এবার আইসিটি অ্যাক্টে মামলা করবেন ‘বনানীর ধর্ষিতা’

১৯ মে,২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

আরটিএনএন

ঢাকা: রাজধানীর বনানীর ‘দ্য রেইনট্রি’ হোটেলে ধর্ষণের ঘটনায় এবার আইসিটি অ্যাক্টে মামলা করবেন ভুক্তভোগী এক ছাত্রী।


দুই ছাত্রীর সঙ্গে ধর্ষণ মামলার প্রধান তিন আসামির অনেক ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এরমধ্যে প্রধান আসামি সাফাতের সঙ্গে এক ছাত্রীর আপত্তিকর ছবিও রয়েছে।


তবে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্যই ফেসবুকে ছবি পোস্ট করা হয়েছে বলে দাবি করে ওই ছাত্রী জানিয়েছেন, অনুমতি ছাড়া যারা আমার ছবি পোস্ট দিচ্ছেন তারা সম্মানহানির চেষ্টা করছেন। এ ঘটনায় আইনের সহায়তা চেয়ে আইসিটি অ্যাক্টে মামলা করবো।


শুক্রবার সকালে ওই ছাত্রী মামলা করার বিষয়টি জানান।


তিনি বলেন, একটা ছবি জোরপূর্বক তোলা হয়েছিল। পরে ফোন করে হুমকি দিয়ে বলা হয় যে তারা সেসব ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেবে।


তিনি আরো বলেন, এর বাইরে কিছু ছবি তারা ফটোশপের মাধ্যমে মাথা কেটে অ্যাডজাস্ট করে ফেসবুকে দিয়েছে। আর ক’টা ছবি আমাদের ফেসবুক থেকে নিয়ে কারসাজি করে দিয়েছে।


কে বা কারা করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি নিজেও জানি না ঠিক করা এ বাজে কাজগুলো করছে। তবে আমি যেসব পেজ ও ফেসবুক ওয়াল থেকে ছবিগুলো দেখতে পেয়েছি সেসবের তালিকা করেছি। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।


তিনি বলেন, আইসিটি অ্যাক্টে মামলা করবো। আইনের আশ্রয় নেবো। যে বা যারা এ ধরনের ছবি পোস্ট দিয়ে আমাদের সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে তাদের যেন শাস্তি হয় সেজন্যই মামলা করবো।


ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী আরো বলেন, মামলার পর সঠিক তদন্ত হলে ফেসবুকে কে বা কারা আপত্তিকর ছবি পোস্ট করেছে, ছবি কারা কোন স্বার্থে জোগান দিয়ে সহযোগিতা করেছে সবই বেরিয়ে আসবে।


প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ রাজধানীর বনানীর ‘দ্য রেইনট্রি’ হোটেলে সাফাত আহমেদ নামে এক বন্ধুর জন্মদিনে যোগ দিয়ে ধর্ষণের শিকার হন বলে অভিযোগ করেন ওই দুই ছাত্রী। সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধুদের যোগসাজশে অস্ত্রের মুখে তাদের ধর্ষণ করা হয় বলে দাবি করেন তারা।


ওই ঘটনার ৪০ দিন পর ৬ মে সন্ধ্যায় বনানী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন তারা।


এজাহারভুক্ত পাঁচ আসামি হলেন- সাফাত আহমেদ, সাদমান সাকিফ, নাঈম আশরাফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।


আসামিদের মধ্যে সাফাত ও সাদমান সিলেট থেকে ও গাড়িচালক বিল্লাল ও তার দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ গ্রেপ্তার হয় ঢাকায়।


সর্বশেষ মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে অভিযান চালিয়ে আবদুল হালিম ওরফে নাঈম আশরাফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ সদরের বিশেষ টিম ও ডিবি পুলিশের একটি দল।


বাদীদের ভাষ্য অনুযায়ী- সেদিন রাতে নাঈমের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি বিতর্কিত ছিল। গ্রেপ্তারের পর তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে ওমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন্সের তদন্ত কর্মকর্তারা। জিজ্ঞাসাবাদে নাঈম ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করে।

মন্তব্য

মতামত দিন

মহানগর পাতার আরো খবর

বনানীর দুই ছাত্রীর ছবি প্রকাশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক আরটিএনএন ঢাকা: রাজধানীর বনানীর ‘রেইন ট্রি’ হোটেলে ধর্ষণের শিকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দু . . . বিস্তারিত

ধর্ষক সাফাত ও সাদমানকে কারাগারে প্রেরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক আরটিএনএন ঢাকা: রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান, গোলাম রসুল প্লাজা (তৃতীয় তলা), ৪০৪ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com