‘কমিটির প্রতিবেদন মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী, কোটা বাতিল হলেই আন্দোলন’

২৪ সেপ্টেম্বর,২০১৮

‘কমিটির প্রতিবেদন মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী, কোটা বাতিল হলেই আন্দোলন’

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: কোটা পর্যালোচনা কমিটির প্রতিবেদনকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বলে উল্লেখ করে, সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড নামে একটি সংগঠন।

সোমবার দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছাড়া অন্যান্য কোটার ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের অবস্থান জানতে চাইলে তারা অন্যান্য কোটাও বহাল রাখার পক্ষে বলে জানান। কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রসঙ্গে তারা জানান, তারা কখনো হামলা করেননি হামলা ঠেকিয়েছেন।

আল মামুন বলেন, ‘প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে কোটা বাতিলের সুপারিশ বাতিলের দাবিতে সংগঠনের পক্ষে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি দিব। একই দাবিতে শাহবাগ চত্বরে মহাসমাবেশ করা হবে।’

আল মামুন বলেন, ‘কোটা বাতিল করতে হলে সব শ্রেণির চাকরিতে করতে হবে আর কোটা বহাল রাখতে হলেও সব শ্রেণির চাকরিতে রাখতে হবে। সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের যে সুপারিশ করা হয়েছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই প্রতিবেদন মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী। এই ধরনের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদের অপমান করা হয়েছে।’

মামুন আরো বলেন, ‘তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির চাকরিতে কোটা থাকবে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকবে না, সমাজে কোটার প্রয়োজন নেই- মন্ত্রীপরিষদ সচিবের এই ধরনের বক্তব্য আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, কমিটি যে প্রতিবেদন দিয়েছে তা কোনো কোটা সুবিধাভোগীদের সাথে কথা না বলে তাদের মনগড়া প্রতিবেদন দিয়েছে যা সংবিধানবিরোধী। কোটা সুবিধার প্রয়োজনীয়তা রাষ্ট্রে এখনো শেষ হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাস্তবায়ন করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।

সংবাদ সম্মেলনে কোটা বাতিলের সুপারিশ বাতিলসহ চারদফা দাবি জানানো হয়। এগুলো হলো, ৩০ শতাংশ কোটার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য বিসিএসসহ সব চাকরি পরীক্ষায় প্রিলিমিনারি থেকে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাস্তবায়ন করা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও তাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া এবং প্রধানমন্ত্রী ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে কটূক্তিকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া।

মন্তব্য

মতামত দিন

শিক্ষাঙ্গন পাতার আরো খবর

বাংলাদেশে কোচিং নির্ভরতা কেন এ পর্যায়?

ডেস্ক নিউজআরটিএনএনঢাকা: যেহেতু আমরা দুজনেই কর্মজীবী, সেজন্য আমরা বাচ্চাদের বাসায় সময় দিতে পারি না। যদি সময় দিতে পারতা . . . বিস্তারিত

নবাগতদের র‌্যাগিং: বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি’র ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধিআরটিএনএনগোপালগঞ্জ: নবাগত দুই  শিক্ষার্থীকে র‌্যাগিংয়ের ঘটনায় গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com