নেপালে বাংলাদেশি বিমান বিধ্বস্ত, মৃতদেহ উদ্ধার

১২ মার্চ,২০১৮

নেপালে বাংলাদেশি বিমান বিধ্বস্ত, মৃতদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
কাঠমান্ডু: ঢাকা থেকে নেপালের কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া ইউএস বাংলার একটি বিমান কাঠমান্ডু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

নেপালি সার্ভিস জানাচ্ছে, বিমানটি কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ল্যান্ডিং করার সময় দুর্ঘটনা ঘটে।

নেপাল পুলিশের মুখপাত্র মনোজ নেউপানে নেপালিকে জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে। খবর-বিবিসি

ইউএস বাংলার মুখপাত্র কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, তারা বিমান বিধ্বস্ত হবার খবর পেয়েছেন।

তবে, কী কারণে দুঘর্টনা ঘটেছে, এবং কতজন হতাহত হয়েছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোন তথ্য তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে, ধ্বংসস্তুপ থেকে বেশ কিছু মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নেপাল সরকারের একজন মুখপাত্র নারায়ন প্রাসাদ দুয়াদি এএফপিকে বলেন, ‘আমরা ধ্বংসস্তুপ থেকে আহতদের এবং মৃতদেহ উদ্ধার করেছি’।

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জেনারেল ম্যানেজার রাজ কুমার ছেতরি জানিয়েছেন, আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে দমকল কর্মীরা।

বিমান বন্দরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমান থেকে ধোঁয়া বেরুতে এবং তাড়াহুড়া করে যাত্রীদের বিমান থেকে বেরিয়ে আসতে দেখেছেন তারা।

ঢাকায় ইউএস বাংলার কর্মকর্তারা বলছেন, দুপুর ১২টা ৫১মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৬৭জন যাত্রী নিয়ে বিমানটি ছেড়ে যায়।

তবে প্রাথমিকভাবে বিধ্বস্ত হবার কারণ জানাতে পারেননি কর্মকর্তারা। হতাহতের সম্পর্কে বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।

সামাজিক মাধ্যমের বিভিন্ন পোস্টে দেখা যাচ্ছে কাঠমান্ডু বিমানবন্দর থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডুলী উঠছে।

ইউএস বাংলার মোট আটটি বিমান আছে, এর মধ্যে চারটি ড্যাশ এইট, চারটি বোয়িং।

এর মধ্যে একটি ড্যাশ এইট নষ্ট থাকার কারণে কিছুদিন যাবত হ্যাঙ্গারে পড়ে রয়েছে।

দেশের বিভিন্ন গন্তব্য ছাড়াও কোলকাতা, কাঠমান্ডু, ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর, দোহা এবং মাসকট রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে ইউএস বাংলা।

এছাড়া এপ্রিলে চীনের গুয়াংঝু শহরে ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।

নেপালে বাংলাদেশি বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫০

ঢাকা থেকে নেপালের কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া ইউএস বাংলার একটি বিমানে কাঠমান্ডু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ইউএস-বাংলার একটি প্লেন বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে ৭৮ আসনের প্লেনটির বেশিরভাগ যাত্রীরই প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঢাকায় ইউএস বাংলার কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার দুপুর ১২টা ৫১মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৬৭জন যাত্রী নিয়ে এটি ছেড়ে যায়। তবে প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানাতে পারেননি কর্মকর্তারা। সামাজিক মাধ্যমের বিভিন্ন পোস্টে দেখা যাচ্ছে কাঠমুন্ডু বিমানবন্দর থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডুলী উঠছে। স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে পার্বত্য শহর কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণকালে এ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

নেপালের গণমাধ্যম জানিয়েছে কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলার বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৫০ জন নিহত। তাদের খবরে বলা হয়েছে, বিমানটিতে ৭৮ জন আরোহী ছিলেন, তবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর বলা হচ্ছে ৬৭ জন আরোহী ছিলেন। বিধ্বস্ত বিমানটিতে থেকে ১৭ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, প্লেনটিতে ৬৭ আরোহী ছিলেন। স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমের খবর, প্লেনটি অবতরণের সময় বিমানবন্দরের পূর্ব পাশে আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনাকবলিত প্লেনের আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে ছুটে গেছেন দমকলকর্মী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব সুরেশ আচার্য্য জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে ১৭ জনকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেমনাথ ঠাকুর জানান, প্লেনটি অবতরণের সময় তীব্র ঝাঁকুনি খেয়ে দিক বদলে পূর্ব পাশের একটি ফুটবল মাঠে আছড়ে পড়ে। এসময় প্লেনটিতে আগুন ধরে যায়।

ঘটনাস্থলে বিমানবন্দরের উদ্ধারকর্মী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা তৎপরতা চালাচ্ছেন। ত্রিভুবন বিমানবন্দরের পূর্ব পাশে দুর্ঘটনা কবলিত উড়োজাহাজ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, প্লেনটি বোম্বার্ডিয়ার ড্যাশ ৮ কিউ৪০০ মডেলের এস২-এজিইউ। বাইরে পাখাবিশিষ্ট এ ধরনের প্লেনে সর্বোচ্চ ৭৮টি আসন থাকে

নেপালি সার্ভিস জানাচ্ছে, বিমানটি কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ল্যান্ডিং করার সময় দুর্ঘটনা ঘটে।

বিমান বন্দরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমান থেকে ধোয়া বেরুতে এবং তাড়াহুড়া করে যাত্রীদের বিমান থেকে বেরিয়ে আসতে দেখেছেন তারা। যাত্রীদের কয়েকজন আহত হয়েছেন।

নেপাল পুলিশের মুখপাত্র মনোজ নেউপানে বিবিসি নিউজ নেপালিকে জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়েছে।

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জেনারেল ম্যানেজার রাজ কুমার ছেতরি জানিয়েছেন, আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে দমকল কর্মীরা।

ইউএস বাংলার মোট আটটি বিমান আছে, এর মধ্যে চারটি ড্যাশ এইট, চারটি বোয়িং। এর মধ্যে একটি ড্যাশ এইট নষ্ট থাকার কারণে কিছুদিন যাবত হ্যাঙ্গারে পড়ে রয়েছে।

দেশের বিভিন্ন গন্তব্য ছাড়াও কোলকাতা, কাঠমান্ডু, ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর, দোহা এবং মাসকট রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে ইউএস বাংলা। এছাড়া এপ্রিলে চীনের গুয়াংঝু শহরে ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেম নাথ ঠাকুর বলেন, অবতরণের সময় উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। পরে বিমানটি পাশের একটি ফুটবল মাঠে গিয়ে পড়ে।

মন্তব্য

মতামত দিন

এশিয়া পাতার আরো খবর

সিরিয়ায় রুশ সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, ইসরাইলকে কেন দায়ী করছে রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনদামেস্ক: রাশিয়া বলছে, সিরিয়ার সরকারি বাহিনী ভুলবশত তাদের সামরিক বিমানটিকে ভূপাতিত করেছে। কিন্ . . . বিস্তারিত

রোহিঙ্গাদের ওপর সামরিক বাহিনী নৃশংসতার ‘পরিমাপ করা কঠিন’: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনজেনেভা: জাতিসংঘের তদন্তকারী মারজুকি দারুসমান, মন্তব্য করেছেন, সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির ওপর . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com