কুবি ছাত্রী দগ্ধ রহস্যাবৃত: ৬ ছাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ

২৪ আগস্ট,২০১৬

নিজস্ব প্রতিনিধি
আরটিএনএন
কুবি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) সংলগ্ন ছাত্রীনিবাসে বিস্ফোরণে ফাহমিদা হাসান নিসা নামে এক ছাত্রী দগ্ধ হওয়ার ঘটনাটি রহস্য ঘনিভূত হচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে সিলিন্ডার বা গ্যাস লাইন বিস্ফোরণের কথা বলা হলেও ঘটনাস্থলে এ সব কিছুর আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর মো. আইনুল হক।

মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ‘হেভেন ছাত্রীনিবাসে’ এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ওই ছাত্রীর শরীরের প্রায় ৬৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে মেডিকেল সূত্র জানায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শুনে তারা প্রথমে দগ্ধ নিসাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থা গুরুতর দেখে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আইসিইউ-তে  স্থানান্তর করা হয়।

নিসার সহপাঠি আবেদিন সরকার জানান, ‘নিসা প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে ‘সালমা ছাত্রীনিবাসে’ থাকতো। গত সোমবার সে পার্শ্ববর্তী ‘হেভেন ছাত্রীনিবাসে’ স্থানান্তর হয়। পাঁচতলা বিশিষ্ট ওই বেসরকারি মালিকানাধীন ছাত্রীনিবাসের নিচতলায় উঠেছিল নিসা।’

জানা যায়, বিস্ফোরণস্থলে একটি কক্ষের দুটি জানালার মধ্যকার একটি জানালা বিস্ফোরণে গলে গেছে এবং অপরটির গ্রিল কাটা ও কবাট ভাঙ্গা। কক্ষের আশেপাশে কোনো গ্যাসের লাইন বা সিলিন্ডার পাওয়া য়ায়নি। এছাড়া কক্ষটির রেফ্রিজারটিকেও অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে জানান প্রত্যক্ষদর্শী পুলিশ ও ডিবির সদস্যরা।

এদিকে ঘটনার পরপরই স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, র‌্যাব ও ডিবির সদস্যরা ছুটে আসেন ঘটনাস্থলে। বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত না হতে পেরে ঢাকা থেকে সিআইডির ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে আলামত সংগ্রহ করেন।

এছাড়াও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একই মেসের ৫ জন ও পার্শ্ববর্তী মেসের ১ ছাত্রীসহ মোট ৬ ছাত্রীকে কুমিল্লা ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। উপরোক্ত ৬ জনই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ওসি (ডিবি) একেএম মঞ্জুর আলম ও বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার।

ঘটনার বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার শাহ মো. আবিদ হোসেন বলেন, ‘নিশ্চিত করে এখনই বলা যাচ্ছেনা বিস্ফোরণটি আসলে কিসের থেকে হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে বলা যাবে আসলে কী ঘটেছিল।’

দগ্ধ নিসা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ৯ম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার আসকিনা গ্রামে।

মন্তব্য

মতামত দিন

শিক্ষা পাতার আরো খবর

এবার ইংরেজী প্রথমপত্রের প্রশ্ন ফাঁস!

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: পরীক্ষা আসলেই প্রশ্নপত্র ফাঁস যেন রীতিতে পরিণত হয়েছে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার বাংলা প্রথ . . . বিস্তারিত

ডিজিটাল জালিয়াতি ও প্রশ্ন ফাঁসে ঢাবির ১৫ শিক্ষার্থী বহিষ্কার: উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ডিজিটাল জালিয়াতি ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ শিক্ষার্থী বহিষ্কার ক . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com