জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, আটক ১২

১৪ নভেম্বর,২০১৭

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, আটক ১২

নিজস্ব প্রতিনিধি
আরটিএনএন
জাবি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করার অভিযোগে ৪ শিক্ষার্থীকে পুলিশে দিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
 
সাক্ষাৎকার গ্রহণের শেষ দিনে শিক্ষার্থীদের  লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের সাথে হাতের লেখার মিল না পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদেকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় বলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা নিশ্চিত করেছেন।

প্রক্টর অফিস সূত্রে আরো  জানা যায়, এ বছর প্রতি আসনের বিপরীতে লড়েছিল ১৫০ শিক্ষার্থী। তুমুল প্রতিযোগিতায় মেধার লড়াইয়ে না গিয়ে অসদুপায় অবলম্বন করে অনেকেই। এই নিয়ে ভাইভাতে ৩ দিনে আটক হল মোট ১২ শিক্ষার্থী।

এর আগে রবিবার প্রথম দিন ৪ জন ও দ্বিতীয় দিন সোমবারও ৪ আটক হন। তাদের সবার বিরুদ্ধে অভিযোগ ভর্তি পরীক্ষায় টাকার বিনিমেয় অন্য আরেকজন দিয়ে জালিয়াতি করে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়।

এব্যাপারে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অফিস সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ‘সি’ ইউনিটের ভাইভা দিতে এসে আটক হওয়া চার শিক্ষার্থী হল, নাটোরের লালপুর থানার আবু বক্কর সিদ্দীকের ছেলে আবু রায়হান (মেধা তালিকায় ১৩ তম),  মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার আহমেদ আলীর ছেলে রাকিব হোসেন (মেধা তালিকায় ৫৮ তম), ময়মনসিংহের চরভিলা গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে ইয়াসীন আরাফাত (মেধা তালিকায় ৫ম) এবং গাজীপুরের শ্রীপুরের শেখ কামাল উদ্দীনের ছেলে শেখ পারভেজ আহমেদ (মেধা তালিকায়  ১৫৫তম)।
 
এর আগে সোমবার আটককৃত শিক্ষার্থীরা হলেন, গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থানার হারুনুর রশিদের ছেলে মাহমুদুল রশিদ সৌরভ ‘ই’ ইউনিটে ১৫২তম হয়। নীলফামারি জেলার সৈয়দপুর থানার মুন্সীপাড়া গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে নিশাদ আহমেদ, সে আইন ও বিচার বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় ৪৭ তম হয়। নীলফামারি জেলার সৈয়দপুর থানার হাতিখানা গ্রামের আশেকুর রহমানের ছেলে নাঈমুর রহমান ‘ই’ ইউনিটে ১২৭তম হয়।  যশোরের ঝিকরগাছা থানার বাকুড়ার আবুল কাশেমের ছেলে আশরাফুজ্জামান নয়ন ‘সি’ ইউনিটে ১৭তম স্থান লাভ করে।

অন্যদিকে রবিবার আটককৃত শিক্ষার্থীরা হলেন, ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জের হারেছ মিয়ার ছেলে অমিত হাসান। সে ‘এইচ’ ইউনিটে ১১তম স্থান লাভ করে। আদমদিঘি উপজেলার তহিদুল ইসলামের ছেলে মাহবুব হোসেন। সে ‘ই’ ইউনিটে  ৩য় স্থান লাভ করেন। ময়মনসিংহ জেলার সদর থানার হাফেজ আব্দুল মান্নানের ছেলে ইমাম হোসেন। তিনি ‘এফ’ ইউনিটে  ৩য় স্থান লাভ করেন।
 
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা বলেন, শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করে চান্স পেয়েছে। তাই তাদেরকে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। এ পর্যন্ত মোট ১২ জনকে পুলিশে দেওয়ার কথা জানান তিনি।

আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক রাকিবুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি চেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে তাদেরকে আটক করা হয়েছে। থানায় নিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য

মতামত দিন

শিক্ষাঙ্গন পাতার আরো খবর

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ঢাকা থেকে উদ্ধার

রাবি প্রতিবেদকআরটিএনএনরাজশাহী: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে হলের সামনে থেকে  তুলে নিয়ে যাওয়া ছাত্রীকে ঢাকা থেকে উদ্ধার ক . . . বিস্তারিত

অপহৃত রাবি ছাত্রীর সাবেক শ্বশুর গ্রেপ্তার

রাবি প্রতিবেদকআরটিএনএনরাজশাহী: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আবাসিক হলের সামনে থেকে ছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় ওই ছাত্রীর & . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান, গোলাম রসুল প্লাজা (তৃতীয় তলা), ৪০৪ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com