আমার ভাই হত্যা নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে: এমপি লিটনের বোন কাকলী

১২ জানুয়ারি,২০১৭

আবু বক্কর সিদ্দিক

আরটিএনএন

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) থেকে: ১১ দিনেও প্রকৃত হত্যাকারী গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের ছোট বোন ও হত্যা মামলার বাদী ফাহমিদা বুলবুল কাকলী। তিনি বলেন, ‘আমার ভাইয়ের হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে। আমরা এ নিয়ে রাজনীতি নয়, খুনিদের গ্রেপ্তার চাই’। 


বুধবার বিকেলে নিজ বাড়ির উঠানে বড় ভাই এমপি লিটনের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে আরটিএনএনের সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধি আবু বক্কর সিদ্দিককে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।


কাকলী আরো বলেন,  যেহেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে দেখছেন ব্যাপারটা, আর প্রশাসনকেও এখন পর্যন্ত তৎপরতা দেখছি। সেহেতু আমরা ভেবেছিলাম এর মধ্যেই কিছু একটা জানতে পারবো। তা যখন, পাইনি- তাতে মনে হয় ওনাদের আর একটু টাইম লাগবে। লাগুক, আমরা আর একটু অপেক্ষা করবো। যাতে আমার ভাইয়ের প্রকৃত হত্যাকারীরা ধরা পড়ে। তাদের যেন বিচার হয়।


তিনি বলেন,  তাড়াহুড়া করতে গেলে হয়তো কোন ভুল সিদ্ধান্ত হতে পারে। তা আমরা চাই না।  সেই সঙ্গে আমরা এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে কোনো দোষারোপের রাজনীতিও দেখতে চাই না।  দেখতে দেখতে ১১ দিন হয়ে গেল। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রকৃত খুনিরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। ফলে প্রকৃত খুনিদের গ্রেপ্তারের বিষয়েও তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন।


এমপি লিটনের ছোট বোন ও এমপি লিটন হত্যা মামলার বাদী ফাহমিদা বুলবুল কাকলী পরিবারের  নিরাপত্তার বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ভাইকে হত্যার পরে আমরাও নিরাপত্তাহীনতায়, তাই আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করব। এরপর তিনি কান্না বিজরিত কণ্ঠে ভাইয়ের প্রকৃত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার  ও বিচারার্থে সাংবাদিক, প্রশাসনসহ  প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন।


প্রসঙ্গত, গত বছরের শেষ দিন (৩১ ডিসেম্বর) শনিবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এমপি লিটনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার ছোট বোন ফাহমিদা বুলবুল কাকলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে প্রশাসনের অভিযানে এ পর্যন্ত অর্ধশতাধিক আটক হয়েছে। এর মধ্যে ৮ জনকে রিমান্ডে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

মন্তব্য

মতামত দিন

দেশজুড়ে পাতার আরো খবর

‘চোখে ধরলেই বিয়ে করতো নারীলোভী নূর হোসেন’

নিজস্ব প্রতিনিধিআরটিএনএননারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নূর হোসেনের ৬জন স্ত্রী ছিল বলে . . . বিস্তারিত

ইজতেমা মাঠের পাশের বস্তিতে আগুন

নিজস্ব প্রতিনিধি আরটিএনএনটঙ্গী: টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার খুব কাছেই টঙ্গির মিলগেইট নামাবাজার এলাকার বস্তিতে অগ্নিক . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান, গোলাম রসুল প্লাজা (তৃতীয় তলা), ৪০৪ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com