পুরুষের প্রোস্টেট ক্যান্সার ঝুঁকি এবং এ থেকে বাঁচার উপায়

১২ সেপ্টেম্বর,২০১৮

পুরুষের প্রোস্টেট ক্যান্সার ঝুঁকি এবং এ থেকে বাঁচার উপায়

প্রফেসর চেন হরিন: আজ আমরা আপনাদের প্রোস্টেট গ্রন্থি নিয়ে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানাবো। এই ব্যাপারটিকে ভুলভাবে দেখা হয়ে থাকে। প্রোস্টেট গ্রন্থি কি শুধুমাত্র পুরুষদেরই থেকে থাকে? হ্যাঁ, এটি শুধুমাত্র পুরুষদেরই থাকে এবং যেসব পুরুষের বয়স চল্লিশের বেশী তারা প্রোস্টেট গ্রন্থির রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। অনেক মহিলাই হয়ত জানেন না যে, তাদের পিতা, চাচা, ভাই, পুত্র বা তাদের সহকর্মী পুরুষরা প্রোস্টেট গ্রন্থির রোগে আক্রান্ত। আরটিএনএনের পাঠকেদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি সাবলীল ভাষায় তুলে ধরা হলো-

আজকের আলোচনায় আমরা তিনটি বিষয়ে আলোচনা করব। সেগুলো হচ্ছে:
১। তথ্য
২। নিশ্চয়তা
৩। রোগ মুক্তির উপায়।

তাহলে প্রোস্টেট গ্রন্থির স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ইতিহাস দিয়ে শুরু করা যাক।

সকলেরই এক জোড়া কিডনি রয়েছে। কিডনির কাজ হচ্ছে আমাদের শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় বস্তুগুলোকে বের করে দেয়া। এটিকে LAWMA বা বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও বলা যেতে পারে। প্রতিদিনই আপনার কিডনি আপনার রক্ত পরিষ্কার করে যাচ্ছে। কিডনি রক্ত পরিষ্কার করার পাশাপাশি শরীরের অপ্রয়োজনীয় পানীয়কে মূত্রে পরিণত করে এবং এগুলোকে ব্লাডার নামক একটু অস্থায়ী কেন্দ্রে রাখা হয়।

যদি কোনো মূত্র থলি বা ব্লাডার না থাকত তবে একজন পুরুষ হাঁটার সময় তার মূত্র রাস্তায় গড়িয়ে পড়ে যেত।

এখন আপনার ঘরের পয়-নিষ্কাশন ব্যবস্থা সম্পর্কে কল্পনা করুন। মূত্র থলিকে বা ব্লাডারকে পানি সংরক্ষণ করার একটি ট্যাঙ্ক হিসেবে চিন্তা করুন। এই ট্যাঙ্ক থেকে পানি ঘরের বিভিন্ন অংশে পৌছাতে সক্ষম। সৃষ্টিকর্তা তার জ্ঞান দ্বারা আমাদেরকে এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন যাতে করে ব্লাডার থেকে মূত্র একটি পাইপের মাধ্যমে আমাদের পুংলিঙ্গে এসে পৌছায়। এই পাইপটিকে ইউরেথ্রা বলা হয়। ব্লাডারের কিছুটা নিচে এই ইউরেথ্রা অবস্থিত যাকে প্রোস্টেট গ্লান্ডও বলা হয়।

এই প্রোস্টেট গ্লান্ডটি ওজনে ২০ গ্রামের হয়ে থাকে। এর কাজ হচ্ছে বীর্যের তরলতা তৈরী করা এবং সংরক্ষণ করা। যৌনসংগমের সময় এই তরল ইউরেথ্রাতে পৌছায় এবং সেখানে এগুলো শুক্রাণুর সাথে একত্রিত হয়ে মূল বীর্য তৈরি করে। সুতারাং বীর্যকে শুক্রাণু বলা চলে না। শুক্রাণু ও বীর্যের তরল একত্রিত হয়ে মূল বীর্য তৈরী হয়।

