মায়ানমারে অস্ত্র বিক্রি, ইসরাইলি সাংবাদিকের আত্মপক্ষ সমর্থন

০৬ ডিসেম্বর,২০১৭

মায়ানমারে অস্ত্র বিক্রি, ইসরাইলি সাংবাদিকের আত্মপক্ষ সমর্থন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
তেল আবিব: ইসরাইলে নিযুক্ত মায়ানমার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী সাংবাদিক আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেছেন যে নাইপেদোর কাছে তেল আবিব অস্ত্র বিক্রি করছে বলে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে সেটাই সঠিক। সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত মং মং লিন মায়ানমারের কাছে ইসরাইলের অস্ত্র বিক্রির কথা স্বীকার করেন। ওই সাক্ষাৎকার প্রকাশের পরপরই দুই দেশ এমন কোনো বিক্রির কথা অস্বীকার করে সাক্ষাৎকারে ভুল তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে বলে দাবি করে। কিন্তু এই চাপের মুখেও ওই ইসরাইলি সাংবাদিক তার প্রকাশিত তথ্যের সত্যতা প্রশ্নে অনঢ় রয়েছেন।

৩০ নভেম্বর গালাজ রেডিও’র উপস্থাপক ও সাংবাদিক ইয়ারা অগমি হোউরি রাষ্ট্রদূত মং লিনের সাক্ষাৎকার নেন। রাখাইন অভিযানে মায়ানমার সেনাবাহিনী ইসরাইলের তৈরি অস্ত্র ব্যবহার করছে এমন অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করেন তিনি। জবাবে মং লিন বলেন, ২০১৬ সালে তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর মায়নামার ও ইসরাইলের মধ্যে কমপক্ষে একটি অস্ত্র চুক্তি হয়েছে।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমার জানা মতে আমি দায়িত্ব নেয়ার পরে একটি নতুন চুক্তি হয়েছে। আপনার দেশ (ইসরাইল) থেকে সম্ভবত মায়ানমার অস্ত্র কিনেছে। তবে সেগুলো রাখাইনে ব্যবহার করা হয়নি। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসারে এটি শুধুমাত্র দেশের সেনাবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধির সাধারণ প্রক্রিয়া।’

সাক্ষাৎকার প্রচার হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে ইসরাইলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায় যে রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্য প্রত্যাহার করেছেন এবং ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, মায়ানমারের কাছে ইসরাইল অস্ত্র বিক্রি করে না। এই বিবৃতিটি পরে গালাজ রেডিওতে মূল সাক্ষাৎকারের সাথে প্রকাশ করা হয়।

মায়ানমার দুতাবাস থেকে বলা হয় যে রিপোর্টে অগমি হোউরি এবং তার সহ-উপস্থাপক রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেছেন এবং রেকর্ডকৃত সাক্ষাৎকারের কেবলমাত্র অংশবিশেষ প্রচার করেছেন।

দূতাবাস গালাজ রেডিও’র কাছে দাবি জানায় যেন ‘ভুলের জন্য প্রয়োজনীয় সংশোধনীর প্রচার এবং রাষ্ট্রদূতের উত্তর সম্পূর্ণ উল্টোভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে স্বীকার করে নেয়া হয়।

অগমি দূতাবাসের দাবি প্রত্যাখ্যান করেন।

এর আগে ১৬ নভেম্বর ইসরাইলি সাংবাদিক ইয়াকভ অহমির রাষ্ট্রদূতকে জিজ্ঞেস করেন, ইসরাইলের কাছ থেকে মায়ানমারের এত অস্ত্র কেন কেনার প্রয়োজন হলো। জবাবে মায়ানমার রাষ্ট্রদূত বলেন: প্রত্যেক দেশের তার সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা করার প্রয়োজন। আমাদের একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী দরকার এবং তা স্বাভাবিক। অস্ত্র শিল্পে ইসরাইলের দক্ষতা আছে, তাই আমাদের কাছে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব করি।

মন্তব্য

মতামত দিন

মধ্যপ্রাচ্য পাতার আরো খবর

হামাসের যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় ইসরাইলের ‘না’

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনগাজা: ইসরাইলের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী হামাস। গ . . . বিস্তারিত

আফগান যুদ্ধ অবসানে সমন্বিত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান ইসলামি নেতাদের

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনরিয়াদ: সৌদিতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বের নেতৃস্থানীয় ইসলামি পণ্ডিতদের একটি সম্মেলন থেকে আফগানিস্তানে চলম . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com