সর্বশেষ সংবাদ: |
  • গাড়িবহরে হামলার বিষয়ে ড. কামালের সংবাদ সম্মেলন শুক্রবার বিকালে
  • তৃতীয় বেঞ্চে আজ শুনানি হতে পারে খালেদা জিয়ার রিট
  • নির্বাচনী সহিংসতা ‘তৃতীয় শক্তির পাঁয়তারা’ কি না খতিয়ে দেখতে গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ সিইসির

হামলার পর সিরিয়া নীতি নিয়ে বিভ্রান্তি

১৬ এপ্রিল,২০১৮

হামলার পর সিরিয়া নীতি নিয়ে বিভ্রান্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
দামেস্ক: শনিবারের হামলার পর সিরিয়া সংক্রান্ত নীতি নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপের মধ্যে বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। অন্যদিকে রাশিয়া, সিরিয়া ও ইরান এই হামলার তীব্র সমালোচনা করে পশ্চিমা বিশ্বকে সতর্ক করে দিয়েছে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সারা স্যান্ডার্স বলেছেন, শনিবারের হামলা সত্ত্বেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়া থেকে মার্কিন সৈন্যদের যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফেরাতে বদ্ধপরিকর।

তবে তথাকথিত ইসলামিক স্টেট সংগঠনকে পুরোপুরি দমন করে তাদের প্রত্যাবর্তনের আশঙ্কা দূর করতে চায় ওয়াশিংটন। তাছাড়া আমেরিকা চায়, আঞ্চলিক সহযোগী দেশগুলি সেই অঞ্চলে নিরাপত্তার খাতিরে আরো সামরিক ও আর্থিক দায়দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিক।

জাতিসংঘে মার্কিন দূত নিকি হ্যালি রাশিয়ার উপর আরো মার্কিন নিষেধাজ্ঞা চাপানোর আভাস দিয়েছেন। বিশেষ করে যেসব রুশ কোম্পানি আসাদ প্রশাসনকে রাসায়নিক হামলার সাজসরঞ্জাম সরবরাহ করছে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে, বলেন তিনি। সোমবারই সেইসব নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হবে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ রবিবার এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি ট্রাম্পকে সিরিয়ায় মার্কিন সৈন্য আপাতত মোতায়েন রাখার গুরুত্ব বোঝাতে পেরেছেন। তাছাড়া শনিবারের হামলা শুধু রাসায়নিক হামলার সঙ্গে সম্পর্কিত এলাকায় সীমিত রাখতেও পেরেছেন তিনি।

মাক্রোঁ বলেন, সিরিয়া সংকটের সার্বিক সমাধানের লক্ষ্যে ফ্রান্স জাতিসংঘে এক প্রস্তাব পেশ করতে চলেছে। সোমবারই কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরু হবে।

রাশিয়ার সঙ্গে বর্তমান উত্তেজনা সত্ত্বেও সে দেশের সঙ্গেও সিরিয়ার বিষয়ে সংলাপ চালানো হবে। শনিবারের হামলা সম্পর্কে তিনি বলেন, বাশার আল আসাদ প্রশাসনের বিরুদ্ধে মোটেই কোনো যুদ্ধ শুরু হয়নি। নিরীহ মানুষের উপর রাসায়নিক অস্ত্র হামলার শাস্তি দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০১৩ সালে জাতিসংঘের এক প্রস্তাব অনুযায়ী সিরিয়া তার রাসায়নিক অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস করার অঙ্গীকার করেও কার্যত তা মনেনি। সে ক্ষেত্রে জাতিসংঘের সম্মতি ছাড়াও সিরিয়ার উপর হামলা বৈধ বলে তিনি মনে করেন।

সিরিয়ায় শনিবার আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের হামলার পর রাশিয়ার সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্বের উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে। সিরিয়ার সরকার ও রাশিয়া এখনো ৭ এপ্রিল রাসায়নিক হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে চলেছে।

তারা শনিবারের হামলার তীব্র সমালোচনা করেছে এবং বলেছে, দুই দেশ শুধু সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নয়, আন্তর্জাতিক আইনের পক্ষেও লড়াই করে চলেছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রোহানির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। ‘বেআইনি’ এই হামলার ফলে সিরিয়া সংকট সমাধানের সম্ভাবনা আরও কঠিন হয়ে উঠছে বলে দুই দেশ মনে করে।

এদিকে ইউরোপে সিরিয়া নীতি নিয়ে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সোমবার ইইউ পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বিভাজন কাটিয়ে ঐক্য আনার উদ্যোগ নিচ্ছেন। জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল শনিবারের হামলার প্রতি সমর্থন জানালেও সার্বিকভাবে ইইউ দেশগুলি ইউরোপের দোরগোড়ায় উত্তেজনা সীমিত রাখার পক্ষে। তাছাড়া রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের আরও অবনতি নিয়েও দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

সূত্র: ডয়চে ভেলে

মন্তব্য

মতামত দিন

মধ্যপ্রাচ্য পাতার আরো খবর

প্রতিরক্ষা শক্তি নিয়ে কারো সঙ্গে আলোচনা করে না ইরান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনতেহরান: ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ বলেছেন, আমাদের প্রতির . . . বিস্তারিত

মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ হিসেবে ‘ওপেক’ ত্যাগের ঘোষণা দিল কাতার

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনদোহা: ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দি . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com