সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান পুনবর্হাল চান এরদোগান

১৯ মার্চ,২০১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
আঙ্কারা: তুরস্কে ব্যর্থ অভ্যুত্থানে অভিযুক্ত সেনা সদস্যদের মৃত্যুদণ্ড দিতে দেশটির পার্লামেন্টে ২০১৬ সালে একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছিল। সংবিধান পরিবর্তনের মাধ্যমে এই বিলটি আইন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান।

আগামী ১৬ এপ্রিল তুরস্কের সংবিধান পরিবর্তনের উপর গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য পদ অর্জনের জন্য ২০০৪ সালে ‘মৃত্যুদণ্ড’ সম্পূর্ণরুপে বাতিল করেছিল তুরস্ক। তবে গণভোটের মাধ্যমে সংবিধান পরিবর্তন করলে পার্লামেন্টে এই আইনটি পাশ করার আর বাধা থাকবে না।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই তুর্কি সামরিক বাহিনীর একটি অংশ ক্ষমতা থেকে এরদোগানকে উৎখাতের চেষ্টায় বিদ্রোহ করে। তবে সামরিক বাহিনীর সব অংশ সমানভাবে সাড়া না দেয়া ও এরদোগান এবং তার সহকর্মীদের তড়িৎ পদক্ষেপে অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান শনিবার বলেছেন, তিনি আশা করেন ১৬ এপ্রিলের গণভোটের পর অভিযুক্ত ‘মৃত্যুদণ্ড’ পুনর্বহাল করতে তুরস্কের পার্লামেন্টে অনুমোদন পাবে।

এ সময় এরদোগান ইইউ কর্মকর্তা হ্যানস ও জিওয়ের্জের নাম উল্লেখ করে বলেন, তারা কি বলে সেটা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়। দেশের মানুষ ও আইন কি বলে সেটাই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এর আগেও এরদোগান মৃত্যুদণ্ডকে পুনর্বহাল করার সম্ভাবনা সম্পর্কে ইইউকে সতর্ক করেছিল। তবে শনিবারই তিনি প্রথম স্পষ্টভাবে এটি জানিয়ে দিলেন।

গত বছরের ১৫ জুলাইয়ের ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বীর ও শহীদদের পরিবারের এতে শঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আমার বিশ্বাস, সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা ১৬ তারিখের ভোটের পর আপনাদের দাবি রক্ষার্থে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখতে পার্লামেন্ট অবশ্যই কিছু করবে।

মৃত্যুদণ্ডের ব্যাপারে তুরস্ককে বরাবরই সতর্ক করে আসছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তারা। সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহাল করলে দেশটি ইইউর সদস্যপদ পাবে না বলে হুঁশিয়ার করা হয়েছে। তবে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও তার মন্ত্রীরা বলেছে- ১৫ জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে অভিযুক্ত সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সেদেশের সাধারণ মানুষের দাবি।

এদিকে জার্মানি ও নেদারল্যান্ডে তুরস্কের গণভোটের প্রচারণায় বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে ইউরোপের রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।  এ আইনের ফলে ইইউর সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন হতে পারে।

আরব নিউজ, মিডল ইস্ট আই অবলম্বনে

মন্তব্য

মতামত দিন

ইউরোপ পাতার আরো খবর

‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে যথার্থ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ ব্রিটেন’

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনলন্ডন: রোহিঙ্গা ইস্যুতে ব্রিটেন তার নিজস্ব মানদণ্ড অনুযায়ী যথার্থ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে বলে . . . বিস্তারিত

‘ট্রাম্পের ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনআঙ্কারা: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করায় মধ্যপ্রাচ্ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান, গোলাম রসুল প্লাজা (তৃতীয় তলা), ৪০৪ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com