নির্যাতনে জড়িত শান্তিরক্ষীদের শাস্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

১৪ সেপ্টেম্বর,২০১৮

নির্যাতনে জড়িত শান্তিরক্ষীদের শাস্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
ওয়াশিংটন: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব পাসের চেষ্টা চালালেও তাতে তেমন সাড়া দেয়নি রাশিয়া ও চীন। অন্যদিকে অন্যতম সেনা সরবরাহকারী দেশ বাংলাদেশ মনে করে, বাজেট কমালে প্রভাব পড়বে শান্তিরক্ষায়।

জাতিসংঘে মার্কিন দূত নিকি হ্যালি জানান, যেসব শান্তিরক্ষী বেসামরিক নাগরিকদের ওপর নির্যাতন চালায় এবং তাদের রক্ষায় ব্যর্থ হয়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার পক্ষে তার দেশ। এ লক্ষ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে চাপ দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বেশকিছু যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এসেছে। এছাড়াও সাউথ সুদান এবং সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে মারাত্মক সহিংসতার হাত থেকে বেসামরিক নাগরিকদের রক্ষায় শান্তিরক্ষীরা ব্যর্থ হয়েছেন বলেও অভিযোগ অনেকের।

নিরাপত্তা পরিষদে এ বিষয়ে বিতর্ক চলাকালে নিকি হ্যালি বলেন, ‘এমনকি কিছু ক্ষেত্রে শান্তিরক্ষীদেরই নির্যাতন এবং শোষণে জড়িত থাকার প্রমাণও মিলেছে’।

হ্যালি বলেন ‘শান্তিরক্ষীদের ভূমিকা বাড়াতে’ নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র একটি খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করবে। খসড়া প্রস্তাবে, অসদাচরণে দায়ী শান্তিরক্ষীদের দেশে ফেরত পাঠানো এবং বেতন কাটার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে ১৪টি মিশনে জাতিসংঘের ৯৬ হাজার শান্তিরক্ষী মোতায়েন আছেন। এই বিপুল সংখ্যক শান্তিরক্ষীদের জন্য বার্ষিক ৬৯০ কোটি ডলার খরচ করতে হয় জাতিসংঘকে। এর চার ভাগের এক ভাগ বরাদ্দ চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

রাশিয়া ও চীন অবশ্য এই খসড়া প্রস্তাব নিয়ে তেমন আগ্রহ দেখায়নি। দেশদুটি বলছে, যেসব দেশ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়, তাদের মতামতেরও গুরুত্ব দেয়া উচিত।

রাশিয়ার দূত বাসিলি নেবেনসিয়া বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের ‘মাইক্রো-ম্যানেজমেন্টে’ জড়িয়ে পড়া ঠিক নয় এবং শান্তিরক্ষা মিশনের সুনির্দিষ্ট ও পরিষ্কার রাজনৈতিক ম্যান্ডেট থাকা উচিত।

প্রস্তাব পাসের মাধ্যমে সেনা সরবরাহকারী দেশগুলোকে শাস্তি দেয়ার চেয়ে দেশগুলোকে এ ব্যাপারে রাজনৈতিকভাবে সচেতন করার ব্যাপারে রাশিয়া বেশি আগ্রহী বলেও মন্তব্য নেবেনসিয়ার।

শান্তিরক্ষী মিশনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সেনা সরবরাহকারী দেশ বাংলাদেশ মনে করে পর্যাপ্ত সম্পদ ও জনবল থাকার সাথে মাঠের ফল ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

ফলে দেশটি সতর্ক করে দিয়েছে, ‘পারফরম্যান্সে কথিত ব্যর্থতার অজুহাতে বাজেট ও সেনা কমানোর ফলে রাজনৈতিকভাবে লাভবান হলেও, তাতে শান্তিরক্ষার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে’।

মন্তব্য

মতামত দিন

অন্যান্য পাতার আরো খবর

প্রশান্ত মহাসাগরীয় তিন দ্বীপে সুনামি সতর্কতা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনসিডনি: প্রশান্ত মহাসাগরে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর তিনটি দ্বীপ নিউ ক্যালিডনিয়া, ফিজি ও ভানুয়াতুতে সুন . . . বিস্তারিত

মুসলিমরা বিষাক্ত জেলিবিনের মত: অস্ট্রেলিয়ান সিনেটর

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনসিডনি: বিতর্কিত মন্তব্য করলেন অস্ট্রেলিয়ান সিনেটর ফ্রাসের অ্যানিং। মুসলিমরা নাকি বিষাক্ত জেলি . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com