খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষ, গণনা চলছে

১৫ মে,২০১৮

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষ, গণনা চলছে

নিজস্ব প্রতিনিধি
আরটিএনএন
খুলনা: খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষ, এখন ভোট গণনা চলছে।এর আগে সকাল আটটায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। এদিকে নির্বাচনে নিয়ে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ করেছেন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা।

এই নির্বাচনে অন্তত ৪০টি ভোট কেন্দ্র দখল করে নেয় আওয়ামী লীগ। এমন অভিযোগ করেছেন বিএনপির মেয়রপ্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। অপরদিকে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোট হয়েছে বলে দাবি করেছেন।

এছাড়া খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট চলাকালে মঙ্গলবার দুপুরে একটি কেন্দ্র পরিদর্শনের ফাঁকে নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ এনে একে ‘খেলা’ আখ্যা দিয়েছেন বিএনপির মেয়রপ্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বলেছেন, ‘জালিয়াতি, কারচুপি, ভোট ডাকাতির’ ফলাফল খুলনাবাসী মেনে নেবে না।’

মঞ্জু বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে খেলার কি দরকার ছিল? এ নির্বাচন না হলে তো সমস্যা ছিল না। পুলিশের সামনে নৌকার লোকজন কেন্দ্রে ঢুকে ব্যালট পেপারে সিল মারছে। ধরাও পড়ছে। অথচ তারা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। নির্বাচন কমিশনের লোকজনও এর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।’

মঞ্জু সকালে ভোট দিয়ে প্রথমে ২৫টি ও পরে ৩০টি কেন্দ্রে তার এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ করেন। পরে তিনি বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। এর মধ্যে দুটি কেন্দ্রে গিয়ে নৌকা প্রতীকে জাল ভোট দেয়ার ঘটনা দেখেন মঞ্জুর। পরে সে দুটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়।

মঞ্জু বলেন, ‘রূপসা স্কুল থেকে মাত্র ৩০ মিনিট আগে দেখে গেলাম সবকিছু ঠিকঠাক কিন্তু এসে দেখলাম সবগুলো বুথে নৌকায় সিল মেরে ব্যালট দিয়ে বাক্স ভরে রাখা হয়েছে। নির্বাচনের কাজে জড়িত কর্মকর্তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। আমার নির্বাচনী এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বের করে দেয়া হচ্ছে।’

মঞ্জু জানান, যেখানেই কোনো ধরনের সমস্যার কথা শুনেছেন সেখানেই তিনি ছুটে যাচ্ছেন। কোনো অনিয়ম পেলে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন এই মেয়রপ্রার্থী।

এ অবস্থায় শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে আপনি থাকবেন কি না- এমন প্রশ্নে মঞ্জু বলেন, ‘হ্যাঁ, শেষ পর্যন্ত থাকব। আমরা সরকারের এবং তার বাহিনীর এসব দুষ্কর্ম জাতিকে, বিশ্ববাসীকে দেখাতে চাই। প্রমাণ হবে এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না।’

ফলাফল মেনে নিবেন কি না? জানতে চাইলে মঞ্জু বলেন, ‘ফলাফল তো পরের বিষয়। আগে সুষ্ঠুভাবে ভোট শেষ হোক। জালিয়াতি, কারচুপি, ভোট ডাকাতির ফলাফল খুলনাবাসী মেনে নেবে না।’

খুলনায় চার লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন ভোটারের জন্য এবার কেন্দ্র রয়েছে মোট ৯৮টি। এর মধ্যে জাল ভোটের অভিযোগে একটি কেন্দ্রে ভোট বাতিল, দুটি কেন্দ্র এবং এবং একটি বুথে ভোট স্থগিত করা হয়। এর বাইরে একটি কেন্দ্রের অদূরে বিএনপির নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলী বলেছেন, বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে। আর যেখানেই সমস্যা দেখা দিয়েছে, সেখানেই তারা ব্যবস্থা নিয়েছেন।

মন্তব্য

মতামত দিন

দেশজুড়ে পাতার আরো খবর

ঝিনাইদহে ছাগল পালন একেবারেই নিষিদ্ধ কেনো?

নিউজ ডেস্কআরটিএনএনঢাকা: দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঝিনাইদহ জেলার অন্তত ৩৫টি গ্রামে গত বেশ কয়েক বছর যাবত ছাগল পালন বন্ধ . . . বিস্তারিত

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৩২ কিলোমিটার যানজট

নিজস্ব প্রতিনিধিআরটিএনএনকুমিল্লায় ৩২ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ঈদযাত্রায় যানজট থেকে বাচতে আগেই রওয়ানা হওয়া যাত্রীদের . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com