গাজার সবচেয়ে গভীর ও দীর্ঘ সুড়ঙ্গটি ধ্বংস করে দিয়েছে ইসরাইল

১৬ এপ্রিল,২০১৮

গাজার সবচেয়ে গভীর ও দীর্ঘ সুড়ঙ্গটি ধ্বংস করে দিয়েছে ইসরাইল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
জেরুজালেম: গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের সীমান্ত ছাড়িয়ে যাওয়া একটি গোপন সুড়ঙ্গ ধ্বংস করেছে দিয়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী এই সুড়ঙ্গটি নির্মাণ করেছে দাবি তাদের।

এ বিষয়ে ইসরাইলের প্রতিরক্ষমন্ত্রী এভিগদর লিবারম্যান জানান, এটি এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সুড়ঙ্গগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গভীর ও দীর্ঘ।

ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জোনাথন কনরিকাস জানান, ২০১৪ সালের গাজা যুদ্ধের সময় সুড়ঙ্গটি খোঁড়া হয়। কেননা ওই যুদ্ধের সময় সময় তারা হামলার আশঙ্কায় ৩০টিরও বেশি সুড়ঙ্গ ধ্বংস করে দিয়েছিলো। কেউ যেন আর কোন টানেল নির্মাণ করতে না পারে সেজন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেন এই সেনা কমান্ডার।

তার দাবি, ফিলিস্তিনের সশস্ত্র বাহিনী হামাস হামলার উদ্দেশ্যে এই সুড়ঙ্গটি খুড়েছে। সুড়ঙ্গটি গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলীয় জাবালিয়া অঞ্চল থেকে শুরু হয়ে ইসরাইলি নাহাল ওজি শহরের কয়েক মিটার পর্যন্ত প্রবেশ করেছে বলে জানান তিনি। তবে টানেলটির বের হওয়ার কোন পথ নির্মাণ করা হয়নি। হামলার সুবিধার্থে এই সুড়ঙ্গটির সঙ্গে আরেকটি সুড়ঙ্গ জোড়া দেয়া ছিলো বলেও জানান এই ইসরাইলি সেনা।

গত সপ্তাহেই ইসরাইলি বাহিনী সুড়ঙ্গটির ভেতর বিভিন্ন বস্তু ঠেসে দেয় যেন দীর্ঘদিন এটি কেউ ব‍্যবহার করতে না পারে। গাজায় চলতি মাসে এ নিয়ে ৫টি সুড়ঙ্গ ধ্বংস করা হলো। এরমধ্যে কয়েকটি সুড়ঙ্গ ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক জিহাদ এবং বাকিগুলো গাজা নিয়ন্ত্রণকারী হামাসের তৈরি বলে দাবি করেন ইসরাইলি সেনা মুখপাত্র জোনাথন।

গাজা উপত্যকায় গোপন সুড়ঙ্গের শনাক্তে গত বছর থেকে বিশেষ উপকরণ নিয়ে মাঠে নেমেছিলো ইসরাইল। এবার তারা নতুন সুড়ঙ্গ নির্মাণ প্রতিরোধে শুধু মাটির ওপরে নয় বরং সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোয় মাটির নীচেও হাইটেক সীমান্ত বেষ্টনি স্থাপন করতে শুরু করেছে।

আরো পড়ুন...
পশ্চিমতীরের একটি মসজিদে ইসরাইলি সেটেলারদের অগ্নিসংযোগ
পূর্ব জেরুজালেম: ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীদের দেয়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ফিলিস্তিনের পশ্চিমতীরের একটি মসজিদ।

নেবুলাসের আকরাবা গ্রামে শুক্রবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদভিত্তিক ব্রিটিশ ওয়েবসাইট মিডল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা যায়।

স্থানীয় মানবাধিকারকর্মী ইউসেফ দেরিয়া বলেন, সিসিটিভির ফুটেজে তারা দেখেন দুজন মুখোশধারী স্থানীয় সময় রাত দুইটায় শেখ সাদে মসজিদে গিয়ে আগুন লাগায়।

আগুনের পরে দেখায় যায় কালো ধোঁয়া উড়ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মূল দরজা। স্প্রে দিয়ে লেখা হয়েছে ‘ডেথ’।

এই হামলায় কোনও হতাহাতের ঘটনা ঘটেনি। এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। তিনি দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে

মন্তব্য

মতামত দিন

মধ্যপ্রাচ্য পাতার আরো খবর

সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে ইয়েমেনের ড্রোন হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনরিয়াদ: সৌদি আরবের আরামকো তেল শোধনাগারে ইয়েমেন নতুন করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইয়েমেনের জনপ্রিয় হ . . . বিস্তারিত

গাজা সিটি দখলে নেয়ার হুমকি দখলদার ইসরাইলের

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনতেল আবিব: ইসরাইলি ভূখণ্ডে জ্বলন্ত ঘুড়ি হামলা চালানো বন্ধ করতে গাজার নিয়ন্ত্রণকারী হামাসকে শুক্র . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com