বুয়েটে সঙ্কট কাটেনি শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম, সেদিন নেপথ্যে যা ঘটেছিল

০২ নভেম্বর,২০১৭

২৮ অক্টোবর সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: ছাত্র আন্দোলনে ভয়াবহ সঙ্কটের দিকে এগুচ্ছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে শিক্ষার্থীরা, ফের যেকোনো সময় বহিরাগতদের হামলার শিকার হতে পারে এমন আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

এদিকে শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগতদের হামলা ও নিপীড়নের ঘটনায় সোমবার দিনভর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছে শিক্ষার্থীরা। তারা আট দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন। দাবি মেনে নিতে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনকে ১০দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে। এই সময়ে মধ্যে দাবি না মানলে আগামী ১১ নভেম্বর থেকে তারা ফের বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

সেদিন যা ঘটেছিল ঘটনার নেপথ্যে
প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায়, গত ২৬ অক্টোবর সন্ধ্যার দিকে বুয়েটের শহীদ মিনার থেকে পলাশী মোড় পর্যন্ত বুয়েট ছাত্ররা মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করতে যায়। বুয়েটের সামনে ওভারব্রীজের ওপরে কয়েকজনকে গাঁজা-মাদক সেবন করতে দেখে তাদের সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয় বুয়েট ছাত্ররা। কোনো কোনো সূত্র বলছে, ওই সময় কয়েকজনকে মারধর করেও তাড়িয়ে দেয়া হয়।এতে মাদকব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক দোকানদার বলেন,ওভারব্রীজের ওপরে গাঁজাসেবীদের মধ্যে দুই-তিনজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহুরুল হক হলের ছাত্রলীগের নেতাও ছিলেন। এতে ওই ঘটনায় তারা বুয়েট ছাত্রদের ওপর ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়। পরে ওইদিন সন্ধ্যায় বুয়েটের দুই ছাত্রকে পলাশীর মোড়ে পেয়ে জহুরুল হক হলের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মারধর করে এবং একজনের সাইকেল ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়।

ঘটনা এখানেই থেমে থাকেনি, পরদিন ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় ফের জহুরুল হক হলের ৪০-৫০ ছাত্র সংঘবদ্ধ হয়ে সশস্ত্র অবস্থায় বুয়েট ক্যাম্পাসে গিয়ে গণহারে শিক্ষার্থীদের মারধর করে। এমন কী এক ক্যান্টিন বয়কেও মারধর করে রক্তাক্ত করে। এভাবেই প্রায় ঘন্টাখানেক চলে তাদের এ হামলার মিশন।

প্রত্যক্ষদর্শী বুয়েটের এক ছাত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ওইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহুরুল হক হলের ছাত্ররা বুয়েট ক্যাম্পাসে যা ঘটিয়েছে তা মধ্যযুগীয় নারকীয় ঘটনা। কেননা, তারা যাকেই বুয়েটের ছাত্র মনে করেছে তাদেরকেই ধরে মারধর করেছে। এতে ওই হামলায় অর্ণব, পিয়াল, সৌরভসহ বুয়েটের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।এরমধ্যে গুরুতর আহত সাদমান সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

জহুরুল হক হলের হামলা করে চলে যাওয়ার পর বুয়েটের শিক্ষার্থীরা জমায়েত হয়ে পলাশীর মোড়ে এসে বিক্ষোভ করে।তারা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। এভাবে তারা গভীর রাত পর্যন্ত পলাশীর মোড়ে অবস্থান করে। পরে পুলিশ প্রশাসনের লোকজন গিয়ে আশ্বাস দিলে তারা ক্যাম্পাসে ফিরে যায়। তবে তাদের এখনো নিরাপত্তাহীনতা কাটেনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, এখন আমরা ক্যাম্পাস থেকে বের হতেই ভয় পাচ্ছি, কেননা, আমাদের মনে হচ্ছে আবারো যেকোনো সময় সন্ত্রাসীরা আমাদের ওপর হামলা করতে পারে। এ আতঙ্ক শুধু আমার নয়, বুয়েটের সকল শিক্ষার্থীর।

শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ
২৭ অক্টোবর এহেন ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনার পর বুয়েট কর্তৃপক্ষ থেকে কোনো প্রকার সাহায্য বা নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের কোনো ছাপ মেলেনি। বরং প্রশাসনের নির্বিকার ভূমিকায় আরো বেশি নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে শিক্ষার্থীরা

