জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও মেলানিয়া কী আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের যোগ্য?

১১ ফেব্রুয়ারি,২০১৮

জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও মেলানিয়া কী আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের যোগ্য?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরটিএনএন
ওয়াশিংটন: ৭১ বছর বয়সী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী হওয়ার সুবাদে মার্কিন ফার্স্ট লেডির পদটি অলঙ্কৃত করেছেন ৪৭ বছর বয়সী মেলানিয়া ট্রাম্প।

তার স্বামী বর্তমানে যে পদটির অধিকারী হয়েছেন, সেই পদটিতে সাবেক এই মডেলকে কী কখনো দেখা যেতে পারে?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতার ঊর্ধ্বভাগে পৌঁছানো এবং এনিয়ে বিভিন্ন মতামত সত্ত্বেও এটা বলা যেতে পারে যে, মেলানিয়া ফার্স্ট লেডির পদটির বাইরে আর একটি ধাপও এগিয়ে যেতে পারবে না এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্টও হতে পারবেন না।

নির্বাচনের জন্য কে যোগ্য আর কে যোগ্য নয়- তা মার্কিন সংবিধানে যারা নির্ধারিত করে দিয়েছেন, এজন্য তারা ধন্যবাদ পেতেই পারেন।

মার্কিন সংবিধানে বলা হয়েছে: ‘স্বাভাবিকভাবে জন্ম নেয়া মার্কিন নাগরিক কিংবা জন্মস্থান সূত্রে মার্কিন নাগরিক ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট পদের যোগ্য হবেন না।’

মেলানিয়া আমেরিকার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেননি এবং তার বাবা-মা আমেরিকান নাগরিক ছিলেন না। সুতরাং এর অর্থ হচ্ছে- তিনি জন্মগতভাবে আমেরিকান নাগরিক নন। যেটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য প্রধান রিকোয়ারমেন্ট।

তিনি স্লোভেনিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০০৬ সালে মার্কিন নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন।

তবে, তিনি আবারো মার্কিন ফার্স্ট লেডি হতে পারেন। এজন্য অবশ্য ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার প্রথম মেয়াদ শেষ করে ফের নির্বাচনে জয় লাভ করতে হবে।

তার স্বামী সফলভাবে প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে মেলানিয়া সম্পর্কে খুব বেশি কেউ জানত না। তবে, একটি কমন বিষয় হচ্ছে তার ভাষাগত দক্ষতা।

মেলানিয়া পাঁচটি ভাষা কথা বলতে পারেন। তার স্বদেশীয় স্লোভেনিয়ান ভাষা ছাড়াও মেলানিয়া স্পষ্টতই ইংরেজিতে অনর্গল কথা বলতে পারেন।

এই তালিকায় আরেকটি ভাষা হচ্ছে ফ্রেঞ্চ। গত গ্রীষ্মে প্যারিসের একটি হাসপাতাল সফরের সময় শিশুদের সঙ্গে তাকে ফ্রেঞ্চ ভাষায় কথা বলতে দেখা গেছে।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। মেলানিয়া জার্মান, ইটালিয়ান এবং সার্ব-ক্রোনিশিয়ান ভাষাতেও বলতে পারেন বলে গুজব রয়েছে।

গত বছর জার্মানিতে অনুষ্ঠেয় জি-২০ সম্মেলনের ডিনার পার্টিতে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পাশে বসে ছিলেন এবং উভয়কেই হাস্যজ্বল ও প্রাণবন্ত ভঙ্গিতে কথোপকথন উপভোগ করতে দেখা গেছে।

পুতিন সাধারণত জার্মান ভাষায় কথা বলেন। সুতরাং, ব্যাপকভাবে অনুমান করা হচ্ছে যে তারা এই ভাষাতেই কথোপকথন করেছিল।

মেলানিয়াকে নিয়ে আরেকটি ব্যাপক আগ্রহের বিষয় হচ্ছে- তার এনগেজমেন্ট রিং।

এটি নিয়ে এখন বিভ্রান্তি শুরু হয়েছে যে, এজন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আসলে কত অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। ট্রাম্প মূলত দাবি করেন যে তিনি একটি উদার ডিসকাউন্ট পেয়েছেন। কিন্তু রিংটির নির্মাতা গ্রেফ ট্রাম্পের এই দাবীকে অস্বীকার করেছেন।

সূত্র: সিডনি এক্সপ্রেস

মন্তব্য

মতামত দিন

মূল প্রতিবেদন পাতার আরো খবর

যুক্তরাজ্যের চরমপন্থীবিরোধী অভিযানের নেতৃত্বে মুসলিম ক্যাম্পেইনার সারা খান

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনলন্ডন: যুক্তরাজ্যে চরমপন্থীদের মোকাবেলা করার জন্য গঠিত একটি নতুন কমিশনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য দে . . . বিস্তারিত

কেমন চলছে বাংলাদেশে নারী লেখকদের বই?

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: অমর একুশে গ্রন্থমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে একটি স্টলে বই দেখছিলেন একজন নারী। কথা প্রসঙ্গে জ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com