একজন পুরুষের বয়স ৪০ হওয়ার সাথে সাথে তার প্রোস্টেট গ্লান্ড বড় হতে থাকে। এটি হরমোনের প্রভাবে হয়ে থাকে। ২০ গ্রাম ওজন থেকে এটি প্রায় ১০০ গ্রাম ওজনে পৌছাতে পারে। এটি বড় হওয়ার সাথে সাথে ইউরেথ্রাতে চাপ সৃষ্টি হয় এবং একজন পুরুষ তখন তার মূত্র জটিলতার বিষয়ে প্রথম বুঝতে পারে।

যদি আপনার ১০ বছর বয়সী কোনো পুত্র থেকে থাকে, সে হয়ত কিছু ইচ্ছাকৃত দুষ্টুমি করতে পারে যা আমরা সকলে ওই বয়সে করে থাকি আর তা হচ্ছে, সে হয়ত মূত্র ত্যাগ করতে গিয়ে ঘরের চালকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে। তবে আপনি এখন তার পিতাকে একই কাজ করতে বলুন। তখন দেখবেন তার মূত্রের গতি খুব কম এবং তার মূত্র হয়ত খুব কম দূরত্বে গিয়ে পড়বে।

প্রান্তিক ক্ষরণ
অনেক চল্লিশোর্ধ পুরুষই মূত্র ত্যাগ করার পরে লক্ষ্য করেন যে, মূত্র ত্যাগ করা শেষ হওয়ার পরেও ফোঁটা ফোঁটা মূত্র এখনো ঝরে পড়ছে। একজন তরুণ পুরুষ সাধারণত শেষ ফোঁটা পর্যন্ত মূত্র ত্যাগ করতে পারেন।

দ্বিধা-দ্বন্দ্ব
চল্লিশোর্ধ বয়স্ক পুরুষকে মূত্র ত্যাগ করার পূর্বে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়। কারণ এ সময় মূত্র ত্যাগ করার জন্য শরীরের দুটি প্রয়োজনীয় ভাল্বকে খুলে যেতে হয়। এগুলোর একটি অভ্যন্তরীণ আর অন্যটি বহিরাবরণে থাকে। এদেরকে ইংরেজিতে sphincters ও বলা হয়। বয়স্ক পুরুষকে মূত্র ত্যাগ করতে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় কারণ এ-দুটো ভাল্বের প্রত্যেকটিকে শরীর বৃত্তীয় ভাবে খুলতে হয়।

পরিপূর্ণ মূত্র ত্যাগ না হওয়া
বয়স্ক পুরুষ হিসেবে আপনি মূত্র ত্যাগ করার পরেও এই অনুভব হতে পারে যে, আপনি পুরোপুরি মূত্র ত্যাগ করেননি।

এসব কিছু ঘটে কারণ ইউরেথ্রা সংকুচিত হওয়ার ফলে ব্লাডারকে তার নিজস্ব কাজ করতে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। এই বয়সে অনেকেরই Nocturia হতে পারে যাকে রাত্রিতে ঘন ঘন মূত্র ত্যাগের জন্য জেগে উঠাও বলা হয়ে থাকে। আপনি হয়ত ঘুমানোর পরে অন্তত দুইবার জেগে উঠতে পারেন। এ নিয়ে আপনার স্ত্রী হয়ত আপনাকে রাগ দেখাতে পারে।

পুরুষ আসলে পুরুষই এবং তারা এই সমস্যাটিকে হয়ত অন্যদের সাথে ভাগাভাগি করতে রাজি হয়না। তবে এর পরে আরো জটিল সমস্যার শুরু হতে পারে।

ঠিক মত মূত্র ত্যাগ না হওয়াতে জমে থাকা মূত্রের ফলে এটি শরীরকে আক্রান্ত করতে পারে এবং কিছু সময় পর পরে মূত্র ত্যাগ করতে হবে এরকম জ্বালাতন মূলক অনুভূতি হতে পারে।

জমে থাকা মূত্র ক্রিস্টালে(একধরনের পাথর) রূপান্তরিত হতে পারে। অনেকগুলো ক্রিস্টাল একসাথে হয়ে ব্লাডার বা কিডনিতে পাথর তৈরী করতে পারে। এমনকি ইউরেথ্রাতে বাঁধা সৃষ্টি বা ব্লক তৈরী করতে পারে।

