বিমান দুর্ঘটনায় যশোরের একই পরিবারের নিহত ৩  

১৩ মার্চ,২০১৮

বিমান দুর্ঘটনায় যশোরের একই পরিবারের নিহত ৩

নিজস্ব প্রতিনিধি
আরটিএনএন
যশোর: নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে ৪৯ জন মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে যশোরের এই পরিবারের তিনজন সদস্য রয়েছেন।

নিহতরা হলেন উপ-শহর এ ব্লক এলাকার ২৪৬ নম্বর বাড়ির সানজিদা হক বিপাশা, তার স্বামী রফিকুজ্জামান রুনু এবং তাদের সন্তান অনিরুদ্ধ। তারা ঢাকার শুক্রাবাদে বসবাস করতেন।

নিহত সানজিদার মামা চন্দন জানিয়েছেন, সোমবার (১২ মার্চ) তারা নেপালে যান বেড়ানোর উদ্দেশ্যে। দুপুরে ঢাকার হযরত শাহ জালাল বিমান বন্দর থেকে বিমানে উঠেন তারা। সন্ধ্যার দিকে তার এক আত্মীয়ের মাধ্যমে বিমান দুর্ঘটনার খবর জানতে পারেন এবং তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে শোনেন। এ খবর শোনার সাথে সাথে সানজিদার বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে আসে। আশেপাশের লোকজন এবং সংবাদকর্মীরা তার বাড়িতে ভিড় জমাতে থাকেন।

বিপাশা ঢাকার সুশাসনের জন্য নাগরিক ‘সুজন’ নামে একটি এনজিওর সমন্বয়ক হিসাবে কাজ করতেন সানজিদা।

বিপাশার ভাই শাহরিয়ার হোসেন জানিয়েছেন, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সর্বশেষ তার সাথে মোবাইল ফোনে কাথা হয়েছিল। সন্ধ্যার দিকে মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।

প্রসঙ্গত, সোমবার (১২ মার্চ) দুপুর ২টার ২০ মিনিটে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (টিআইএ) ফুটবল মাঠে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এখন পর্যন্ত ৪৯ জনের নিহতের খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স, বিবিসিসহ আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যম।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে নিহতদের মধ্যে ২৫ জন বাংলাদেশি। সর্বশেষ প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী আহত ২২ আরোহীকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। আহতদের মধ্যে ১১ জন বাংলাদেশি।

বিমানের ৪ জন ক্রুসহ ৭১ জন আরোহীর মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশের, ৩৩ জন নেপালের, একজন মালদ্বীপের এবং একজন চীনের নাগরিক। এদের মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ, ২৮ নারী, দুইজন শিশু ও ৪ জন ক্রু।

যশোরে ট্রাক চাপায় ২ বোন নিহত, আহত বাবা
যশোর: যশোর জেলার শার্শা উপজেলায় বাগআঁচড়া বাজারে ট্রাক চাপায় ২ বোন নিহত হয়েছে। শনিবার (১০ মার্চ) সকাল ৮টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো- সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী রোজা ও ষষ্ঠ শ্রেণির জেরিন।

এ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন দুই শিক্ষার্থীর বাবা।

স্থানীয়রা জানান, বাঁগআচড়া কলেজের প্রভাষক আলমগীর কবীর তার মেয়ে ও ভাগনিকে মোটরসাইকেলে করে স্কুলে দেওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন। পরে বাঁগআচড়া বাজারে পৌঁছালে নাভরণ থেকে ছেড়ে আসা একটি বালি ভর্তি ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই দুই শিক্ষার্থীর মত্যু হয়।

প্রভাষক আলমকে স্থানীয়রা অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

বাঁগআচড়া পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

এদিকে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনরা বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না।

মন্তব্য

মতামত দিন

দেশজুড়ে পাতার আরো খবর

শ্রমিক অসন্তোষে উত্তাল ফতুল্লা শিল্পাঞ্চল

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিআরটিএনএননারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একাধিক রফতানিমুখী পোশাক কারখানার কয়েক হাজার শ্রমিক বিভিন্ন . . . বিস্তারিত

নাটোরে বালক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

নিজস্ব প্রতিনিধিআরটিএনএননাটোর: নাটোর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। বিদ্যালয়ে . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com