দুই যুবককে গুমের অভিযোগ

সাত কর্মকর্তাসহ ১৬ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

১৪ নভেম্বর,২০১৭

ফাইল ফটো

নিজেস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
যাশোর: দুই যুবককে অপহরণের পর গুমের অভিযোগে যশোর কোতয়ালি থানার সাত কর্মকর্তাসহ ১৬ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার যশোরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহিনুর রহমানের আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত প্রতিবেদন দিতে আদেশ দিয়েছেন।

যশোর শহরের শংকরপুর পশুহাসপাতাল এলাকার তৌহিদুল ইসলাম ওরফে খোকনের স্ত্রী হিরা খাতুন ওই মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- কোতয়ালি থানার এসআই এইচএম শহিদুল ইসলাম, আমির হোসেন, হাসানুর রহমান, এএসআই রাজন গাজী, সেলিম মুন্সী, বিপ্লব হোসেন, সেলিম আহমেদ এবং কনস্টেবল আরিফুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, আবু বক্কার, মাহমুদুর রহমান, রাজিবুল ইসলাম, টোকন হোসেন, ড্রাইভার (কনস্টেবল) মো. রমজান ও মিজান শেখ।

এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, ৫ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে বাদীর ছেলে সাঈদ ও তার বন্ধু শাওন পৌর পার্কে বেড়াতে আসে। ওই দিন বেলা ১২টার দিকে সাক্ষী সাব্বির হোসেন ফোনে জানায় ছেলে সাঈদ ও শাওনকে পুলিশ আটক করেছে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি দেখেন পুলিশ ওই দুইজনকে গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে চলে যাচ্ছে। এরপর বাদী ও সাক্ষীরা কোতয়ালি থানায় যান।

কিন্তু তাদের থানায় ঢুকতে দেয়া হয়নি। সন্ধ্যা পর্যন্ত বাদী ও সাক্ষীরা থানার সামনে বসে ছিল। তারপর সন্ধ্যা ৭টার দিকে ১ ও ২ নম্বর আসামি বাদীকে ডেকে ছেলেকে ছাড়াতে দুই লাখ টাকা দাবি করে।

দাবিকৃত টাকা না দিলে ছেলেকে মেরে লাশ গুম কারার হুমকি দেয়া হয়। সাক্ষীরা বাদীকে বোঝায় পুলিশকে টাকা দেয়ার দরকার নেই। আদালতে চালান দিলে সেখান থেকে জামিন নেয়া যাবে। কিন্ত ৭ এপ্রিল পত্রিকার খবরে তিনি জানতে পারেন সাঈদ ও শাওন পালিয়েছে।

থানায় ও আদালতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাদীর ছেলে ও তার বন্ধু পালিয়েছে। সেই ঘটনায় মামলা হয়েছে। ওই দুজনকে আসামি করা হয়েছে।

এরপর বাদী আসামিদের কাছে গিয়ে ছেলের সন্ধান চাইলে তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করে। কোন উপায় না পেয়ে ৩০ মে বাদী সংবাদ সম্মেলন করেন। তাতেও কোন সন্ধান মেলেনি।

বাদীর ধারণা ঘুষের দুই লাখ টাকা না দেয়ায় আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে হত্যার পর লাশ গুম করেছে। পরে বিভিন্নস্থানে ঘুরেও ছেলের সন্ধান পায়নি বাদী।

কোতয়ালি থানার ওসি একেএম আজমল হুদা বলেন, সন্ত্রাসী সাঈদ ও শাওনের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা রয়েছে। পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য সন্ত্রাসীর মা মিথ্যা মামলা করেছে।

আটকের পর ওই দুইজন পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় মামলাও হয়েছে। তাদের আটকে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

মন্তব্য

মতামত দিন

দেশজুড়ে পাতার আরো খবর

রাজবাড়ীতে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ৩

নিজস্ব প্রতিনিধিআরটিএনএনরাজবাড়ী: রাজবাড়ীর জামালপুর রেলস্টেশনের কাছে ট্রেনের ধাক্কায় তিন নসিমন যাত্রী নিহত হয়েছেন।এ দুর্ঘ . . . বিস্তারিত

নিলুফা ভিলার ২ জঙ্গির আত্মসমর্পণ, অভিযান সমাপ্ত

নিজস্ব প্রতিনিধিআরটিএনএননরসিংদী: নরসিংদীর দ্বিতীয় ‘জঙ্গি আস্তানা’ নিলুফা ভিলা থেকে দুই নারী জঙ্গি আত্মসমর্পণ . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com