কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাদের হেনস্তা ছাত্রলীগ নেতার

১৩ মে,২০১৮

কোটা আন্দোলনের নেতাদের কলার ধরে হেনস্তা ছাত্রলীগ নেতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: কোটা সংস্কারের পক্ষে প্রচারণা চালানোর সময় হেনস্তার শিকার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান হলে নেতাকর্মীরা।

হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন রহমান তাদের হেনস্তা করেন।শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক নূরুল হক নূর ও রাশেদ হোসেনসহ নেতারা বঙ্গবন্ধু হলে রবিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছিলেন।

এসময় ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন ১০/১৫ জন নেতাকর্মী নিয়ে তাদের বাধা দেন। আল আমিন তাদের কয়েকজনের কলার ধরে হেনস্তা করেন। মারধরের ভয় দেখিয়ে হল থেকে বের করে দেন।

নূরুল হক নূর বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছিলাম। এসময় আল আমিনের নেতৃত্বে একদল লোক এসে আমাদের উপর হামলা করে। আমরা কোনো কথা না বললেও তারা আমাদের কলার ধরে হল থেকে বের করে দেয়।’

জানতে চাইলে ছাত্রলীগ নেতা আল-আমিন বলেন, হলের রিডিং রুমের সামনে অধিক জনসমাগম দেখে আমি বের হই। এসময় দেখি সেখানে নূরসহ অনেকজন আছেন। আমি তাদের সেখান থেকে চলে যেতে বলি।

উল্লেখ্য, এর আগে সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল আন্দোলনে আল-আমিন নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করে আলোচনায় আসেন। তিনি ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশকারী হিসেবেও সমোলোচিত। একসময় ঢাবি জাসদ ছাত্রলীগের গবেষণা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক পদে ছিলেন আল-আমিন।

আরো পড়ুন…
কোটা ব্যবস্থা থাকবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, কোটা ব্যবস্থা থাকবে। তবে মেধাবীরা যেন বেশি সুযোগ পায় তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

শনিবার কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা-প্রাগপুর পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিম রণাঙ্গনের অন্যতম সংগঠক যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা রশিদুল আলম আনিসের নামে জেলা পরিষদে বাস্তবায়নাধীন সড়কের উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন।

মোজাম্মেল হক বলেন, কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে যে তথ্য প্রকাশ পেয়েছে, তাতে অন্যদের মদদ থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ আছে। দেশ থেকে বিতাড়িত তারেক জিয়া তাদেরকে উৎসাহিত করেছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, এই আন্দেলনকে কীভাবে খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে পরিণত করা যায়, সেই চেষ্টাও করা হয়েছে। হতে পরে প্রথম দিকে এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য সৎ ছিল, কিন্তু পরবর্তীতে এটা উদ্দেশ্যমূলক ছিল এবং এই আন্দোলনের মাধ্যমে বিএনপি রাজপথে আসার একটা হীন প্রচেষ্টা চালিয়েছিল।

মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের আশ্বস্ত করে মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মকে কীভাবে সম্মানিত করতে হবে এবং কীভাবে রাষ্ট্রীয় এবং প্রশাসনিকভাবে কাজে লাগানো যাবে সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চিন্তা রয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী রবিউল ইসলাম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা রশিদুল আলম, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী ও ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল মারুফ।

মন্তব্য

মতামত দিন

প্রধান খবর পাতার আরো খবর

কওমী মাদ্রাসায় পড়ছে কারা?

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা হাসিনার আক্তার। তার তিন সন্তানের সবাই কওমী মাদ্রাসায় পড়াশুনা করছে। হাস . . . বিস্তারিত

হঠাৎ জেএসসি–জেডিসিতে নম্বর-বিষয় কমানোর সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: আগামী জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা থেকে নম্বর ও বিষয় কমানোর বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com