ব্রেকিং সংবাদ: |
  • হঠাৎ কেঁপে উঠলো সিলেট, ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প
  • টরোন্টোয় গাড়িচাপায় প্রাণ গেল ১০ পথচারীর, ট্রুডোর সান্ত্বনা
  • পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ারকে তারেক রহমানের লিগ্যাল নোটিশ
  • ‘তারেক বর্তমানে বাংলাদেশের নাগরিক নন’
  • কাবুলে ভোটার নিবন্ধনকেন্দ্রে হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৩
  • ২৫ বছরের যুদ্ধে সোয়া কোটি মুসলিম নিহত, যা একটি বিশ্বযুদ্ধের সমান ক্ষয়ক্ষতি
  • খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সপ্তাহব্যাপী বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
  • ত্রিভুবন বিমানবন্দরের গাফিলতিই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী: ইউএস-বাংলা
  • যে শর্তে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে বিএনপিকে ছাড় দিল জামায়াত

খাবারের সাথে মন–মেজাজ খারাপের সম্পর্ক কতটুকু

১১ মার্চ,২০১৮

খাবার মন–মেজাজ খারাপের সাথেও যুক্ত!

নিউজ ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: খাবারের সঙ্গে মন–মেজাজ বা মুড ওঠানামার কোনো সম্পর্ক আছে কি? কিছু খাবার আপনার মেজাজ বা রাগ, আবেগ বাড়িয়ে দিতে পারে। আবার কিছু খাবার আছে যা আপনাকে শান্ত করে। আসুন, দেখি এগুলো কী?

চিনি: যখন কোনো কারণে রক্তে শর্করা কমে যায়, মানে চিনির স্তর নিচের দিকে নেমে আসে, তখন আমাদের মেজাজ গরম হয়ে যেতে পারে। রাগ হতে পারে। আমরা খিটখিটে আচরণ করতে পারি। খিদে লাগলে অনেক শিশু চিৎকার–চেঁচামেচি জুড়ে দেয়। অনেকে মারামারি করে। আবার আকস্মিক এক গাদা চিনিযুক্ত খাবার খেয়ে ফেললে সঙ্গে সঙ্গেই শরীরে অনেকখানি ইনসুলিন উৎপন্ন হয়। এই চিনি শোষণ ও ব্যবহার হয়ে যায় সহজেই। কিন্তু ইনসুলিনের প্রভাবে খিদে অনুভূতি, মেজাজ খারাপ লাগা, আবেগ, ক্রোধ বেশি হওয়া চলতেই থাকে। এ জন্য শর্করা খেতে হবে এমন, যা দ্রুত রক্তে চিনি বাড়ায় না। চিনিযুক্ত পানীয়, কোমল পানীয়, জুস, মিষ্টি খাবারের পর অতিরিক্ত ইনসুলিন তৈরি হয় এবং পরে সমস্যা হয়। আবার শস্যজাতীয় খাবার থেকে শর্করা আহরণ করলে তা সহজে চিনি বাড়ায় না, ধীরে রক্তেমেশে ও ধীরে ইনসুলিন উৎপাদন করে।

ওমেগা ৩: ওমেগা ৩ চর্বিযুক্ত খাবার মন–মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করতে ও উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। মস্তিষ্কের কিছু নিউরোট্রান্সমিটারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এটি। ওমেগা ৩ আছে সামুদ্রিক মাছ, বাদাম ইত্যাদিতে।

ভিটামিন: ভিটামিন বি যুক্ত খাবার রক্তে সেরোটোনিনের মাত্রা বাড়ায়। আর সেরোটোনিনের মাত্রা কমে গেলে বিষণ্নতা বা ডিপ্রেশনে পেয়ে বসে। তাই বলা হচ্ছে, বিষণ্নতা কমাতে সাহায্য করতে পারে এই ভিটামিন বি।

প্রোবায়োটিক: কিছু খাবার অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করে। এদের বলে প্রোবায়োটিক। অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া মস্তিষ্কে বিষণ্নতা সৃষ্টিকারী রাসায়নিককে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। টক দই একটি ভালো প্রোবায়োটিক।

এছাড়া পুষ্টিকর ফলের মধ্যে কলা অন্যতম। কলা যে শুধু হৃদযন্ত্রই সুস্থ রাখে তা নয়। প্রতিদিন এই কলা খেলে আছে আরও উপকারিতা। যেমন পুষ্টির ঘাটতি দূর করে। কলা আমাদের দেশের সবচেয়ে সহজলভ্য ফল। যা সাড়া বছরই পাওয়া যায়। যেখানে সব বয়সের মানুষকেই বৃটিশ এবং ইতালিয়ান গবেষকরা দিনে অন্তত তিনটি করে কলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

গবেষকরা জানান, দেহে সঠিক মাত্রার পটাসিয়াম নিশ্চিত করা গেলে কমে যায় স্ট্রোকের ঝুঁকি, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ নিশ্চিত করতে দেহে পটাসিয়ামের উপস্থিতি জরুরী। একটি কলায় প্রায় ৫০০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম থাকে। আর মানবদেহে প্রতিদিন ১৬০০ মিলিগ্রাম পটাসিয়ামের যোগান দেয়া গেলেই স্ট্রোকের হাত থেকে বছরে বেঁচে যেতে পারে ১০ লাখ মানুষ।

গবেষকদের পরামর্শ অনুযায়ী, সকালের নাস্তায়, দুপুরে খাবারের পর এবং সন্ধ্যা চা কিংবা ভাজা-পোড়া খাবারের বদলে একটি করে কলা খেলে দেহে পটাসিয়ামের কোনো ঘাটতি থাকবে না। আর দেহে পটাসিয়ামের ঘাটতি না থাকলে স্ট্রোকের শিকার হয়ে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে প্রাণ হারাতে হবে না কাউকে।তাছাড়া কিডনী সমস্যা,আলসার,অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমায়।
ডা. মৌসুমী মরিয়ম সুলতানা
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

মন্তব্য

মতামত দিন

জীবন পাতার আরো খবর

অভিনব এক চিকিৎসা পদ্ধতি, মল প্রতিস্থাপন?

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনওয়াশিংটন: ইংরেজিতে এর নাম দেয়া হয়েছে ট্রান্স-পু-শন, এবং একে নিশ্চিতভাবেই বলা যেতে পারে ডাক্তারি-বিদ্ . . . বিস্তারিত

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বটগাছকে স্যালাইন দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনহায়দারাবাদ: ভারতের ৭০০ বছরের বেশি প্রাচীন একটি বটগাছ বর্তমানে পোকার আক্রমণে হুমকির মুখে পড়েছে। . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com