৯০ শতাংশ স্কুলে বই পৌঁছে গেছে: শিক্ষামন্ত্রী

০৪ ডিসেম্বর,২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারো পহেলা জানুয়ারি ছাত্রছাত্রীদের হাতে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেয়া হবে। ইতোমধ্যে প্রায় ৮০/৯০ শতাংশ স্কুলে বই পৌঁছে গেছে। অবশিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পুস্তক যথাসময়ে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে।

রবিবার ঢাকার মাতুয়াইলে পাঠ্যপুস্তক ছাপার কাজে নিয়োজিত তিনটি প্রেস পরিদর্শনশেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ২০১০ সাল থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হচ্ছে। প্রতি বছরই এ কার্যক্রম বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০০৯ সালে বাংলাবাজার থেকে পাঠ্যপুস্তক ছাপার কাজ শুরু হয়। সকল শিশুর স্কুলে যাওয়া এবং বইপ্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য এ কার্যক্রম চলছে। প্রতিবছর সময়মত এত বিপুলসংখ্যক ছাত্রছাত্রীর হাতে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেয়া বিশ্বে অতুলনীয় উদাহরণ।

তিনি বলেন, এ কাজে যাতে কোনো গলদ না থাকে, সেজন্য আমরা নিয়মিত কাজ তদারক করছি।


তিনি আরো বলেন, গত বছর বই ছাপা হয়েছিল ৩৩ কোটি ৩৭ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭২টি। এবার ছাপা হয়েছে ৩৬ কোটি ২১ লাখ ৮২ হাজার ২৮৫টি। গত বছরের তুলনায় এবার ২ কোটি ৮৪ লাখ ৩৪ হাজার ২৭৩টি বই বেশি ছাপা হচ্ছে। তিনি বলেন, ছাপার কাগজের মান নিয়ন্ত্রণের জন্য এবার ইন্সপেক্টর নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কাগজের রোল পরীক্ষা করার পর ভিতরে আনার অনুমতি দেয়া হয়। অনুমতি ছাড়া কোন কাগজ বাইরে থেকে ছাপাখানায় ঢুকতে দেয়া হয় না। আগের অভিজ্ঞতার আলোকে কাগজের রোলগুলো সামনে রাখা আছে।
   
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এবার ৫টি ভাষায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্যপুস্তক ছাপানো হয়েছে। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন এবার ব্রেইল পদ্ধতিতেও বই ছাপা হয়েছে।
   
তিনি বলেন, আগে ছোট ছোট প্রেসে বই ছাপা হতো। বর্তমানে বিপুল পরিমাণ বই ছাপার কারণে বড় ধরনের ছাপাখানা গড়ে উঠেছে। ৩ বছর আগেও এত বড় আকারের প্রেস ছিল না। পাঠ্যপুস্তক ছাপাকে কেন্দ্র করে এ শিল্পের বিকাশ হয়েছে। বড় আকারের প্রেস স্থাপন করা হয়েছে। এ শিল্পে প্রচুর লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। বর্তমানে উন্নত মানের অটোমেটিক মেশিনে ছাপা ও বাঁধাইয়ের কাজ সম্পন্ন হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসাইন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমদ ও রুহী রহমান, জাতীয় কারিকুলাম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)-এর চেয়ারম্যান নারায়ন চন্দ্র সাহা এবং সদস্য ড. রতন সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী মতিঝিলে এনসিটিবি কার্যালয়ে ময়মসসিংহের ফুলবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক নিহত হওয়ার ঘটনায় জাতীয় শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য ফ্রন্টের তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন।

মন্তব্য

মতামত দিন

প্রধান খবর পাতার আরো খবর

এসএসসি পরীক্ষার বর্ধিত ফিস ফেরতদানের নির্দেশ হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বর্ধিত ফিস ফেরতদানের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি কা . . . বিস্তারিত

বাংলাদেশের স্কুলে শিক্ষার ভয়াবহ চিত্র

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: বাংলাদেশে শিক্ষার মান নিয়ে সরকারের পরিচালিত এক গবেষণা বলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তা . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com