ব্রেকিং সংবাদ: |
  • আমি নিজ থেকে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে পারি না: মাহাথির
  • বিএনপি নির্বাচন বয়কট করেছে বলে গণতন্ত্র বন্ধ থাকেনি: কাদের
  • মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আসুন ঐক্যবদ্ধ হই: ফখরুল

এবার ইংরেজী প্রথমপত্রের প্রশ্ন ফাঁস!

০৫ ফেব্রুয়ারি,২০১৮

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: পরীক্ষা আসলেই প্রশ্নপত্র ফাঁস যেন রীতিতে পরিণত হয়েছে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয়পত্রের পর এবার ইংরেজি প্রথমপত্রের প্রশ্নও ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরীক্ষা শুরুর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে সকাল ৮টা ৪ মিনিটে ইংরোজি প্রথমপত্রের ‘ক’ সেটের প্রশ্ন হোয়াসটঅ্যাপের একটি গ্রুপে পাওয়া যায়। যার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল পাওয়া গেছে।সোমবার সকাল ১০টায় ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষাটি শুরু হয়। শেষ হয় দুপুর ১টায়।

পরীক্ষা হওয়া প্রশ্নরবিবার রাত থেকে ফেসবুক, হোয়াসটঅ্যাপ, ইমোসহ বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে নজর রাখার পর সকাল ৮টা ০৪ মিনিটে ইংরেজি প্রথমপত্রের ক সেটের প্রশ্নপত্রটি হোয়াসটঅ্যাপের ‘English 1st part 2018’ নামের একটি গ্রুপে পাওয়া যায়। এরপর ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নটি ছড়িয়ে যায়। পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া প্রশ্নের সঙ্গে ওই প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া যায়। তবে, রবিবার রাত ১১টা ৪৪ মিনিটে প্রশ্ন দেওয়ার দাবি করছে একটি ফেসবুক আইডি।

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার বলেন, ইংরেজি প্রথমপত্র প্রশ্নও ফাঁস হয়েছে আপনার কাছ থেকেই প্রথম জানলাম। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয়সহ আমরাও তদারকিতে আছি। এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্ন একই কায়দায় ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া যায়। বাংলা প্রথম পত্রের বহুনির্বাচনি অভীক্ষার ‘খ’সেট প্রশ্নপত্র পরীক্ষার প্রশ্ন ও ফেসবুকে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের হুবহু মিল ছিল। পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগেই তা ফেসবুকে পাওয়া যায়।

এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সকালে পরীক্ষা শুরুর আগে প্রায় ঘণ্টা খানেক আগে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের নৈর্ব্যক্তিক (বহুনির্বাচনি) অভীক্ষার ‘খ’ সেটের উত্তরসহ প্রশ্নপত্র পাওয়া যায় ফেসবুকে যার সঙ্গে হুবহু মিল যায় অনুষ্ঠিত হওয়া পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের।

চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩৫ করার দাবিতে অনশন
ঢাকা: চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩৫ করার দাবিতে অনশন করছেন চাকরি প্রার্থীরা। কর্মসূচি পালনকালে এ পর্যন্ত ৫ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন পরিষদের মুখপাত্র সঞ্জয় দাস।

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের ব্যানারে শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি শুরু করেছেন তারা। শনিবারও তা অব্যাহত রয়েছে।

১০ জানুয়ারি থেকে কয়েকদিন মানববন্ধন কর্মসূচির পর গত ২৭ জানুয়ারি লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর এই আমরণ অনশন শুরু করলেন তারা।

চাকরি প্রার্থীদের দাবি, গড় আয়ু যখন ৪৫ ছিল তখন চাকরিতে প্রবেশের বয়স ছিল ২৭ বছর, যখন ৫০ হলো তখন ৩০ বছর করা হলো। এখন গড় আয়ু ৭২ বছর কিন্তু চাকরিতে প্রবেশের বয়স অপরিবর্তিত রয়ে গেছে।

এদিকে সরকারি নিয়ম অনুসরণ করার ফলে বেসরকারি ব্যাংকসহ বহুজাতিক কোম্পানিগুলো ৩০ বছরের ঊর্ধ্বে জনবল (অভিজ্ঞতা ছাড়া) নিয়োগ দেয় না। ফলে বেসরকারি ক্ষেত্রেও কর্মের সুযোগ সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে, তাই চাকরির বয়সসীমা অবশ্যই ৩৫ বছর করা উচিত।

তারা আরো বলেন, দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে যুব সমাজকে কাজে লাগাতে হবে। আর উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করা প্রয়োজন। কারণ উন্নত বিশ্বকে আমরা অনুসরণ করে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, তথ্য প্রযুক্তি, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছি। তদ্রূপ চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে উন্নত বিশ্বকে অনুসরণ করে দক্ষ জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে সফলতা অর্জন করতে পারি।

সংগঠনের সভাপতি মো. ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, উন্নত বিশ্বে যেখানে ৪০-৪৫ বছর চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা। সেখানে আমরা অনেক পিছিয়ে রয়েছি। বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে হলে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ আন্দোলন করে আসছে। এ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আমরা ২০১২ সাল থেকে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে আসছি। সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা আশানুরূপ কোনো ফল পাইনি।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি পেশ করে শিক্ষার্থীরা। তারা জানায়, দাবি না মানা হলে আজ শনিবার থেকে আমরণ অনশন করে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, উচ্চ শিক্ষিত বেকার যুব সমাজ যখন উপেক্ষিত তখন বর্তমান রাষ্ট্রপতি স্পিকার থাকা অবস্থায় ২০১২ সালের ৩১ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এতে যুব সমাজ আশার আলো দেখেছিলো।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ২১তম বৈঠকে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩২ বছর সুপারিশ করে। নবম জাতীয় সংসদে ১৪তম অধিবেশনে ৩৫ বছর করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। সেই থেকে বাংলাদেশের সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ দাবি বাস্তবায়নের জন্য পাঁচ বছর ধরে আন্দোলন করে আসছে। কিন্তু আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩৫ বছরে উন্নীতের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়া হয় সাধারণ ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে।

অনশন কর্মসূচিতে উপস্থিত আছেন পরিষদের সদস্য সঞ্জয় দাস, হারুনুর রশিদ, সবুজ ভূঁইয়া, সুদিপ পাল, ইমতিয়াজ হোসেন প্রমুখ।

মন্তব্য

মতামত দিন

শিক্ষা পাতার আরো খবর

প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে টিআইবির ৯ সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ৯টি সুপারিশ করেছে। . . . বিস্তারিত

২০১৯ থেকে নতুন পদ্ধতিতে এসএসসি পরীক্ষা, আন্তমন্ত্রণালয়ে সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিনিধিআরটিএনএনঢাকা: ২০১৯ থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা নতুন প্রশ্নপত্র ও নতুন পদ্ধতিতে নেওয় . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com