রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় সাইকেল আরোহী নিহত

১২ ফেব্রুয়ারি,২০১৮

সড়ক দুর্ঘটনা ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: রাজধানী ঢাকার রামপুরায় বাসের ধাক্কায় সোলেমান হোসেন মজনু (৩২) নামে সাইকেলের এক নিহত হয়েছেন। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি, প্রথম প্রহর) রাত ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মজনু পেশায় গাড়ি চালক ছিলেন।

রামপুরা থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) হানিফ উদ্দিন আরটিএনএনকে জানান, রাতে মিরপুর থেকে বাইসাইকেলে করে খিলগাঁওয়ের গোড়ান এলাকায় ফিরছিলেন মজনু। পথে রামপুরা টিভি সেন্টার এলাকায় এলে মালিবাগ থেকে বাড্ডাগামী একটি বাস তাকে ধাক্কায় দেয়।

এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

রামপুরায় নিহত দুই শিশুও হত্যার শিকার?
ঢাকা: রাজধানীর রামপুরার বনশ্রীতে রহস্যজনকভাবে নিহত দুই ভাইবোন-নুসরাত আমান অরনী (১২) ও আলভী আমানকে (৬) হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসকেরা। দুটি লাশের ময়নাতদন্ত শেষে তারা এই তথ্য জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার ময়না তদন্ত শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক ডা. প্রদীপ বিশ্বাস জানান, দুই শিশুর শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, শিশু আলভী আমানের পায়ে ও গলায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তার বড় বোন নুসরাত আমান অরনীর চোখে রক্ত জমাট, গলায় ও ডান হাতে আঘাতের রয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, এ আঘাতের কারণে তাদের মৃত্যু হতে পারে।

ডা. প্রদীপ জানান, তাদের ভিসেরা সংগ্রহ করে মহাখালীতে পাঠানো হবে। সম্পূর্ণ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরে বিস্তারিত বলা যাবে।

তবে লাশের ময়নাতদন্ত করেছেন এমন একজন চিকিৎসক নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, দুটি শিশুর জিহ্বা কামড়রত অবস্থায় ছিল। সাধারণত কাউকে গলা টিপে হত্যা করলে জিহ্বা কামড়রত থাকে। তা ছাড়া দুটি শিশুর চোখেও রক্ত জমাট বাঁধা অবস্থায় ছিল।

বনশ্রী বি ব্লকের ৪ নম্বর রোডের ৯ নম্বর বাসায় সোমবার সন্ধ্যায় মৃত্যু হয় অরনী ও আলভীর। তারা গার্মেন্টস ব্যবসায়ী আমানউল্লাহ আমান ও গৃহিণী জেসমিন আক্তার দম্পতির সন্তান।

স্বজনেরা জানান, রবিবার রাতে পরিবারটি বাইরে থেকে চায়নিজ খাবার নিয়ে আসে। সোমবার দুপুরে বাবার নিয়ে আসা ওই চায়নিজ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে দুই ভাই-বোন অরনী ও আলভী। কিন্তু সন্ধ্যায় দীর্ঘ সময় ডাকার পরও না জাগায় অচেতন অবস্থায় তাদের ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

অরনী ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৭ম শ্রেণি এবং তার ভাই আলভী হলি ক্রিসেন্ট স্কুলের নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

সম্প্রতি দেশে উদ্বেগজনকহারে শিশু হত্যা বেড়ে যাওয়ার মধ্যেই এ দুটো শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। একটি মানবাধিকার সংস্থা জানিয়েছে, গত দেড় মাসে সারাদেশে অন্তত ৪৫ শিশু খুন হয়েছে।

এদিকে অরনী ও অালভীর পরিবারের সদস্যরা জানান, ময়নাতদন্ত শেষে দুই শিশুর লাশ জামালপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে গ্রামের বাড়িতে তাদের দাফন করা হবে।

রামপুরা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হয়নি।

তবে ‘কেন্ট’ নামে বনশ্রীর যে রেস্তোরাঁর খাবার তারা খেয়েছিল, তার ব্যবস্থাপক, এক কর্মচারী ও পাচককে সন্দেহভাজন হিসেবে ৫৪ ধারায় আটক করা হয়েছে বলে জানান ওসি।

মন্তব্য

মতামত দিন

মহানগর পাতার আরো খবর

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে প্রথম মামলা

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: দেশে আইন হওয়ার তিন দিনের মাথায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে প্রথম মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত . . . বিস্তারিত

নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দিল ‘জাবালে নূর’

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: বাসচাপায় নিহত শিক্ষার্থী আব্দুল করিম রাজিব ও দিয়া খানম মিমের পরিবারকে হাইকোর্টের নির্দেশ অ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com