এ অবস্থা ধীরে ধীরে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। তখন ব্লাডার আরো অধিক পরিমাণে মূত্র ধরে রাখতে পারে। ব্লাডার তখন একটি কোকাকোলার বোতলের সমপরিমাণ মূত্র ধরে রাখতে সক্ষম হয়। অতিরিক্ত মূত্র সংরক্ষণ করার ফলে অনেক সময় ব্লাডারে ছিদ্র তৈরী হতে পারে এবং এটি কাজ করতে অক্ষম হয়ে পড়ে। তবে অনেক সময় অতিরিক্ত মূত্রের চাপ কিডনিতে পড়তে পারে এবং এর ফলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

পুরুষরা তখনই হাসপাতালে যায় যখন কোনো এক রাতে মূত্র ত্যাগের জন্য উঠে দেখতে পায় যে, তিনি আর মূত্র ত্যাগ করতে পরছেন না।

উপরে যে সব বর্ণনা দেয়া হয়েছে তার সবগুলোই প্রোস্টেট গ্রন্থির বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত এবং একে মেডিকেলের ভাষায় প্রোস্টেট হাইপারপ্লাসিয়া বলা হয়।

প্রোস্টেট গ্রন্থিতে আরো অনেক ধরনের রোগ হতে পারে, যেমন-
১। প্রোস্টাটিটিস (প্রোস্টেট গ্লান্ডের এক প্রকার রোগ): প্রোস্টেট গ্রন্থিতে জ্বালা বা প্রদাহ মূলক রোগ।
২। প্রোস্টেট ক্যান্সার: এর ফলে প্রোস্টেট গ্রন্থিতে ক্যান্সার হতে পারে।

নিচে প্রোস্টেট গ্রন্থির বড় হওয়ার কিছু কারণ নিয়ে আলোচনা করা হলোঃ

এখানে খারাপ এবং ভালো দুধরনের খবর রয়েছে।

খারাপ খবর হচ্ছে, একজন পুরুষ যতদিন বেঁচে থাকে ততদিন তার প্রোস্টেট গ্রন্থি বড় হতে থাকে।
আর ভালো খবর হচ্ছে, যদি জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন করা হয় তবে একজন পুরুষ ৪০ বছর বয়স হওয়া স্বত্বেও তার প্রোস্টেট গ্রন্থির স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে পারে।

প্রোস্টেট গ্রন্থির স্বাস্থের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি-
আপনি যা খাচ্ছেন তার দিকে নজর দিন। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ক্যান্সার ইনিস্টিটিউটের করা এক গবেষণায় দেখা যায় যে, ৩৩ শতাংশ মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় তাদের খাদ্যাভ্যাসের কারণে।

প্রতিদিন লাল মাংস খেলে প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি তিন গুণ বেড়ে যায়। প্রতিদিন দুধ পান করলে এই ঝুঁকি দ্বিগুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। প্রতিদিন যদি কিছু না কিছু ফল-মূল বা শাকসবজি খাওয়া না হয় তাহলেও প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়।

পুরুষদের স্বাস্থ্যের জন্য টমেটো অত্যন্ত উপকারী। যদি আপনার স্ত্রী প্রতিদিন সকালের নাস্তায় আপনাকে শুধুমাত্র একটি টমেটোও দেয় তবে খুশি মনে তা লুফে নিন। টমেটো Lycopene নামের প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ঠাসা থাকে।

জিংক সমৃদ্ধ খাবার পুরুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আপনি প্রতিদিন মিষ্টি কুমড়ার বিচিও খেতে পারেন।

জিংক সমৃদ্ধ খাবার যৌনতা এবং যৌন স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

একজন নারীর চাইতে একজন পুরুষের বেশী মাত্রায় জিংক প্রয়োজন। প্রত্যেকবার যৌন ক্রিয়ার পরে একজন পুরুষ প্রায় ১৫ গ্রাম জিংক হারায়। সুতরাং প্রতিদিন আপনার জিংক সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।

অ্যালকোহল খাওয়া কমিয়ে দিন
প্রোস্টেট ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থেকে বাঁচতে আপনাকে অবশ্যই অ্যালকোহল খাওয়া কমাতে হবে।

