রাখাইনে মানবিক সঙ্কট অবসানে বিশ্বের বিশিষ্ট নাগরিকদের চিঠি

১৩ সেপ্টেম্বর,২০১৭

নিউজ ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: মায়ানমারের রাখাইনে মানবিক সঙ্কট অবসানে জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ১২ নোবেল লরিয়েট ও বিশ্বের বিশিষ্ট নাগরিকরা। ‘রোহিঙ্গা সঙ্কট আরও গভীরতর হচ্ছে’ উল্লেখ করেন তারা।

এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কাছে তারা খোলা চিঠি লিখেছেন বলে ইউনূস সেন্টার থেকে বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

চিঠিতে নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি ও সদস্যদের কাছে রাখাইনের নিরীহ নাগরিকদের ওপর অত্যাচার বন্ধ এবং ওই এলাকায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর পদক্ষেপের জন্য সাতটি সুপারিশ বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়।

চিঠিতে ১২ নোবেল লরিয়েট ও বিশ্বের বিশিষ্ট নাগরিকরা উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গা সঙ্কট পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে নিরাপত্তা পরিষদের সভা আহ্বানের জন্য প্রথমে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা আবারও মনে করিয়ে দিতে চাই যে, মিয়ানমারের রাখাইন এলাকায় মানবীয় ট্র্যাজেডি ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ যে ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে তার অবসানে আপনাদের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। আপনাদের এই মুহূর্তের দৃঢ় সংকল্প ও সাহসী সিদ্ধান্তের ওপর মানব ইতিহাসের ভবিষ্যৎ গতিপথ অনেকটাই নির্ভর করছে।

চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা হলেন: প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস, নোবেল শান্তি পুরস্কার ২০০৬ জয়ী; মেইরিড মাগুইর, নোবেল শান্তি পুরস্কার ১৯৭৬ জয়ী; বেটি উইলিয়াম্স, নোবেল শান্তি পুরস্কার ১৯৭৬ জয়ী; আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু, নোবেল শান্তি পুরস্কার ১৯৮৪ জয়ী; অসকার আরিয়াস সানচেজ, নোবেল শান্তি পুরস্কার ১৯৮৭ জয়ী; জোডি উইলিয়াম্স, নোবেল শান্তি পুরস্কার ১৯৯৭ জয়ী; শিরিন এবাদী, নোবেল শান্তি পুরস্কার ২০০৩ জয়ী; লেইমাহ বোয়ি, নোবেল শান্তি পুরস্কার ২০১১ জয়ী; তাওয়াক্কল কারমান, নোবেল শান্তি পুরস্কার ২০১১ জয়ী; মালালা ইউসাফজাই, নোবেল শান্তি পুরস্কার ২০১৪ জয়ী; স্যার রিচার্ড জে. রবার্টস, চিকিৎসা শাস্ত্রে ১৯৯৩ সালে নোবেল পুরস্কার জয়ী; এলিজাবেথ ব্যাকবার্ন, চিকিৎসা শাস্ত্রে ২০০৯ সালে নোবেল পুরস্কার জয়ী; সাইয়েদ হামিদ আলবার, মালয়েশিয়ার প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী; এমা বোনিনো, ইতালির প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী; স্যার রিচার্ড ব্র্যানসন, ব্যবসায়ী নেতা ও সমাজসেবী; গ্রো হারলেম ব্রান্ড্টল্যান্ড, নরওয়ের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী; মো ইব্রাহীম, উদ্যোক্তা ও সমাজসেবী; কেরি কেনেডি, মানবাধিকার কর্মী; আলা মুরাবিত, লিবীয় নারী অধিকার প্রবক্তা, এসডিজি সমর্থক; নারায়ণ মুর্তি, ব্যবসায়ী নেতা; কাসিত পিরোমিয়া, থাইল্যান্ডের প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী; সুরিন পিটসুয়ান, আসিয়ানের প্রাক্তন মহাসচিব; পল পোলম্যান, ব্যবসায়ী নেতা ও এসডিজি সমর্থক; ম্যারি রবিনসন, আয়ারল্যান্ডের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট; জেফরে ডি. সাচ, পরিচালক, জাতিসংঘ সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশান্স নেটওয়ার্ক এবং ফরেস্ট হুইটেকার, অভিনেতা, এসডিজি সমর্থক।

মন্তব্য

মতামত দিন

এশিয়া পাতার আরো খবর

ওসামা বিন লাদেন তার শেষ সাক্ষাৎকারে কী বলেছিলেন পাকিস্তানি সাংবাদিক হামিদ মীরকে

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনইসলামাবাদ: ওয়াশিংটন আর নিউইয়র্কে টুইন টাওয়ারে হামলার প্রতিশোধ নিতে আফগানিস্তানে যখন আমেরিকান . . . বিস্তারিত

বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন কমিশন কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে?

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: বাংলাদেশে দুর্নীতির বিস্তার এবং গভীরতা নিয়ে কারো মনে সন্দেহ থাকার কথা নয়। দুর্নীতির গভী . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান, গোলাম রসুল প্লাজা (তৃতীয় তলা), ৪০৪ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com