শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, এ দৃশ্য জাতির জন্যও লজ্জার: বি. চৌধুরী

০৫ জানুয়ারি,২০১৮

শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন,এ দৃশ্য জাতির জন্যও লজ্জার: বি. চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: বিকল্পধারার সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেছেন, দাবি আদায়ে আমরণ অনশনে বসে অনেক শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ দৃশ্য দেখা শুধু আমার নয়, জাতির জন্যও লজ্জার। এখন দেখার সরকার আদৌ লজ্জা পায় কিনা।

শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের আমরণ অনশন কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে তিনি একথা বলেন।

বি. চৌধুরী বলেন, ‘আজ শিক্ষকদের থাকার কথা ছিল ক্লাস রুমে। অথচ তারা বেতনের জন্য আজ রাস্তায় দিন পার করছেন। এটা জাতির জন্য দুঃখ ও হতাশার।’

বিকল্পধারা ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এসে শিক্ষকদের আমরণ অনশনে সংহতি প্রকাশ করছেন। শুক্রবার সংহতি প্রকাশ করেন জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার এমপি, মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষক সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা এস এম আব্দুল জলিল, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মোস্তাফা প্রমুখ।

এদিকে ‘জীবন গেলেও দাবি পূরণ ছাড়া এখান থেকে যাবো না। ন্যায্য দাবিতে খোলা আকাশের নিচে শীতের মধ্যে আমরণ অনশন করে যাচ্ছি’ বলে মন্তব্য করেছেন নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী।

শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এমপিওভুক্তির দাবিতে ষষ্ঠ দিনের মতো আমরণ অনশন পালন করছেন নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা।

মাহমুদুন্নবী বলেন, অনেক শিক্ষক-কর্মচারী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তবুও সরকার আমাদের দিকে তাকাচ্ছে না। শিক্ষামন্ত্রী আমাদের এখানে আসায় আমরা তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছি। কিন্তু তার বক্তব্য সুস্পষ্ট না হওয়ায় অনশনরত শিক্ষকরা তার আশ্বাস প্রত্যাখ্যান করেছেন। তবে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস পেলেই ঘরে ফিরবেন শিক্ষকরা।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা পাঁচ হাজার ২৪২টি। এসব প্রতিষ্ঠানে এক দশকেরও বেশি সময় থেকে বিনা বেতনে পাঠদান করছেন এমন শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় ৭৫-৮০ হাজার। আমরণ অনশন চলাকালে ছয়দিনে ১১৪জন শিক্ষক অসুস্থ হয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকা মেডিকেলে ১৬ জন শিক্ষক ভর্তি আছেন।

এই শিক্ষক নেতা বলেন, সর্বশেষ ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকার এক হাজার ৬২৪টি বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজকে এমপিওভুক্ত করে। “তহবিল সংকট” দেখিয়ে তখন বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানকে আর এমপিওভুক্ত করা হয়নি। বাদ পড়া শিক্ষকরা তখন থেকেই বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন। কিন্তু তারা মানবেতর জীবনযাপন করলেও সরকার তাদের দিকে সুদৃষ্টি দিচ্ছে না।

মন্তব্য

মতামত দিন

প্রধান খবর পাতার আরো খবর

ছয় মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের রুল স্থগিত চেয়ে উপাচার্যের আপিল

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ছয় মাসের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠানে পদক্ষেপ . . . বিস্তারিত

সরকারি হলো ৪৪ বিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: নতুন করে আরও ৪৪ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com