শিশু সোনিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

১৬ ফেব্রুয়ারি,২০১৭

নিজস্ব প্রতিনিধি

আরটিএনএন

ময়মনসিংহ: জেলার চুরখাই এলাকায় সাত বছরের শিশু সোনিয়া আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে রফিকুল ইসলাম কাজল নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।


বৃহস্পতিবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. হেলাল উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।


ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি একই গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের পুত্র রফিকুল ইসলাম কাজল।


রায়ের বিবরণে জানা যায়, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চুরখাই দড়িভাবখালী গ্রামের পত্রিকার হকার চাঁন মিয়া প্রতিদিনের মতো ২০১২ সালের ২৩ জুন সকালে বাড়ী থেকে শহরের উদ্দেশে বেরিয়ে যান। পরে বিকালে বাড়ী ফিরে সোনিয়াকে না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেন। পরেরদিন সকালে পাশের সুতিয়াখালি নামাপাড়া গ্রামের একটি পুকুরের পাশের জঙ্গল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।


প্রত্যক্ষদর্শী ও চাঁন মিয়ার আত্মীয় ওই গ্রামের রিপা আক্তারসহ কয়েকজন হকার চাঁন মিয়ার শিশুকন্যা সোনিয়া আক্তারকে সকালে একই গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের পুত্র রফিকুল ইসলাম কাজলের সঙ্গে যেতে দেখেন।


তাদের ধারণা, রফিকুল ইসলাম কাজল শিশুকন্যা সোনিয়াকে প্রলোভন দেখিয়ে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণের পর বাঁশের টুকরা দিয়ে মাথায় ও কপালে আঘাত করে হত্যা করে লাশ ফেলে পালিয়ে যায়।


এ ঘটনায় শিশুর পিতা বাদী হয়ে রফিকুল ইসলাম কাজলকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে ৮ জনের সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।

মন্তব্য

মতামত দিন

দেশজুড়ে পাতার আরো খবর

রাত পোহালেই ভোট, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় সাক্কু-সীমা

নিজস্ব প্রতিনিধিআরটিএনএনকুমিল্লা: রাত পোহালেই বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে বহুল আলোচিত কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্ . . . বিস্তারিত

মৌলভীবাজারের ‘জঙ্গি আস্তানায়’ সোয়াতের অভিযান, গোলাগুলি-বিস্ফোরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি আরটিএনএন মৌলভীবাজার: সিলেটের মৌলভীবাজারে দুটি বাড়িকে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখার পর সদর উপজেলার খল . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান, গোলাম রসুল প্লাজা (তৃতীয় তলা), ৪০৪ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com