ব্রেকিং সংবাদ: |
  • টরেন্টোর হামলাকারী সম্পর্কে সর্বশেষ যা জানা যাচ্ছে
  • তাবিথ আউয়াল ও আব্দুল হাই বাচ্চুকে দুদকে তলব
  • হঠাৎ কেঁপে উঠলো সিলেট, ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প
  • টরোন্টোয় গাড়িচাপায় প্রাণ গেল ১০ পথচারীর, ট্রুডোর সান্ত্বনা
  • বিজেপির শীর্ষ নেতাদের বক্তব্যে ঢাকার রাজনীতিতে তোলপাড়
  • খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করতে গেছেন স্বজনরা
  • কাবুলে ভোটার নিবন্ধনকেন্দ্রে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩
  • ২৫ বছরের যুদ্ধে সোয়া কোটি মুসলিম নিহত, যা একটি বিশ্বযুদ্ধের সমান ক্ষয়ক্ষতি
  • খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সপ্তাহব্যাপী বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
  • ত্রিভুবন বিমানবন্দরের গাফিলতিই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী: ইউএস-বাংলা
  • যে শর্তে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে বিএনপিকে ছাড় দিল জামায়াত

জীবিতরা আর মৃতরা যেখানে এক সাথেই বাস করে

২০ এপ্রিল,২০১৭

নিউজ ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: পৃথিবীর প্রায় সব সংস্কৃতি বা ধর্মেই মৃত্যুকে মনে করা হয় শুধুমাত্র শারীরিক বিনাশ। যা এই জগতের শেষ, আর অন্য আরেক জগতের শুরু। তবে ইন্দোনেশিয়ার একটি অঞ্চলে বিষয়টি একটু আলাদা।

সেখানে একজনের মৃত্যু হলেও, তার শেষকৃত্য হতে অনেক সময় লেগে যায়। মৃতদের নিয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গিও আলাদা ধরণের।

একটি ভিডিও তে দেখা যাচ্ছে বসার কক্ষে পরিবারের সদস্যরা বসে কফি খাচ্ছেন। সবাই খু্ব হাসিখুশি, আর এরই পাশের কক্ষের বিছানায় একজন শুয়ে আছেন। তিনি কোনো নড়াচড়া করছেননা।

তার ধুসর বর্ণের মুখে ছোট ছোট অনেক দাগ, যেন পোকা মাকড় কামড় দিয়েছে। শরীরে অনেক কাপড় পেঁচানো।

বাড়ির ছোট মেয়ে মামাক লিসা বলছিলেন, ‘তার সম্পর্কে হৃদয়ের আবেগের খুব সম্পর্ক আছে। আমাদের সেই সম্পর্ক এখনো আছে’।

অথচ এই ব্যক্তি মারা গেছেন ১২ বছর আগে। যদিও তার পরিবার মনে করে তিনি এখনো জীবিত কিন্তু একটু অসুস্থ। এই মৃত ব্যক্তি তার পরিবারের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রারই একটি অংশ।

ইন্দোনেশিয়ার তোরাজন এলাকার পুরনো প্রথার এটিও একটি, যেখানে মৃতরা জীবিতদের সাথেই বসবাস করে। কেউ মারা যাওয়ার অনেক মাস পর. অনেক বছর পর শেষকৃত্য হয়। এ মধ্যবর্তী সময়ে নানা হারবাল ও রাসায়নিক দিয়ে মৃতদেহ সংরক্ষণ করে পরিবারের সঙ্গেই রাখা হয়।

তাকে দিনে দুবার খাবার দেয়া হয়, এমনটি টয়লেটের জন্যও রুমে এক কোণে একটি পাত্র রাখা হয়। তার কন্যা বলছিলেন , ‘এটা আমার দু:খবোধ কাটাতে অনেক সাহায্য করছে। আমার বাবা যে মারা গেছেন সে কষ্টের সাথে অভ্যস্ত হতে আমি সময় পাচ্ছি’।

যখন চূড়ান্ত ভাবে মৃতদের বিদায় জানানো হয় তখন অনুষ্ঠান হয় অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ। আত্মীয়স্বজনরা আসেন। অনেক টাকা পয়সাও খরচ করা হয়। আবার এ শেষকৃত্য কিন্তু চূড়ান্ত বিচ্ছেদ নয়। কয়েক বছর পর পর নানা উপলক্ষে কফিন খুলে মৃতদেহ বের করা হয়।

বন্ধু আর আত্মীয়রা তাকে নানা খাবার দেন, পরিষ্কার করে একত্রে তার সাথে ছবিও তুলেন। সমাজবিজ্ঞানী আন্দি তান্দি লোলো, ‘সমাজবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে দেখলে এটি জীবিত ও মৃতদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ রক্ষার মতো ব্যাপার’।

তিন বছর আগে নিহত এক ব্যক্তির পুত্রবধূ বলছেন, যখন তাকে দেখতে পাই তখন মনে হয় তিনি আমাদের কত ভালোবাসতেন। তবে এ প্রাচীন প্রথাটি এখন ক্রমশ বিলুপ্তির পথে।

মন্তব্য

মতামত দিন

এশিয়া পাতার আরো খবর

হঠাৎ কেন নরেন্দ্র মোদি চীন সফরে যাচ্ছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএননয়াদিল্লি: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এ সপ্তাহের শেষ দিকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ে . . . বিস্তারিত

আফগানিস্তানে ৩ চিকিৎসক ভাইয়ের শিরশ্ছেদ!

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএননানগারহা: আফগানিস্তানে চিকিৎসা পেশার সঙ্গে জড়িত তিন ভাইকে শিরশ্ছেদ করে হত্যা করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com