকেই কোম্পানিটি নানা রকমের পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে শুরু করে। তারপরই শুরু হয় কোম্পানিটির রমরমা ব্যবসা।

অনেক ফ্যাশন সমালোচক একে ফ্যাশন জগতের ইতিহাসে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পণ্যের একটি বলে উল্লেখ করেছেন।

কিন্তু এই কোম্পানিটির মালিক জে এন্ড এফ গ্রুপ দেখাশোনা করতো ধনকুবের বাতিস্তা পরিবারের ধন সম্পদ।

সম্প্রতি এই পরিবারের ওপর উঠে দুর্নীতির অভিযোগ। কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে যায় জে এন্ড এফ কোম্পানিটিও। তখন জে এন্ড এফ গ্রুপকে প্রচুর অর্থ জরিমানা করা হয়। আর সেই জরিমানা শোধ করতে বিক্রি করে দিতে হয় হাভায়ানাস কোম্পানি।

এখন নতুন মালিকানায় বিখ্যাত এই স্যান্ডেলের উৎপাদন চলছে।

সূত্র: বিবিসি

মন্তব্য

মতামত দিন

আমেরিকা পাতার আরো খবর

পারমাণবিক এবং ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত কেন নিলেন কিম?

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনওয়াশিংটন: উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ বলছে, ‘২১শে এপ্রিল থেকে উত্তর কো . . . বিস্তারিত

মার্কিন সিনেটে দশ দিনের শিশু, ইতিহাস সৃষ্টি মায়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনওয়াশিংটন: ইলিনয়ের সেনেটর ট্যামি ডাকওয়ার্থ দশ দিন বয়সী শিশুকে কোলে নিয়ে মার্কিন সেনেটের একটি . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com