সর্বশেষ সংবাদ: |
  • গাড়িবহরে হামলার বিষয়ে ড. কামালের সংবাদ সম্মেলন শুক্রবার বিকালে
  • তৃতীয় বেঞ্চে আজ শুনানি হতে পারে খালেদা জিয়ার রিট
  • নির্বাচনী সহিংসতা ‘তৃতীয় শক্তির পাঁয়তারা’ কি না খতিয়ে দেখতে গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ সিইসির

অপরাধের দায় এড়ানোর কৌশল মায়ানমার আর্মির: আরসা

১৩ জানুয়ারি,২০১৮

আরসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
নাইপেদো: মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকা নিয়ে দেশটির সেনাবাহিনীর স্বীকারোক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)। তবে, এই স্বীকারোক্তির মাধ্যমে সেনারা তাদের অপরাধের দায় এড়ানোর কৌশল অবলম্বন করেছে বলে সংগঠনটি মনে করছে।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আরসা বলেছে, বার্মার সন্ত্রাসী আর্মি যে স্বীকারোক্তি দিয়েছে তার মাধ্যমে তাদের সন্ত্রাস, যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রমাণ হয়েছে। বার্মিজ উপনিবেশবাদের ইতিহাসে এই প্রথম এমন স্বীকৃতি দেয়া হলো।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মায়ানমার আর্মির পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা সেপ্টেম্বর মাসে আরাকান রাজ্যের মংডু শহরের পাশের ইন ডিন গ্রামে নিরাপরাধ ১০ রোহিঙ্গাকে হত্যা করে এক সঙ্গে কবর দেয়। ওই স্বীকারোক্তির পরিপ্রেক্ষিতেই এই বিবৃতি দেয়া হলো।

আরসা প্রধান আতাউল্লাহ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমরা বলতে চাই, ইন ডিন গ্রামে যে ১০ রোহিঙ্গাকে নির্মমভাবে হত্যা করে গণকবর দেয়া হয়েছে, তারা আরসার সদস্য নয় কিংবা তাদের সঙ্গে আরসার কোনো ধরনের যোগসূত্র নেই।

বিবৃতিতে বলা হয়, বার্মিজ আর্মি যা স্বীকার করেছে তা যে উপরে উল্লিখিত আন্তর্জাতিক অপরাধ তা স্পষ্ট। কিন্তু তারা সামান্য এই স্বীকারোক্তির মাধ্যমে যে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে তা যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য নয়। বরং মায়ানমারের সন্ত্রাসী সরকারের উচিত ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন কিংবা অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে বিনা শর্তে আক্রান্ত এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া, যাতে তারা ঘটনাটি সঠিকভাবে তদন্ত করে দেখতে পারেন যে, বার্মিজ সন্ত্রাসী আর্মির দাবি ঠিক কি না।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, বরাবরের মতো এই কৌশল অবলম্বন করে বার্মিজ সন্ত্রাসী আর্মি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতাকে উপহাস করছে। সত্যিকার অর্থে ইন ডিন গ্রামে তারা যে অপরাধ করেছে তার দায় এড়াতেই এই কৌশল অবলম্বন করছে মায়ানমার আর্মি।

তবে, বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা এই আন্তর্জাতিক অপরাধের ব্যাপারে আমাদের নিজস্ব তদন্ত পরিচালনা করব এবং সত্যিকার অর্থেই সেখানে কী হয়েছিল তা যথাসময়ে প্রকাশ করব।

এদিকে, রোহিঙ্গা নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা সেনাবাহিনীর স্বীকার করাকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি।

তিনি বলেছেন, এর জন্য তার দেশের সেনাবাহিনী দায় নিচ্ছে। এটা একটা ইতিবাচক পদক্ষেপ।

মায়ানমার সফররত জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারো কোনোর সাথে বৈঠক শেষে প্রশাসনিক রাজধানী নেপিদোতে শুক্রবার এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন সু চি।

মন্তব্য

মতামত দিন

এশিয়া পাতার আরো খবর

জাপান উপকূলে মার্কিন বিমানের সংঘর্ষ, নিখোঁজ ৫ মেরিন সেনা

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনটকিও: জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে আমেরিকার দুটি বিমানের সংঘর্ষে অন্তত ৫ মেরিন সেনা নিখোঁজ হয়েছ . . . বিস্তারিত

বাবরি মসজিদ ধ্বংসে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী কতটা দায়ী?

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএননয়াদিল্লি: ১৯৯২ সালের ৬ই ডিসেম্বর ছিল রবিবার। রবিবার বলেই একটু দেরী করে সেদিন ঘুম থেকে উঠেছিলে . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com