সর্বশেষ সংবাদ: |
  • বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর প্রার্থিতা বৈধ করবে বলে জানিয়েছেন আদালত, অ্যাটর্নি জেনারেলের মতামত নেওয়ার পর আদেশ
  • তিন আসনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দায়ের করা রিটের শুনানি চলছে
  • সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সংবিধান, ভোটার ও রাজনৈতিক নেতাদের কাছে দায়বদ্ধ নির্বাচন কমিশন : সিইসি

এইচএসসি পরীক্ষার সময় বন্ধ থাকবে কোচিং সেন্টার

২৭ মার্চ,২০১৮

এইচএসসি পরীক্ষার সময় বন্ধ থাকবে কোচিং সেন্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যেসব কোচিং সেন্টার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে, সেগুলো ২৯ মার্চ থেকে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার প্রথম আলোকে এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে এবং পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বেশ কিছু সিদ্ধান্তের বিষয়ে আজ আদেশ জারি হবে।

মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ২৫ মার্চ অনুষ্ঠিত পাবলিক পরীক্ষাসংক্রান্ত জাতীয় তদারক কমিটির সভায় যেসব সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেগুলো আজ আদেশ আকারে জারি করা হবে। সিদ্ধান্তের মধ্যে আরও রয়েছে—পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল ফোনসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ রাখা, কেন্দ্রসচিব ছাড়া আর কেউ মোবাইল ফোন কেন্দ্রে নিতে পারবেন না। তবে কেন্দ্রসচিবও শুধু একটি সাধারণ ফোন ব্যবহার করবেন। এ ছাড়া এবার ট্রেজারি বা থানা থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে নিতে হবে।

পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগেই। এ ছাড়া কোন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা, তার সেট নির্ধারণ করা হবে পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে।

আগামী ২ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। শেষ হবে ১৪ মে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত
এর আগে ২৩ জানুয়ারী শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) মো. মোতালেব হোসেন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চমান সহকারী নাসিরউদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার কর্মকর্তারা এ কথা জানান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন জানান, গ্রেপ্তার হওয়া দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেন, এখনই মন্ত্রণালয় থেকে তাদের সাসপেন্ড করে দেব। পুলিশের মামলার বিচার শেষ না হওয়ায় পর্যন্ত তারা সাময়িক বরখাস্ত থাকবেন।

মোতালেবকে শনিবার ঢাকার বসিলা এলাকা থেকে ‘তুলে নেওয়ার’ অভিযোগে এবং নাসির বৃহস্পতিবার থেকে নিখোঁজ জানিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় জিডি করা হয়েছিল।

পরে রোববার গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, ওই দুইজনের পাশাপাশি লেকহেড গ্রামার স্কুলের অন্যতম মালিক খালেদ হাসান মতিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর মধ্যে মতিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জঙ্গিবাদে অর্থায়নের অভিযোগে। আর মোতালেব ও নাসিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নানা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে।

শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোতালেব হোসেনের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার মোল্লারহাট ইউনিয়নে। আগে থেকেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চাকরি করলেও দুই বছর আগে নাহিদের পিও হিসেবে বদলি হয়ে তিনি মন্ত্রীর দপ্তরে আসেন।

আর মাউশির কর্মচারী নাসির বাংলাদেশ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের মহাসচিব। গ্রেপ্তারের পর তার কাছে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা পাওয়ার কথা বলেছে পুলিশ।

সোমবার রাতে ঢাকার বনানী থানায় ওই তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে গোয়েন্দা পুলিশ। জঙ্গিবাদে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে বন্ধ থাকা লেকহেড গ্রামার স্কুল খুলে দিতে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ আনা হয় সেখানে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা রোববার বলেছেন, লেকহেড গ্রামার স্কুল খুলে দেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা বোর্ডে ফাইল চালাচালি করছিলেন শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোতালেব এবং উচ্চমান সহকারী নাসির উদ্দিন। লেক হেড গ্রামার স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এরা মোটা অংকের টাকা নিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করছিলেন।

জঙ্গি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতা ও ধর্মীয় উগ্রবাদে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগে গত নভেম্বরে এই স্কুল বন্ধ করে দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারকে সভাপতি করে এবং সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের নিয়ে পরিচালনা পর্ষদ করে স্কুলটি চালুর নির্দেশ দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সোমবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধরেছে, নিশ্চয়ই কোনো অভিযোগ আছে। সে অভিযোগ কোর্টে প্রমাণ হবে এবং শাস্তি হবে। সেই বিধান অনুসারে আমাদের যে সিস্টেম আছে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য

মতামত দিন

প্রধান খবর পাতার আরো খবর

ভিকারুননিসার শিক্ষিকা হাসনা হেনার জামিন মঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের ছাত্রী অরিত্রি অধিকারী আত্মহত্যা মামলায় শিক্ষিকা হাসনা হে . . . বিস্তারিত

ভিকারুননিসা শিক্ষিকার মুক্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনায় . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com