এরই প্রেক্ষিতে ২৮ অক্টোবর বুয়েট ক্যাম্পাসে জড়ো হয়ে পলাশী আর বকশিবাজার মুখেই বুয়েট প্রবেশ পথে পৃথক দুটি গেট স্থাপন ও পর্যাপ্ত প্রহরি নিয়োগ, বুয়েট শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও নিপীড়নের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে বুয়েট প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে মামলা দায়ের করা এবং সুবিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত মামলার কার্যক্রম বুয়েট প্রশাসনকে পরিচালনা ও তদারকি করা, মাদক ব্যবসায়ী স্টাফ কোয়ার্টারের কর্মচারীদের বহিষ্কার, শহীদ মিনার সংলগ্ন মাদকের অভয়ারণ্য ফুট ওভার ব্রিজ অপসারণসহ আট দফা দাবিতে বুয়েট শহীদ মিনারের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে হাজারো ছাত্রছাত্রী।

আন্দোলনরত বুয়েটের এক ছাত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই প্রতিবেদককে বলেন, প্রশাসনের নির্বিকার ভূমিকায় বুয়েট ক্যাম্পাসে আরো বেশি নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে শিক্ষার্থীরা। প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করলে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।ক্যাম্পাসে নিজেদের অনিরাপদ বলে মনে করে।এমতাবস্থায় বুয়েটের শিক্ষার্থীরা আট দফা দাবিতে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয় বলে জানান বুয়েট যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগের এক ছাত্র।

তিনি বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে না। আন্দোলন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। ক্যাম্পাসের সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিতকরণে ছাত্রছাত্রীদের আট দফা দাবি মেনে নিতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’

শিক্ষার্থীদের আট দফা
তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে- পলাশী আর বকশিবাজার মুখেই বুয়েট প্রবেশ পথে পৃথক দুটি গেট স্থাপন। বুয়েট কর্তৃপক্ষকে সংবাদ সম্মেলন করে সংঘর্ষের দিনের সিসিটিভি ফুটেজ মিডিয়ার সামনে উপস্থাপন করে দুষ্কৃতিকারীদের পরিচয় উন্মুক্ত করা। বুয়েট ছাত্রদের নিপীড়নে জড়িতদের বিরুদ্ধে বুয়েট কর্তৃক মামলা দায়ের ও পরিচালনা করা। ছাত্র নিপীড়নের ঘটনায় উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেওয়া ও গড়িমসিকারীদের জবাবদিহি করা। স্টাফ কোয়াটারের মাদক ব্যবসায়ী রাজু, অর্ণব, শুভ, পাপন, নাকিব, ফয়সালকে বুয়েট ক্যাম্পাস থেকে উচ্ছেদ করা। মাদকের অভয়ারণ্য বুয়েট শহীদ মিনার সংলগ্ন অপ্রয়োজনীয় ফুট ওভার ব্রিজটি অপসারণ করা। বকশীবাজার থেকে পলাশী পর্যন্ত বহিরাগত যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করাসহ বুয়েট ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করা। ক্যাম্পাসের যে সকল এলাকা এখনো সিসিটিভির আওতায় নেই সেগুলোতে সিসিটিভি বসানোর উদ্যোগ নেওয়া।

দাবি দাওয়া পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে জানায় বুয়েটের শিক্ষার্থীরা।শিক্ষার্থীরা জানান, প্রশাসনকে দাবি মেনে নিতে আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে দাবি না মানলে ১১ নভেম্বর থেকে তারা ফের বৃহত্তর আন্দোলনে যাবে। তারা যেকোনো মূল্যে সন্ত্রাসীদের বিচার এবং নিজেদের নিরাপত্তা চায়। রবিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস ও ল্যাব বর্জন করছে শিক্ষার্থীরা। সোমবার বিক্ষোভ সমাবেশের পর প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছে তারা।অন্যদিকে গণমাধ্যমে বুয়েটের শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে নেতিবাচক সংবাদ পরিবেশন করায় ক্ষোভ ও উদ্যোগ করেছে শিক্ষার্থীরা। এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে তারা এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

এদিকে ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে জানিয়ে বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার বলেছেন, উপাচার্য বিদেশ থেকে ফিরলে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া। প্রসঙ্গত বুয়েটের উপাচার্য বর্তমানে চীন সফরে রয়েছেন।

এদিকে বুয়েট শিক্ষার্থীদের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সংঘাতের এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

বুয়েট ক্যাম্পাস থেকে বহিরাগত তাড়াতে অভিযান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গত শুক্রবার সংঘর্ষে জড়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবারের সংঘর্ষে বুয়েটের পাঁচ ছাত্র আহত হন। ঘটনার রাতেই বুয়েট স্টাফ কোয়ার্টারে থাকা কর্মচারীর ছেলে রাজুসহ কয়েকজনকে আসামি করে চকবাজার থানায় মামলা করা হয় বলে জানান অধ্যাপক সত্য প্রসাদ।

হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবিতে সোমবারও ক্লাস বর্জন করে ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার এলাকায় সড়ক অবরোধ করে সমাবেশ করে বুয়েট শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অন্যতম সমন্বয়ক যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী পার্থ প্রতীম দাস বলেন, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়াসহ আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা এ আন্দোলন চালিয়ে যাব।

