ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে জেরুজালেম অভিমুখে সুইডিশ নাগরিকের পদযাত্রা

১৬ এপ্রিল,২০১৮

ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে জেরুজালেম অভিমুখে সুইডিশ নাগরিকের পদযাত্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
জেরুজালেম: দখলদার ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইউরোপ থেকে ফিলিস্তিনের দিকে দীর্ঘ পদযাত্রা শুরু করেছেন ২৫ বছর বয়সী এক সুইডিশ মানবাধিকারকর্মী।

রবিবার ইতিমধ্যে তিনি তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ডুজস প্রদেশে এসে পৌঁছেছেন। আনাদলুর সংবাদ।

বেঞ্জামিন লাডরা নামের এ সুইডিশ নাগরিক পায়ে হেঁটে জার্মানি, অস্ট্রিয়া, স্লোভেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং বুলগেরিয়া পাড়ি দিয়ে গত সপ্তাহে তুরস্কের শহর ইস্তাম্বুলে পৌঁছেন।

তুরস্ক থেকে সিরিয়া ও লেবানন হয়ে তিনি ফিলিস্তিনে প্রবেশ করবেন বলে জানান তিনি। বেঞ্জামিন জানান, শেষমুহূর্তে যদি ফিলিস্তিনে প্রবেশ করতে তিনি সক্ষম না হন তাহলে গণমাধ্যমে তিনি বিষয়টি প্রকাশ করবেন।

গত বছর তিন সপ্তাহের এক সফরে তিনি ফিলিস্তিন যান। সেখানে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি সৈন্যদের অন্যায় আচরণ ও নির্যাতন দেখে তিনি দেশে ফিরে সিদ্ধান্ত নেন যে, ফিলিস্তিনে মানবাধিকার লংঘনের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করবেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে কোনভাবে ধর্মীয় কারণ জড়িত নয়। এখানে মানবাধিকারের বিষয়টিই বড় ইস্যু। এখানকার প্রত্যেক নাগরিকই মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছে। পৃথিবীবাসীর কাছে এখানকার পরিস্থিতি পৌঁছে দিতেই আমি এ পদযাত্রা শুরু করেছি।

বেঞ্জামিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইন্সটগ্রামে 'ওয়াক টু প্যালেস্টাইন' হ্যাশট্যাগ দিয়ে তার পদযাত্রার ছবি প্রকাশ করছেন। ছবিতে ওঠে আসে ইউরোপ থেকে পুরো যাত্রায় পাড়ি দেয়া বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের মধ্যে ফিলিস্তিন ও এর নির্যাতিত মানুষের পক্ষে প্রচারণা চালানোর মুহূর্ত।

আরও পড়ুন.....
ফিলিস্তিনিদের সংগ্রাম ও অধিকারের প্রতি সমর্থন জানালো কাতার
ফিলিস্তিনের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আলে সানির সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেছেন ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ইসমাইল হানিয়া।

এ সময় ফিলিস্তিনিদের সংগ্রাম ও অধিকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন দিয়েছেন কাতারের আমির।

ইসমাইল হানিয়া বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের নিপীড়নমূলক নীতির পরও ফিলিস্তিনিরা নিজ ভূখণ্ডে ফেরার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

শুক্রবার ফিলিস্তিনি ভূমি দিবসে অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে গাজা সীমান্তে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয় এবং তার প্রতি হামাসের সমর্থন ছিল।

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেয়া নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর ইহুদিবাদী ইসরাইলি সেনাদের বর্বর হামলার বিষয়টি তুলে ধরেন হামাস নেতা হানিয়া।

কাতারের আমির বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের প্রতি তার দেশের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। তিনি ফিলিস্তিনি জনগণ বিশেষ করে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার অধিবাসীদের প্রতি তার সহানুভূতির কথা তুলে ধরেন।
এর আগে, গত শুক্রবার কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতির মাধ্যমে ইহুদিবাদী ইসরাইলের হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানান।

শুক্রবার ফিলিস্তিনের ভূমি দিবস উপলক্ষে গাজা সীমান্তে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে ইহুদিবাদী ইসরাইলের সেনারা গুলি চালালে কমপক্ষে ১৮জন নিরস্ত্র ফিলিস্তিনি নিহত হন। এ নিয়ে সারা বিশ্বে নানামুখী আলোচনা চলছে।

মন্তব্য

মতামত দিন

মধ্যপ্রাচ্য পাতার আরো খবর

সন্ত্রাসী হামলায় ইরানের ১১ সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনতেহরান: ইরাক সীমান্তের একটি সামরিক চেকপয়েন্টে হামলা এবং একই সময়ে একটি গোলাবারুদের গুদামে বিস্ফো . . . বিস্তারিত

ইসরাইলকে ইহুদি রাষ্ট্র ঘোষণার প্রতিক্রিয়া কী হবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনজেরুজালেম: ইসরাইলকে ‘প্রধানত: ইহুদি রাষ্ট্র’ বলে চিত্রিত করে সেদেশের পার্লামেন্টে এ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com