নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলা করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

১১ ফেব্রুয়ারি,২০১৮

রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
চট্টগ্রাম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের অব্যাহত অগ্রগতি নিশ্চিত করতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় নতুন নতুন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে মনোযোগী হতে গবেষক ও বিজ্ঞানীদের প্রতি আহবান জানান।

রাষ্ট্রপতি চট্টগ্রাম ভেটেরিনারী ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যায়ের (সিভিএএসইউ) প্রথম সমাবর্তনে ভাষণকালে বলেন, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব ইতোমধ্যে আমাদের কৃষিতে পড়তে শুরু করেছে। এ ছাড়া অপরিকল্পিতভাবে রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। খবর-বাসস

তিনি এ ক্ষেত্রে বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অগ্রণী ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আবিষ্কারের ফল ব্যবহারকারীদের হাতে পৌঁছে দিতে হবে।

রাষ্ট্রপতি মুক্তিযুদ্ধ ও দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে অগ্রসর ও মেধাভিত্তিক এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ জাতি গঠনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান অব্যাহত রাখার আহবান জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ সম্ভাবনার এক উজ্জ্বল সময় অতিক্রম করছে। এই পথযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তরুণদের সুশিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের গুরুদায়িত্ব পালন করতে হবে।

জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে শিক্ষাকে গণমানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রায় প্রতিটি সূচকে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে নন্দিত। আমরা ইতোমধ্যে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছি এবং ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হব।

রাষ্ট্রপতি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষকদের আধুনিক জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা অর্জন এবং গবেষণা ও সৃজনশীল কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানান।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরিতে বন্ধুত্বপূর্ণ ছাত-শিক্ষক সম্পর্ক কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এ জন্য শিক্ষকদের হতে হবে প্রবণ ও অভিভাবকতুল্য।

রাষ্ট্রপতি নবীন গ্রাজুয়েটদের সেবা, সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেম দিয়ে সনদের মান সমুজ্জ্বল রাখার আহবান জানিয়ে তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘অন্যায় ও অসত্যের কাছে কখনো মাথানত করবে না। বিবেককে বিকিয়ে দেবে না। লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে আরো অর্থবহ করতে হবে।

অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী ছিলেন সমাবর্তন বক্তা। এতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান এবং সিবিএএসইউ উপাচার্য অধ্যাপক ড. গৌতম বুদ্ধ দাস বক্তৃতা করেন।

মন্তব্য

মতামত দিন

প্রধান খবর পাতার আরো খবর

ভর্তি বাণিজ্য রোধে বেসরকারি স্কুলে ভর্তি ফি বেঁধে দিতে পারে সরকার

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: বাংলাদেশের নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি মনে করছেন, সরকারি স্কুলের মতো বেসরকারি স্কুলেও স . . . বিস্তারিত

ছাত্রদল-শিবির প্রবেশের আশঙ্কায় আতঙ্কে ঢাবি ছাত্রলীগ

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে সরব রয়েছে ছাত্রলীগ। . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com