বুয়েটের সব শিক্ষার্থী এই আন্দোলনে রয়েছেন বলে জানান তিনি।

অবরোধ ও সমাবেশ শেষে শিক্ষার্থীরা ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেন।

এদিকে ঘটনার ৫দিন পার হলেও কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করেনি বুয়েট প্রশাসন। উপাচার্য সাইফুল ইসলাম দেশে না থাকায় তদন্ত কমিটি করতে দেরি হচ্ছে বলে জানান অধ্যাপক সত্য প্রসাদ।

তিনি বলেন, আমাদের উপাচার্য মহোদয় দেশের বাইরে থেকে ফিরলেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের সাথে কথা বলে একটি প্রাথমিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উনি আসলে মূল তদন্ত কমিটি হবে।

শিক্ষার্থীর দাবির বিষয়ে অধ্যাপক সত্য প্রসাদ বলেন, আমরা ছাত্রদের দাবিগুলো মেনে নিয়েছি। কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়ন করতে তো একটু সময় লাগবে। ছাত্ররা আমাকে সেই সময়টুকু না দিয়ে কেন আন্দোলন করছে, জানি না।

এদিকে একই ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের পক্ষ থেকে আবাসিক শিক্ষক আব্দুর রহিমকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আব্দুর রহিম বলেন, সাত দিনের মধ্যে আমরা প্রতিবেদন দেব। সাত দিনে সম্ভব না হলে আমরা তদন্তের স্বার্থে সময় বাড়িয়ে নেব। আমরা চাই, আসল অপরাধীদের শনাক্ত করতে।

কমিটি ইতোমধ্যেই সংঘর্ষের ঘটনায় ‘জড়িত’ চারজনের জবানবন্দি নিয়েছে বলে হলে দায়িত্বরত শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

ঘটনায় জড়িত কয়েকজন সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ছাত্রলীগের কর্মী বলেও খবর ছড়িয়েছে।

তবে জহুরুল হক হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসিফ তালুকদার বলেন, তারা কেউ ছাত্রলীগের কি না, আমি অবগত নই। আমি চাই এ ঘটনায় দোষীদের বিচার হোক। দোষীদের কাউকে হল ছাত্রলীগের কমিটিতে কোনো পদ-পদবী দেওয়া হবে না।

যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা ভাবছে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢামেক
এদিকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি পাশাপাশি থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার জন্য একটি ‘কমন নিরাপত্তা বলয়’ তৈরির কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রাব্বানী।

তিনি বলেন, এই ঘটনায় ঢাবি ও বুয়েট কর্তৃপক্ষ আলাদা আলাদা তদন্ত করবে। আমাদের উপাচার্য মহোদয়ের সাথে বুয়েটের উপাচার্য মহোদয়ের কথা হয়েছে। আমরা পাশাপাশি অবস্থিত এই তিনটি ক্যাম্পাস নিয়ে কমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা ভাবছি।

এদিকে সংঘর্ষের সময় শুক্রবার রাতে বুয়েট পড়ুয়া বান্ধবীকে হলে পৌঁছে দিতে যাওয়ার সময় আব্বাস আল কোরেশী নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র মারধরের শিকার হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তখন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাকিব হাসান সুইম এবং উপস্থিত কয়েকজন সাংবাদিক দৌড়ে গিয়ে তাদের দুজনকে উদ্ধার করেন। পুলিশের উপস্থিতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান ওই ছাত্রীকে হলে পৌঁছে দেন।

কিন্তু পরে আব্বাস আল কোরেশী এক ফেইসবুক পোস্টে মারধরের শিকার হওয়ার কথা অস্বীকার করেন।

কেন এখন অস্বীকার করছেন- জানতে চাইলে আব্বাস সোমবার বলেন, আমি খুব পারিবারিক চাপে আছি ভাই। আমি চাচ্ছি না এই বিষয়ে আর জড়াতে।

তবে বুয়েটের আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা এ ধরনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

ভিডিও দেখতে নিম্নের লিংকে ক্লিক করুন

https://www.facebook.com/asb.bindu/videos/383282852103959/

মন্তব্য

মতামত দিন

প্রধান খবর পাতার আরো খবর

প্রশ্নফাঁসের জন্য শিক্ষকরাই দায়ী: নাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: চলমান জেএসসি পরীক্ষাসহ পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের জন্য শিক্ষকদের দায়ী করেছেন শিক্ষামন্ত্ . . . বিস্তারিত

মাদ্রাসা ছাত্ররা ইঞ্জিনিয়ার হলে রডের পরিবর্তে বাঁশ দেবে না: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: মাদ্রাসায় থেকে পাস করা ছাত্ররা ইঞ্জিনিয়ার হলে, তারা নির্মাণকাজে রডের পরিবর্তে বাঁশ দেবে না . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান, গোলাম রসুল প্লাজা (তৃতীয় তলা), ৪০৪ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com