ব্রেকিং সংবাদ: |
  • পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ারকে তারেক রহমানের লিগ্যাল নোটিশ
  • ‘তারেক বর্তমানে বাংলাদেশের নাগরিক নন’
  • কাবুলে ভোটার নিবন্ধনকেন্দ্রে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩
  • ২৫ বছরের যুদ্ধে সোয়া কোটি মুসলিম নিহত, যা একটি বিশ্বযুদ্ধের সমান ক্ষয়ক্ষতি
  • খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সপ্তাহব্যাপী বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
  • ত্রিভুবন বিমানবন্দরের গাফিলতিই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী: ইউএস-বাংলা
  • যে শর্তে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে বিএনপিকে ছাড় দিল জামায়াত

টিআইবির প্রতিবেদন

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ থেকে ২০ লাখ টাকায় প্রভাষক নিয়োগ

১৮ ডিসেম্বর,২০১৬

নিউজ ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে লাখ লাখ টাকার হাতবদল হচ্ছে বলে অভিযোগ করছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা টিআইবি।

টিআইবির গবেষণা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান বলেন, ‘আমরা ৩ লাখ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনের তথ্য পেয়েছি, এটা দুঃখজনক হলেও সত্য- কিন্তু এটা একটা গুণগত গবেষণা, তাই ঠিক কতটা দুর্নীতি হচ্ছে তা আমরা বলতে পারছি না।’‌

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ নামের সংস্থাটি রবিবার এ নিয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

এতে বলা হয়, আর্থিক দুর্নীতি ছাড়াও রাজনৈতিক বিবেচনাতেও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক পদে নিয়োগ করা হচ্ছে, পরিবর্তন ঘটানো হচ্ছে নিয়োগ বোর্ড গঠন এবং যোগ্যতার মাপকাঠিতে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ার নানা দুর্নীতি এবং অনিয়মের বিভিন্ন দিক ব্যাখ্যা করে টিআইবির রিসার্চ ও পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান বলেন, এসব পদে নিয়োগের আগে থেকেই একধরণের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’‌ করা হচ্ছে বলে তারা দেখতে পেয়েছেন।

‘হয়তো নতুন শিক্ষকের প্রয়োজন নেই কিন্তু বলা হচ্ছে প্রয়োজন আছে। অনেককে পরীক্ষায় বেশি নম্বর দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে- এমনটাও দেখেছি।’‌

তিনি বলেন, ‘কাকে নেয়া হবে তা যেন আগে থেকেই যোগসাজশের ভিত্তিতে ঠিক করে রাখা হয়’‌।

‘প্রার্থীদের যোগ্যতার কাগজপত্র যথাযথভাবে তুলে ধরা হচ্ছে না। কেউ হয়ে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হলেন তাকে শুধু ‘প্রথম শ্রেণী’‌ বলে উল্লেখ করা হলো। কিন্তু যাকে আসলে নিয়োগ করা হবে- তার যোগ্যতার কথা বিস্তারিতভাবে বলা হলো।’‌

রফিকুল হাসান বলেন, রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে নিয়োগ করা হচ্ছে- এবং এ ক্ষেত্রে নির্বাচনে ভোটার কনফার্ম বা দলীয় সমর্থক বৃদ্ধি করার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

তার কথায়, মেধাভিত্তিক না হয়ে শিক্ষক নিয়োগে এখন রাজনৈতিক বিবেচনা, স্বজনপ্রীতি বা আঞ্চলিকতার প্রভাব চলে এসেছে।

হাসান বলেন, তাদের তথ্যের যথার্থতা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই, কারণ তারা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও এ সংক্রান্ত প্রশাসনের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, উপাচার্য, রেজিস্ট্রার এরকম বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গের সাথে কথা বলে এ তথ্যগুলো পেয়েছেন।

এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু নীতিমালা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সুপারিশ করেছে টিআই বি।

বিবিসি অবলম্বনে

মন্তব্য

মতামত দিন

প্রধান খবর পাতার আরো খবর

চাকরি পার্থীদের ‘ফার্স্ট টার্গেট বিসিএস’ কেন?

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: বাংলাদেশে বর্তমানে চার লাখের বেশি উচ্চশিক্ষিত তরুণ তরুণী বেকার রয়েছেন। কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান হিস . . . বিস্তারিত

এমসিকিউ থাকবে না প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায়: মোস্তাফিজুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: ‘আগামীতে দেশের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় এমসিকিউ প্রশ্ন থাকবে না’ বলে  ঘোষ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com