ব্রেকিং সংবাদ: |
  • পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ারকে তারেক রহমানের লিগ্যাল নোটিশ
  • ‘তারেক বর্তমানে বাংলাদেশের নাগরিক নন’
  • কাবুলে ভোটার নিবন্ধনকেন্দ্রে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩
  • ২৫ বছরের যুদ্ধে সোয়া কোটি মুসলিম নিহত, যা একটি বিশ্বযুদ্ধের সমান ক্ষয়ক্ষতি
  • খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সপ্তাহব্যাপী বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
  • ত্রিভুবন বিমানবন্দরের গাফিলতিই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী: ইউএস-বাংলা
  • যে শর্তে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে বিএনপিকে ছাড় দিল জামায়াত

রাসায়নিক স্থাপনার নামে ক্যান্সার গবেষণাগার ধ্বংস করেছে আমেরিকা

১৫ এপ্রিল,২০১৮

রাসায়নিক স্থাপনার নামে ক্যান্সার গবেষণাগার ধ্বংস করেছে আমেরিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
দামেস্ক: সিরিয়ায় রাসায়নিক স্থাপনা ধ্বংসের নামে আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্স একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ক্যান্সারের ওষুধ তৈরি করা হতো।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বলেছে, শনিবার হামলা শুরুর প্রথম দিকেই দামেস্কের বারজাহ এলাকায় একটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রসহ তিনটি রাসায়নিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। কিন্তু তারা যেসব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে তার মধ্যে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা ইনস্টিটিউট রয়েছে যা ক্যান্সার চিকিৎসার ওষুধ তৈরি করত।

পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে সিরিয়ায় ক্যান্সার ও জটিল কিছু রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ওষুধের মারাত্মক অভাব দেখা দিয়েছে। বারজাহ এলাকার ওই প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল দি ইনস্টিটিউশন ফর দ্যা ডেভলপমেন্ট অব ফারমাসিউটিক্যাল অ্যান্ড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ।

ইনস্টিউটের প্রধান সাঈদ সাঈদ বলেন, এটা একসময় রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করত কিন্তু এখন সেটা ওষুধ তৈরির প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছিল। তিনি বলেন, “সিরিয়া সংকট শুরুর পর পশ্চিমা নিধোজ্ঞা আরোপের কারণে দেশে সবধরনের ওষুধের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বিদেশি কোম্পানিগুলো সিরিয়ার কাছে উঁচু ক্ষমতাসম্পন্ন ওষুধ বিশেষ করে ক্যান্সার চিকিৎসার ওষুধ বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে আমরা ক্যান্সার চিকিৎসার ওষুধ তৈরির জন্য এই প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করে আসছিলাম এবং আমরা তিনটি ওষুধ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি।”

সাঈদ বলেন, আমেরিকার দাবি অনুসারে যদি এই প্রতিষ্ঠানে রাসায়নিক অস্ত্র থাকতো তাহলে হামলার পর তিনি এই প্রতিষ্ঠানে থাকতেন না। সাঈদ জানান, হামলার পর তিনি ভোর ৫টায় গবেষণাকেন্দ্র এসেছেন। কিন্তু যদি রাসায়নিক অস্ত্র থাকতো তাহলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর তিনি ও তার সহকর্মীরা সেখানে যেতেন না এবং অবশ্য মুখোশ পরার প্রয়োজন হতো।

মন্তব্য

মতামত দিন

মধ্যপ্রাচ্য পাতার আরো খবর

‘যুক্তরাষ্ট্র বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ দিচ্ছে গেরিলাদের, এটি তুরস্কের নিরাপত্তার জন্য হুমকি’

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনআঙ্কারা: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা বিনামূল . . . বিস্তারিত

সৌদি আরবে অভ্যুত্থানের চেষ্টা, রাজপ্রাসাদের বাইরে প্রচণ্ড গোলাগুলি!

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনরিয়াদ: সৌদি আরবের বাদশাহ সালমানের বাসস্থান রয়্যাল প্যালেসের বাইরে প্রচণ্ড গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com