তুরস্কের পর দ. আফ্রিকাও ইসরাইল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো

১৫ মে,২০১৮

তুরস্কের পর দ. আফ্রিকাও ইসরাইল থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
গাজা: মার্কিন দূতাবাস তেল আবিব থেকে জেরুজালেম স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের ওপর ইসরাইলের গণহত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। একই সঙ্গে দেশটি ইসরাইলে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে।

সোমবার দক্ষিণ আফ্রিকার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরাইলের এই সর্বশেষ হামলায় বিপুল ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত ও আহত হয়েছেন এবং সম্পত্তির ধ্বংস হয়েছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ইসরাইলি এই হামলার ব্যপ্তি ও শক্তির ভারসাম্যের কথা বিবেচনা করে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার ইসরাইলে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই মুহূর্ত থেকে পরবর্তী ঘোষণা দেওয়ার আগ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

দক্ষিণ আফ্রিকা জানায়, আগেও যেমন আমরা বলেছি গাজা উপত্যকা থেকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে প্রত্যাহার করতে হবে এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সহিংসতা ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে হবে। ইসরাইলি বাহিনীর নিয়মিত পদক্ষেপ সংকটের স্থায়ী সমাধানের অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

বিবৃতিতে এই হত্যাযজ্ঞের একটি স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের শাস্তি দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতিবাদে সোমবার সীমান্ত এলাকার ওই বিক্ষোভে অংশ নেন লাখো মুক্তিকামী ফিলিস্তিনি। তাদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ৫৮ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরাইলি সৈন্যরা।

এদিকে, গাজা সীমান্তে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর বর্বর হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত তুর্কি রাষ্ট্রদূতদের প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে আঙ্কারাও। এছাড়াও, ৫৮ ফিলিস্তিনি হত্যার নিন্দা জানিয়ে দেশটি তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে।

সোমবার তুর্কি উপ-প্রধানমন্ত্রী বেকির বোজদাগ এসব তথ্য জানান।

এদিকে, মার্কিন দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তরেরকে প্রতিবাদে আঙ্কারায় হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেছে। এই বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় তুরস্ক।

তুর্কি বিক্ষোভকারীরা এসময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পতাকা পুড়িয়ে দিয়ে এবং ইসরাইল-গাজা সীমান্তে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদ করেন।

বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন প্রতিবাদী ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড বহন করেন। এসব ব্যানারে লেখা ছিল: ‘আল কুদুস মুসলমানদের’। তারা পবিত্র যুদ্ধ এবং শহীদ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্লোগান দেয়।

একজন প্রতিবাদকারী আমেরিকানদের ‘কুকুর’ বলে সম্বোধন করে বলেন, ‘জেরুজালেম আমাদের, এটা আমাদের হবে।’ সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর, আল জাজিরা

মন্তব্য

মতামত দিন

আফ্রিকা পাতার আরো খবর

গানার অবৈধ খনি চকলেটের দাম বাড়িয়ে দেবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনআক্রা: গানার বিস্তীর্ণ অঞ্চল-জুড়ে কোন গাছ নেই। এই স্থানে এক সময় ছিল কোকো গাছ। বলতে গেলে বনের . . . বিস্তারিত

কেনিয়ায় গ্রামরক্ষা বাঁধ ভেঙে ৪৪ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএননাইরোবি: পূর্ব অাফ্রিকার দেশ কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি থেকে ১৫০ কিলোমিটার উত্তরে রিফট ভ্যালি এলাক . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com