ব্রেকিং সংবাদ: |
  • সিনহার ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেন, নিরঞ্জন ও শাহজাহানকে দুদকে তলব
  • জিজ্ঞাসাবাদের পর ছাড়া পেলেন বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী
  • টরেন্টোর হামলাকারী সম্পর্কে সর্বশেষ যা জানা যাচ্ছে
  • তাবিথ আউয়াল ও আব্দুল হাই বাচ্চুকে দুদকে তলব
  • হঠাৎ কেঁপে উঠলো সিলেট, ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প
  • টরোন্টোয় গাড়িচাপায় প্রাণ গেল ১০ পথচারীর, ট্রুডোর সান্ত্বনা
  • বিজেপির শীর্ষ নেতাদের বক্তব্যে ঢাকার রাজনীতিতে তোলপাড়
  • খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করতে গেছেন স্বজনরা
  • কাবুলে ভোটার নিবন্ধনকেন্দ্রে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩
  • ২৫ বছরের যুদ্ধে সোয়া কোটি মুসলিম নিহত, যা একটি বিশ্বযুদ্ধের সমান ক্ষয়ক্ষতি
  • খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সপ্তাহব্যাপী বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
  • ত্রিভুবন বিমানবন্দরের গাফিলতিই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী: ইউএস-বাংলা
  • যে শর্তে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে বিএনপিকে ছাড় দিল জামায়াত

যুবসমাজের চাকরির জন্য সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকার প্রয়োজন নেই: সজীব ওয়াজেদ জয়

১৫ এপ্রিল,২০১৮

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন,যুবসমাজের চাকরির জন্য সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। আইটি সেক্টর তাদের দেবে অবারিত সুযোগ।

রবিবার দুপুরে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বিপিও সামিট ২০১৮ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) যৌথ উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী এ সামিট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

দেশি-বিদেশি তথ্য-প্রযুক্তিবিদ, সরকারের নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং বিপিও খাতের সঙ্গে জড়িতরা এতে অংশ নিয়েছেন।

এবারের আয়োজনে দেশের আউটসোর্সিং খাতকে আরো কীভাবে ভালো করা যায় সে বিষয়ে বিশ্বকে জানানো হবে এবং সরকারের রূপকল্প- ২০২১ বাস্তবায়নে বিপিও খাতের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হবে।

আরো পড়ুন...
তথ্যসেবার জন্য হেলপ লাইন উদ্বোধন করলেন সজীব ওয়াজেদ জয়
সরকারি বিভিন্ন তথ্য সেবা, কর্মকর্তাদের তথ্য, বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার প্রতিকার এবং পর্যটন ও জেলা সম্পর্কিত যেকোন তথ্য যে কোন সময় সকল নাগরিকদের পৌঁছে দিতে চালু হল কল সেন্টার ৩৩৩।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয় প্রধান অতিথি হিসেবে এই কল সেন্টার (৩৩৩) সেবার উদ্বোধন করেন। বৃহস্পতিবার প্রধামন্ত্রীর কার্যালয়ের করবি হলে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়। খবর বাসস

এতে গেস্ট অব অনার ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এন এম জিয়াউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব সাজ্জাদুল হাসান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয় বলেন, আমাদের নির্বাচনী ওয়াদা ও স্বপ্ন ছিল ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বো। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রথম দায়িত্ব নেয় এটুআই। এটুআই-এর সফলতার ফলে আমরা একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ উপহার দিতে পেরেছি।

তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারি সেবা যাতে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষজনও পেতে পারে। তার জন্যই আমরা ইউনিয়ন পর্যায়ে ডিজিটাল সেন্টার গড়ে তুলেছি, থ্রী-জি এবং ফোর-জি চালু করেছি। দেশের মানুষকে আর সেবার জন্য সরকারি অফিসে দৌঁড়াতে হবে না। সেবাই তাদের হাতের মুঠোয় চলে যাবে। এখন আমাদের টার্গেট হলো ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে রূপান্তর করার। আশা করছি তার আগেই আমরা সেই লক্ষ্য অর্জন করতে পারবো। আওয়ামী লীগকে আপনারা যতদিন ভোট দিয়ে ক্ষমতায় রাখবেন এভাবেই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত রাখা হবে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমরা ২০০৮ সালে যেই স্বপ্ন দেখেছি সে সময় তা ছিল একটা অবিশ্বাস্য স্বপ্ন। কৃষিভিত্তিক একটি দেশকে এভাবে এতো দ্রুত এগিয়ে নেয়া সত্যিই অনেক কঠিন ছিল। ৩৩৩-এর মাধ্যমে তথ্য ও সেবা কার্যক্রম এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে।

