সর্বশেষ সংবাদ: |
  • নির্বাচনের মাঠ এখনও লেভেল প্লেয়িং হয়নি: ড. কামাল
  • প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন চায় না নির্বাচন কমিশন, প্রার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিতে নিরপেক্ষতার প্রশ্নে ছাড় নয় : কমিশনার শাহাদাত
  • বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরু হবে ১৮ নভেম্বর, প্রথম দিন রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ

আলজেরিয়ার স্বাধীনতাযুদ্ধে নির্যাতনের দায় স্বীকার ফ্রান্সের

১৪ সেপ্টেম্বর,২০১৮

আলজেরিয়ার স্বাধীনতাযুদ্ধে নির্যাতনের দায় স্বীকার ফ্রান্সের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
প্যারিস: পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝিতে আলজেরিয়ার স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় পরিকল্পিত নির্যাতনের দায় প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে ফ্রান্স।

বৃহস্পতিবার দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন বলেন, আলজেরিয়ার স্বাধীনতাপন্থী কমিউনিস্ট নেতা মৌরিস ওউডিন ১৯৫৭ সালে নিখোঁজ হয়েছিলেন। আলজেরিয়া যখন ফ্রান্সের অধীন ছিল, তখন ফরাসি আইনে নির্যাতন থেকেই তার মৃত্যু হয়েছিল।

নিখোঁজের সময় আলজিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতজ্ঞ হিসেবে কাজ করতেন ২৫ বছর বয়সী মরিস ওউডিন। সাত বছরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর আলজেরিয়া ১৯৬২ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেয়।

ব্যাটল অব আলজিয়ার্সের সময় গুম হয়ে যাওয়া ওউডিন ছিলেন আলজেরিয়া স্বাধীনতার দাবির পক্ষে সমর্থন জানিয়ে দেশটিতে অবস্থান করা অল্প কয়েক ইউরোপিয়ান নাগরিকের মধ্যে একজন। নিখোঁজের সময় তিনি বিবাহিত ও তিন সন্তানের জনক ছিলেন।

প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে আলজেরিয়া সফরের সময় উপনিবেশবাদিতাকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়েছিলেন ম্যাক্রন। যদিও ২০১৭ সালের শেষ দিকে তিনি ঔপনিবেশিক আইনে করা অপরাধের কারণে আলজেরিয়াকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার সম্ভাবনার কথাও উড়িয়ে দিয়েছিলেন।

স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রায় ১৫ লাখ আলজেরীয় মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছিল বলেও অনুমান করা হয়। ফ্রান্সের সঙ্গে আলজেরিয়ার স্বাধীনতাযুদ্ধ দেশ দুটির সম্পর্কে যে গভীর কালোছায়া এঁকে দিয়েছে, তার রেশ এখনও বজায় আছে বলে মন্তব্য বিবিসির। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্যারিস সেই সময়কার নির্যাতন ও অত্যাচারের দায় একে একে স্বীকার করে নিচ্ছে।

২০১৬ সালে ফ্রান্সের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ আলজেরিয়ার যুদ্ধে ফ্রান্সের হয়ে লড়াই করা লাখো আলজেরীয়র দায়িত্ব না নিয়ে তাদের অনেককেই যুদ্ধের পর পাল্টা আক্রমণের শিকার হতে দেয়ার দায় স্বীকার করে নিয়েছিলেন।

ফ্রান্সের হয়ে লড়াই করা ওই আলজেরীয়রা হার্কিস নামে পরিচিত ছিলেন। এদের অনেককে পরে ফ্রান্সেও ফেরত পাঠানো হয়েছিল। সেখানেও তাদের সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করা হয়েছিল বলেও মেনে নিয়েছিলেন ওলাঁদ।

বৃহস্পতিবার ওউডিনের বিধবা স্ত্রীকে দেখতে গিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, একটি বিষয়ই আমি করতে পারি, সেটি হচ্ছে- সত্যকে স্বীকার করে নেয়া।

মন্তব্য

মতামত দিন

ইউরোপ পাতার আরো খবর

‘চীন-রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে হেরে যাবে আমেরিকা’

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনওয়াশিঙটন: গোটা বিশ্বের উপর মার্কিন সামরিক আধিপত্যের জমানা কি এ বার শেষ হতে চলেছে? শক্তিধর হিসা . . . বিস্তারিত

বিজ্ঞানীর ছবি থাকবে ব্রিটেনের নতুন ব্যাংক নোটে

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনলন্ডন: যুক্তরাজ্যের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক অব ইংল্যান্ড, ঘোষণা দিয়েছে নতুন ৫০ পাউন্ডের নোটে . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com