সর্বশেষ সংবাদ: |
  • ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে আমাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো জানিয়েছি: ড. কামাল
  • দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন নিয়ে সুজনের সংশয়, বিতর্কিত নির্বাচন হলে দেশের তরুণরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে : বদিউল আলম মজুমদার
  • জিয়া অরফানেজ মামলায় রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল, সাজা স্থগিত ও জামিন চাওয়া হয়েছে, নির্বাচনে বাধা নেই : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
  • বিকল্পধারার চেয়ারম্যান ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলার বৈঠক চলছে
  • তারেক রহমানের ভিডিও কনফারেন্স বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিষয়

নিষেধাজ্ঞা সত্বেও শিক্ষকের বেত্রাঘাত আহত ছাত্র

০৪ নভেম্বর,২০১৮

নিষেধাজ্ঞা সত্বেও শিক্ষকের বেত্রাঘাত আহত ছাত্র

নিউজ ডেস্ক
আরটিএনএন
ঢাকা: নিষেধাজ্ঞা সত্বেও দক্ষিণাঞ্চলের জেলা খুলনার একটি স্কুলে একজন শিক্ষকের বেত্রাঘাতের কারণে একজন ছাত্র অসুস্থ হয়ওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় মিকশিমিল রুদাঘরা উচ্চ বিদ্যালয় ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র সৌমেন সাহা বেত্রাঘাতের পর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে ছাত্রটির পরিবার জানিয়েছে।

শনিবার বিকেল ৩টার দিকে বাংলার ক্লাস চলাকালীন এক পর্যায়ে ক্লাসের শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম ছাত্র সৌমেনকে বেত্রাঘাত করেন। এর এক পর্যায়ে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

সৌমেনের আত্মীয় রাহুল সাহা বলছেন, ‘সৌমেনের শরীরে অন্তত ৩০টি বেতের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’ ঐ ছাত্র বেশি অসুস্থ হয়ে পরলে রাতে তারা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

এদিকে ডুমুরিয়া স্বাস্থ্য কম্পেলেক্সর মেডিকেল অফিসার নীলাঞ্জন ঘোষ বলছেন, গতকাল রাতে সৌমেন নামে ঐ ছাত্র শরীরে অসংখ্য ক্ষতের চিহ্ন নিয়ে হাসপাতালে আসে। তাকে আমরা ব্যথা নাশক ওষুধ দিয়েছি, আজ সকালে ভালো বোধ করায় সে বাসায় ফিরে গেছে।

১৯৭৯ সালের শিক্ষক আচরণবিধিতে বাচ্চাদের মারধর না করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম এই ঘটনা স্বীকার করে বলেন, ‘ক্লাস চলার সময় সৌমেন বেশি দুষ্টুমি করছিলো তাই তাকে বেত্রাঘাত করতে আমি বাধ্য হয়েছিলাম’।

আচরণবিধি নিয়ে প্রশ্ন করলে ইসলাম জানান, সেই মুহূর্তে তিনি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন নি। তবে আনোয়ারুল ইসলাম বিষয়টি স্বীকার করলেও স্কুলের প্রধান শিক্ষক কালাম জোয়ারদার বেত দিয়ে মারার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

তিনি বলেন, ‘ঐ শিক্ষক হয়তো ছাত্রটিকে চর-থাপ্পড় মেরে থাকতে পারেন।’ ‘তবে আগামী ছয় তারিখ মঙ্গলবার স্কুলের একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে প্রকৃত ঘটনা কী হয়েছিল সেটা তদন্ত করে দেখা হবে,’ বলেন জোয়ারদার।

স্কুলে শিক্ষার্থীদের ওপর বেত্রাঘাত বা যে কোন শারীরিক শাস্তি সরকার নিষিদ্ধ করার পরেও এই ধরণের ঘটনা বন্ধ হচ্ছে না।

এর আগে ২০১২ সালে আগে কুষ্টিয়ার পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যক্ষের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত কয়েকজন ছাত্রকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দিতে হয়।

একই বছর রাজধানী ঢাকার কাছে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকের বেত মারার কারণে ষষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীর চোখ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল যা ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছিল।

মন্তব্য

মতামত দিন

দেশজুড়ে পাতার আরো খবর

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে . . . বিস্তারিত

নয়াপল্টনের ঘটনায় আইজিপিকে চিঠি দেয়া হয়েছে: ইসির সচিব

নিজস্ব প্রতিনিধিআরটিএনএনচট্টগ্রাম: নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, ১৪ নভেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির ক . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com