তিন তালাক কোরআনে নেই, তাহলে কেন এই প্রথা?

১৮ মে,২০১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আরটিএনএন

দিল্লি: মুসলিম ধর্মগ্রন্থে বলা হয়েছে তিন তালাক পাপ এবং বিচ্ছেদের একটা জঘন্য উপায়। তবে কেন এই প্রথা এত বছর ধরে মেনে আসা হচ্ছে? ভারতের সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলাকালীন আবারো প্রশ্নের মুখে পড়ল তিন তালাকের বৈধতা।


মুসলিম পার্সোনাল ল’‍ বোর্ডের আইনজীবীকে আদালতের প্রশ্ন, কোরআনে নেই এমন প্রথাকে কেন নিন্দনীয় বলে ঘোষণা করবে না আদালত।


বুধবার আদালতে শুনানি চলাকালীন ওই ধর্মগ্রন্থ পড়ে শোনানো হয়। প্রধান বিচারপতি এ এস খেহর এই ধর্মগ্রন্থ পড়ে শোনান। যেখান বলা হয়েছে, তালাক-এ-বিদত হল ভুল পথ।


তিনি বলেন, শুক্রবার হলে এই ধর্মগ্রন্থ একাধিকবার পড়েন মুসলিমরা। অর্থাৎ, প্রার্থনার সময় তারাই বারবার বলেন, তিন তালাক আসলে পাপ। তাহলে কেন এই প্রথা মেনে নেয়া হয়?


বিচারপতিরা বলেন, কোরআনের উল্লেখিত নির্দেশে স্পষ্ট বলা রয়েছে, এই প্রথার পরিবর্ধন বা পরিমার্জন নিষিদ্ধ। তিন তালাকের কোনো উল্লেখ তো কোরআন শরিফেই নেই।


একই সঙ্গে আদালতের প্রস্তাব, কোনো দম্পতি তিন তালাক মানবেন কি না তা নিকাহনামায় উল্লেখ করার কথা কি ভাবা যেতে পারে। অর্থাৎ কোনো বিয়েতে তিন তালাক প্র‌যোজ্য হবে কি না তা বিয়ের সময়ই ঠিক করে নেবেন দম্পতি এবং তার উল্লেখ থাকবে নিকাহনামায়। শুধুমাত্র যে ক্ষেত্রে পাত্রী তিন তালাক প্র‌যো‌জ্য বলে মত দেবেন, সেই ক্ষেত্রেই স্বামী তিন তালাক দিলে তা বৈধ হবে। যে পাত্রী বিয়ের সময় তিন তালাক মানতে অস্বীকার করবেন, তাকে স্বামী তিন তালাক দিলে তা বৈধ হবে না।


এছাড়া আদালতের প্রশ্ন, মুসলিম সম্প্রদায়ের মাত্র ০.৪৪ শতাংশ বিবাহ বিচ্ছেদ তিন তালাক পদ্ধতিতে হয়। অর্থাৎ এমনটাও নয় যে তিন তালাক খুব জনপ্রিয়। তাহলে এই প্রথা চালিয়ে ‌যাওয়ার কী কারণ থাকতে পারে? সেই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন বিচারপতিরা।


সূত্র: কলকাতা২৪

মন্তব্য

মতামত দিন

এশিয়া পাতার আরো খবর

কাশ্মীরি যুবককে ‘মানব-ঢাল’ বানানো সেই ভারতীয় সেনাকে পুরস্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনকাশ্মীর: ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের ফারুক আহমেদ ডার নামের এক যুবককে জীপ গাড়ির সামনে বেঁধ . . . বিস্তারিত

কাশ্মীর সীমান্তে ফের ভয়াবহ সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে তিন সেনাসহ নিহত ৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আরটিএনএনজম্মু-কাশ্মীর: ভারত অধ্যুষিত জম্মু–কাশ্মীরের নওগাম সেক্টর সীমান্তে অনুপ্রবেশকারী ও ভারতী . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান, গোলাম রসুল প্লাজা (তৃতীয় তলা), ৪০৪ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com