নিয়মিত ব্যায়াম
নিয়মিত ব্যায়াম করার ফলে আমাদের শরীরের পেশীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে। তাই প্রত্যেক পুরুষের প্রতিদিন ব্যায়াম করা উচিত। তবে চল্লিশোর্ধ পুরুষদের উচিত বেশী পরিশ্রমের ব্যায়াম যেমন জগিং করা থেকে এড়িয়ে চলা। সাইকেল চালানো যদিও ভালো তবে এটি প্রোস্টেট গ্রন্থির জন্য ক্ষতিকর। এর চাইতে বরং নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

বসে থাকা
যেসব পুরুষ দীর্ঘক্ষণ বসে থাকেন তারা প্রোস্টেট গ্রন্থির বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যান। তাই দীর্ঘ সময়ের জন্য বসে থাকবেন না। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হলে কিছু সময় পর পর হাটা হাটি করুন।

পোষাক পরিচ্ছদ
পুরুষদের উচিত আঁটসাঁট অন্তর্বাস পরিধান করা এড়িয়ে চলা। প্রোস্টেট গ্রন্থির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে এর ৩৩ থেকে ৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রার প্রয়োজন এর বেশী নয়। বক্সার টাইপের অন্তর্বাস পরিধান করতে চেষ্টা করুন।

ধূমপান
ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করুন। কেননা ধূমপান করলে শরীরের গ্রোয়িন(দুপায়ের সংযোগস্থল) নামক অঙ্গে রক্তসঞ্চালন বাঁধাগ্রস্থ হয়।

যৌন-ক্রিয়া
নিয়মিত যৌন-ক্রিয়া প্রোস্টেট গ্রন্থির স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। প্রোস্টেট গ্রন্থির নিয়মিত নাড়াচাড়া এর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। প্রাকৃতিক ভাবেই নিয়মিত প্রোস্টেট গ্রন্থিতে জমা হওয়া উপাদানকে খালি করে ফেলা শরীরের জন্য উপকারী।

কিছু খাবার ক্যান্সার প্রতিরোধে খুবই উপকারী, যেমন-

প্রফেসর চেন হরিন যিনি বেইজিং মিলিটারি হাসপাতালের প্রধান হিসাবে কর্মরত আছেন, তিনি বলেন, ‘এক গ্লাস গরম পানিতে এক টুকরো লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে হয়ত এটি আপনাকে সারা জীবনের জন্য রক্ষা করতে পারে।’

গরম লেবুর রস ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস করেত ওস্তাদ।

একটি লেবুকে তিন টুকরো করে এক কাপ গরম পানিতে ছেড়ে দিন এবং এভাবে প্রতিদিন পান করুন আপনি অবশ্যই উপকার পাবেন।

গরম লেবুর রস ক্যান্সারের টিউমারের বিরুদ্ধে কার্যকরী। এটি যেকোনো ধরণের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে দারুণ কাজ করে।

গরম লেবুর রস আপনার শরীরের স্বাস্থ্যকর কোষগুলোকে এড়িয়ে শুধুমাত্র আক্রান্ত কোষগুলোর বিরুদ্ধে কাজ করবে।

Treatment with this extract will only destroy the malignant cells and will
not affect healthy cells.

লেবুর রসে থাকা mono-carboxylic নামক এসিড হাইপার টেনশন দূর করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এটি রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে প্রতিরোধ করে।

পরামর্শ: যেসব ব্যক্তি প্রফেসর চেন হরিনের এই নিবন্ধটি পড়বেন তাদের প্রতি অন্যদের উপকার করার মানসে এই অনুচ্ছেদটি সকলের কাছে ছড়িয়ে দিতে আহ্বান জানানো হলো।

শেষে যে কথা না বললেই নয় তা হচ্ছে আমরা আমাদের কাজ করেছি এবার আপনার পালা....

মন্তব্য

মতামত দিন

মতামত পাতার আরো খবর

রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে কঠোর অবস্থান নেবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকটকে গুরুত্ব দেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এছাড় . . . বিস্তারিত

রোহিঙ্গা শিশুরা উপযুক্ত শিক্ষা পাচ্ছে না: ইউনিসেফ

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: মায়ানমারে ও বাংলাদেশে লাখ লাখ রোহিঙ্গা শিশু উপযুক্ত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসং . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com