সার্ফিংয়ের সময় হাঙরকে কেন ঘুষি মারলেন ব্রিটিশ চিকিৎসক

১৪ নভেম্বর,২০১৭

সার্ফিংয়ের সময় হাঙরকে কেন ঘুষি মারলেন ব্রিটিশ চিকিৎসক


আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
সিডনি: অস্ট্রেলিয়ায় সার্ফিং করার সময় এক ব্রিটিশ চিকিৎসকের ওপর আঘাত করে এক হাঙর।

পুলিশের বিবৃতি অনুযায়ী, সোমবার উত্তর সিডনি’র একটি সৈকতে সার্ফিং করছিলেন ২৫ বছর বয়সী চার্লি ফ্রাই এবং সেসময় ‘হাঙরটি পানি থেকে লাফিয়ে উঠে তাঁর ঘাড়ে আঘাত করে’। খবর বিবিসির

আর ফ্রাই বলেছেন পানিতে থাকা সত্ত্বেও হাঙরকে তিনি ঘুষি মেরে বিদায় করেছেন।

চার্লি ফ্রাই জানান, ২০১৫ সালে এক প্রতিযোগিতায় সার্ফার মিক ফ্যানিংয়ের হাঙর প্রতিহত করার ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হন তিনি।

সিডনি’র ‘নাইন নেটওয়ার্ক’ এর টুডে প্রোগ্রামে ফ্রাই বলেছেন, ‘হাঙরটিকে পানি থেকে মাথা বের করতে দেখে তার মুখে বাম হাতে আঘাত করি আমি।’

তিনি বলেন, ‘ঘটনার সময় আমি নিজেকে বলছিলাম -মিক যা করেছে ঠিক তাই করো, হাঙরটির নাকে আঘাত করো’।

পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী হাঙরটির দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ২মিটার (৬.৫ ফুট)।

ফ্রাইয়ের বর্ণনায় এটি ছিল তার ডানদিকে ভারী কিছুর আঘাত যাতে তিনি সাময়িকভাবে অন্ধপ্রায় হয়ে যান।

এই ঘটনায় চার্লি ফ্রাই ডান হাতে সামান্য আঘাত পান। স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয় তার।

‘অস্ট্রেলিয়ান শার্ক অ্যাটাক ফাইল’ এর তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরে অস্ট্রেলিয়ায় হাঙর আক্রমণের ১৮টি ঘটনা ঘটেছে।

অস্ট্রেলিয়ায় এমপি’র পদত্যাগ, সঙ্কটে সরকার
অস্ট্রেলিয়ায় শনিবার ক্ষমতাসীন দলের আরো এক এমপি পদত্যাগ করেছেন। ফলে পার্লামেন্টের ওপর প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুলের আর প্রাধান্য থাকছে না। পার্লামেন্টে তার দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। খবর এএফপি’র।

দ্বৈত নাগরিকত্বকে কেন্দ্র করে সাংবিধানিক সঙ্কটের সর্বশেষ শিকার জন আলেক্সান্ডার একজন সাবেক টেনিস তারকা। দ্বৈত নাগরিকত্ব দেশটির সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় একে কেন্দ্র করে আরো কয়েকজনকেও পদত্যাগ করতে হয়েছে।

এদিকে আলেক্সান্ডারের পদত্যাগের ফলে টার্নবুলের দল পার্লামেন্টে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার উচ্চ আদালত গত ২৭ অক্টোবর এ মর্মে রুল জারি করে, দেশটির সংবিধান অনুযায়ী পার্লামেন্টের উচ্চ অথবা নিন্ম কক্ষের অপর পাঁচ সদস্য ওই পদে থাকার অযোগ্য।

এদের মধ্যে উপ-প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন জোটের শরীক দল ন্যাশনাল পার্টির নেতা বার্নাবেই জোয়েস রয়েছেন।

আলেক্সান্ডার সিডনিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আদালতের রুলটি তার অবস্থা জানতে তাকে বাধ্য করছে। যদিও ব্রিটিশ অভিবাসীর সন্তান হিসেবে স্বাভাবিক নিয়মে দ্বৈত নাগরিক হওয়ার বিভ্রান্তি অনেক আগেই দূর হয়ে গেছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, তিনি একজন অস্ট্রেলিয়ান এবং কেবলই অস্ট্রেলিয়ান।

উল্লেখ্য, আলেক্সান্ডার অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৯৭০ ও ৮০’র দশকে পেশাদার টেনিস খেলেন। এক পর্যায়ে তিনি বিশ্বের ৮ নম্বর স্থান অধিকার করেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে ডেভিস কাপে যোগ দেন এবং ফেড কাপে অস্ট্রেলিয়ান দলের অধিনায়কত্ব করেন।

মন্তব্য

মতামত দিন

অন্যান্য পাতার আরো খবর

অস্ট্রেলিয়ায় এমপি’র পদত্যাগ, সঙ্কটে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনসিডনি: অস্ট্রেলিয়ায় শনিবার ক্ষমতাসীন দলের আরো এক এমপি পদত্যাগ করেছেন। ফলে পার্লামেন্টের ওপর প্র . . . বিস্তারিত

কয়েক কোটি ডলারের ব্রডব্যান্ড তার খেয়ে ফেলেছে কাকাতুয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনক্যানবেরা: কাকাতুয়ার কারণে অস্ট্রেলিয়ার কয়েক কোটি ডলারের ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক হুমকির মধ্যে . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান, গোলাম রসুল প্লাজা (তৃতীয় তলা), ৪০৪ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com