বাংলাদেশি নিখোঁজ ১০ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মায়ানমার বাহিনী

১৭ ফেব্রুয়ারি,২০১৭

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিনিধি
আরটিএনএন
কুয়াকাটা: কুয়াকাটার মাছধরা ট্রলারসহ বাংলাদেশি ১০ জেলে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকার করতে গিয়ে ৩৫ দিন নিখোঁজ থাকার পর সন্ধান মিলেছে মায়ানমারে। তাদের মিয়ানমারের কোস্টগার্ড আটক করেছে বলে জানা গেছে।

তাদের মধ্যে ৯ জেলে এখনো জীবিত আছেন, তবে কাওছার মুসুল্লী (১৮) নামের এক জেলে মারা গেছেন। মায়ানমারের বেশ কয়েকটি পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ ও ছবি প্রকাশিত হয়েছে।

সূত্র জানায়, গত ১৬ জানুয়ারি এফবি ফয়সাল নামের ওই মাছধরা ট্রলারটি কুয়াকাটার মৎস্য বন্দর আলীপুর ঘাট থেকে গভীর সমুদ্রে যায়। এরপর থেকে ট্রলারের কোন জেলের সাথে পরিবারের যোগাযোগ হয়নি বলে জানিয়েছে নিখোঁজ জেলেদের স্বজনরা।

২৮ জানুয়ারি ইঞ্জিন বিকল হয়ে সমুদ্রে ভাসতে থাকে এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমার কোস্টগার্ড তাদের আটক করে। আটক ১০ জেলের বাড়ি কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে মাইটভাঙ্গা গ্রামে।

আটককৃতরা হলেন, ট্রলার মাঝি আলী হোসেন গাজী (৩৫) ও জেলে কবির হাওলাদার (৩২), সোবাহান ঘরামী (৪৫), আলমগীর মাতুব্বর (৩৫), নজরুল গাজী (৩২), কাওছার মুসুল্লী (১৮), হাচান হাওলাদার (১৭) এবং মহিপুর ইউনিয়নের সেরাজপুর গ্রামের রুবেল (২৫), জাহিদুল (১৮) ও শামীম (১৬)। এর মধ্যে কাওছার মুসুল্লী (১৮) মারা গেছেন বলে পত্রিকাগুলো নিশ্চিত করেছে।

উল্লেখ্য, এফবি ফয়সাল নামের ট্রলারটি মাইটভাঙ্গা গ্রামের আলী হোসেন গাজী, কবির হাওলাদার, সোবাহান ঘরামী ও বাতেন হাওলাদার পাথরঘাটা থেকে মাছ শিকারের জন্য ভাড়ায় এনেছেন। মহিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান হাওলাদারের ‘হাওলাদার ফিস’ গদিতে তারা মাছ বিক্রি করতেন।

নিখোঁজ জেলে আলমগীর মাতুব্বরের বড় ভাই মনির মাতুব্বর জানান, ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারে ভেসে গেছে।

কুয়াকাটা আলীপুর মৎস্য আড়ৎদার সমবায় সমিতির সভাপতি মো. আনছার উদ্দিন মোল্লা বলেন, সন্ধানের খবর পেয়ে আমরা বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, মৎস্য অধিদপ্তর, পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার, কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), মহিপুর থানাকে অবহিত করেছি। এছাড়াও পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য

মতামত দিন

দেশজুড়ে পাতার আরো খবর

নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিনিধিআরটিএনএননারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ . . . বিস্তারিত

কেউ এগিয়ে এলো না ছেলেটিকে বাঁচাতে!

নিজেস্ব প্রতিনিধিআরটিএনএনচট্টগ্রাম: খেলতে খুব ভালোবাসেন কিশোর আদনান। আর সেই খেলাই কাল হয়ে দাড়ালো তার। জীবন দিতে হলো . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com