সর্বশেষ সংবাদ: |
  • বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর প্রার্থিতা বৈধ করবে বলে জানিয়েছেন আদালত, অ্যাটর্নি জেনারেলের মতামত নেওয়ার পর আদেশ
  • তিন আসনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দায়ের করা রিটের শুনানি চলছে
  • সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সংবিধান, ভোটার ও রাজনৈতিক নেতাদের কাছে দায়বদ্ধ নির্বাচন কমিশন : সিইসি

ম্যার্কেল-সেহোফার দ্বন্দ্বের অবসান

০৯ জুলাই,২০১৮

ম্যার্কেল-সেহোফার দ্বন্দ্বের অবসান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
বার্লিন: জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্স্ট সেহোফার জানিয়েছেন চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সঙ্গে অভিবাসন নীতি নিয়ে তার দ্বন্দ্বের অবসান ঘটেছে। এর আগে শরণার্থী নীতি নিয়ে বিরোধে পদত্যাগেরও হুমকি দিয়েছিলেন তিনি।

খ্রিষ্টীয় সামাজিক ইউনিয়ন (সিএসইউ)নেতা সেহোফার রবিবার জানিয়েছেন, খ্রিষ্টীয় গণতন্ত্রী দলের (সিডিইউ) সাথে তার জোট এখন ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করছে।

দৈনিক পত্রিকা বিল্ডকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘গাড়ির পেছনে দেখার গ্লাসের চেয়ে সামনের উইন্ডস্ক্রিন সবসময়ই বড় হয়। আমরা সবসময়ই সে মূল্যবোধে ধরে এগুচ্ছি।'

ম্যার্কেলের অবস্থান শুধু জার্মানিতেই নয়, পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নে বিপদে ফেলার জন্য দুঃখপ্রকাশে অবশ্য রাজি নন সেহোফার।

তিনি বলছেন, ‘আমাদের কিছু বিষয়ে মতবিরোধ ছিলো। কিন্তু কখনই তা ব্যক্তিগত আক্রমণে রূপ নেয়নি।' এখন ম্যার্কেলের সাথে একসাথে কাজ করা তার ‘দায়িত্ব' বলেও মন্তব্য করেন সেহোফার।

সীমান্ত থেকে অবৈধ শরণার্থীদের বিদায় করতে জার্মান নীতি কার্যকরে বদ্ধপরিকর ছিলেন সেহোফার। তবে চ্যান্সেলর ম্যার্কেল বারবার বলছিলেন, এর ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের চলাচলের স্বাধীনতা বিষয়ক যে মূলনীতি, তা বাধাগ্রস্ত হবে।

সেহোফার এবং তাঁর সিএসইউ দল একভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে সীমান্তে কড়াকড়ির হুমকিও দিয়েছিলো। তখন ধারণা করা হচ্ছিল, চ্যান্সেলরকে এড়িয়ে কোন একক সিদ্ধান্ত নিলে বরখাস্ত হতে পারেন সেহোফার।

এর আগে, কঠোর নীতি গ্রহণ না করলে পদত্যাগ, এবং জোট সরকার ভেঙে দেয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন সেহোফার। জোটে সেহোফারের সিএসইউ, ম্যার্কেলের সিডিইউ ছাড়াও মধ্যবামপন্থি সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট -এসপিডিও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার এই তিন দলের নেতাই জার্মানিতে অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে এবং একটি কঠোর নীতি গ্রহণে একমত হন।তবে বিরোধীদের অভিযোগ, অক্টোবরে বাভারিয়ার নির্বাচনে কট্টরপন্থি ভোটারদের নিজের দিকে টানতেই শরণার্থী ইস্যুতে এমন কঠোর অবস্থানে গিয়েছেন সেহোফার।

জার্মানির সবচেয়ে দক্ষিণে অবস্থিত বাভারিয়ান রাজ্যে ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে লাখ লাখ শরণার্থী প্রবেশ করেছেন। এরপর থেকে সেখানে শরণার্থীবিরোধী মনোভাব ধীরে ধীরে প্রবল হয়ে উঠেছে।
বাভারিয়ায় শরণার্থীবিরোধী দল অলটারনেটিভ ফর ডয়েচল্যান্ড- এএফডি এখন ব্যাপক জনপ্রিয়। ২০১৭ সালের নির্বাচনে দেশের সবচেয়ে বড় বিরোধী দলের জায়গা দখল করেছে এএফডি।

সূত্র: ডয়চে ভেলে

মন্তব্য

মতামত দিন

ইউরোপ পাতার আরো খবর

ইহুদিবাদী ইসরাইলকে বায়তুল মোকাদ্দাসের মর্যাদাহানি করতে দেয়া হবে না: এরদোগান

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনইস্তাম্বুল: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান বলেছেন, ‘গোটা বিশ্বের মুসলমানরা . . . বিস্তারিত

গৃহযুদ্ধের পর বসনিয়ায় এমপি নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়লেন হিজাবী নারী বেগিজা স্মাজিক 

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনসারায়েভো: বসনিয়ার জাতিগত গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে এই প্রথম দেশটির হিজাব পরিহিত কোনো নারী আইনপ্রণ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com