‘সরকারি তথ্য ও সেবা সবসময়’ এমন স্লোগানকে সামনে নিয়ে চালু হলো কল সেন্টার ৩৩৩। দেশের সকল নাগরিক ৩৩৩ এবং প্রবাসীগণ ০৯৬৬৬৭৮৯৩৩৩ নম্বরে কল করে সরকারী সেবা প্রাপ্তির পদ্ধতি, জনপ্রতিনিধি ও সরকারী কর্মচারীদের সাথে যোগাযোগের তথ্য, বিভিন্ন এলাকার পর্যটনের স্থানসমূহ এবং বিভিন্ন জেলা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন। এ ছাড়াও কল সেন্টারের মাধ্যমে নাগরিকগণ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সম্পর্কে প্রতিকারের জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে তথ্য প্রদান ও অভিযোগ দাখিল করতে পারবেন।

এছাড়াও দুর্যোগকালীন সময়ে সাহায্যের জন্য জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন করতে পারবেন। কল সেন্টারটি ২৪ ঘন্টা সেবা প্রদান করবে। প্রাথমিকভাবে এটুআই প্রোগ্রাম কর্তৃক ৬৪টি জেলায় এই কল সেন্টার সেবা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছিল। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের আওতায় এই কল সেন্টারের মাধ্যমে ২০১৮ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখের অধিক নাগরিককে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সেবা প্রদান করেছে। এ ছাড়াও প্রায় ৪ হাজারের অধিক বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য অভিযোগগুলোর মধ্যে ৫৪১টি খাদ্যে ভেজাল, ৪৩১টি বাল্যবিবাহ এবং ৩৯১টি মাদকদ্রব্য বিক্রি সংক্রান্ত অভিযোগের ব্যাপারে জেলা প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়েছে।

আরো পড়ুন...
জেলখানাই তাদের ঠিকানা: সজীব ওয়াজেদ জয়
বহুল আলোচিত জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রায়ের পর এক ফেসবুক প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীপুত্র ও তার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, জেলখানাই তাদের ঠিকানা।

বৃহস্পতিবার ঢাকার আদালতে রায়ের পর ফেসবুকে কারো নাম উল্লেখ না করে তিনি লিখেছেন- ‘যারা নিরপরাধ মানুষকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার নির্দেশ দিতে পারে তারা মানুষ নয়, তারা পশু। জেলখানাই তাদের ঠিকানা।’

বৃহস্পতিবার পুরনো ঢাকার বখশিবাজারে কারা অধিদপ্তরের মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ৫ বছর কারাদণ্ড দেন। তার ছেলে তারেকসহ অন্য ৫ আসামিকে ১০ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড করা হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে তিনি গুলশানের নিজ বাসভবন ‘ফিরোজা’ থেকে আদালতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। এরই মধ্যে রায়কে ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। আদালতে যাওয়ার পথে রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে পুলিশের সঙ্গে তার দলের কর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ ১০-১২ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এরপর কাকরাইল মোড়ে পুলিশ বক্সে ভাঙচুর করে বিএনপি কর্মীরা। সেখান থেকে আটক করা হয়েছে অনেককে।

এর আগে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে মগবাজার এলাকায় এলে শত শত নেতাকর্মী সেখানে যুক্ত হন। এ সময় রাস্তার পাশেও অনেকে দাঁড়িয়ে ছিলেন। নেতাকর্মীরা মোটর সাইকেলের বহর নিয়ে সেখানে যুক্ত হন। তারা খালেদা জিয়ার নামে স্লোগান দিয়ে এগোতে থাকেন।

এই মামলার প্রধান আসামি বিএনপির চেয়ারপারসন এবং তিনতিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ফলে দেশবাসীর আগ্রহ অন্যরকম। রায়ের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই টানটান উত্তেজনা জনমনে ছড়িয়ে পড়ে। রায়কে ঘিরে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে। রাজনীতির মাঠে রায় নিয়ে আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে জাতীয় নির্বাচনও।

দেশের মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালত। এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি ওই মামলার শুনানি শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করেন বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান।

বিএনপির অভিযোগ এই রায়কে কেন্দ্র করে সারা দেশে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গণগ্রেপ্তার করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নাশকতা ঠেকাতে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মন্তব্য

মতামত দিন

প্রযুক্তি পাতার আরো খবর

‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ উৎক্ষেপনের পরিবর্তিত তারিখ ৭ মে

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ উৎক্ষেপনের পরিবর্তিত তারিখ ৭ মে নির্ধারণ করা হয়েছে বল . . . বিস্তারিত

মোবাইল রিচার্জের জন্য ফেসবুক যথেষ্ট

প্রযুক্তি ডেস্কআরটিএনএনওয়াশিংটন: মানুষের যাত্রা পথে অনেক সময় মোবাইল রিচার্জের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তবে বিপদের সময় অনেক ক্ষেত . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com