সর্বশেষ সংবাদ: |
  • আজ যারা মনোনয়নপত্র ফিরে পেয়েছেন- নঈম জাহাঙ্গীর (জামালপুর-৩); আব্দুল কাঈয়ুম খান (নেত্রকোনা-১); এ কে এম লুৎফর রহমান (ময়মনসিংহ-১); চৌধুরী মোহাম্মদ ইসহাক (ময়মনসিংহ-৬); জেড খান মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন (চাঁদপুর-৪); মো. মহিউদ্দিন মোল্লা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২); মো. নাসির উদ্দিন (চট্টগ্রাম-৫); মামা চিং (বান্দরবান); সৈয়দ মাহামুদুল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩); এম মোরশেদ খান (চট্টগ্রাম-৮); মো. আবু বকর সিদ্দিক (রাজশাহী-৫), মো. আবু সহিদ চাঁদ (রাজশাহী-৬); আলেয়া বেগম (জয়পুরহাট-১); মো. মজিবুর রহমান (রাজশাহী-১); মো. ইবাদুল খালাসী (যশোর-৫); মো. তছির উদ্দিন (কুষ্টিয়া-৪); আবু তালেব সেলিম (ঝিনাইদহ-২); মো. সাজেদুর রহমান (যশোর-১); লিটন মোল্লাহ (যশোর-৪); রবিউল ইসলাম (যশোর-৫); মোছা. মেরিনা আক্তার (চুয়াডাঙ্গা-১)।
  • ইতালির একটি নৈশক্লাবে আতঙ্কিত জনতার হুড়োহুড়িতে ছয় জনের প্রাণহানি, আহত ১০০
  • ২০৬ আসনে বিএনপির একক প্রার্থী চূড়ান্ত, শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ৯৪টি আসন

ইজতেমা ময়দানে তাবলীগের দু’গ্রুপে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত দুই শতাধিক

০১ ডিসেম্বর,২০১৮

টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২ শতাধিক মুসল্লি

নিজস্ব প্রতিনিধি
আরটিএনএন
গাজীপুর: টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তির নাম ইসমাইল বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় উভয় গ্রুপের কমপক্ষে ২ শতাধিক মুসল্লি আহত হয়েছেন।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। চলে দুপুর ১২টা পর্যন্ত।

জানা গেছে, সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত একজন মারা গেছে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মাঠের বাটা গেট ও টিনশেট মসজিদসহ মাঠের প্রবেশ পথগুলোতে পাহারা বসিয়েছে তারা। মাঠে সাধারণ সাথী বা অন্য কারো প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। মাঠের ভেতরে থেকে সাথীদেরও খুঁজে খুঁজে বের করে দেয়া হচ্ছে সেখান থেকে।

মাঠের ভেতরে অনেক আহত সাথী আটকা পড়ে আছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আকস্মিক হামলায় কাফেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন অনেকে।

সাদপন্থীদের শনিবারের হামলায় শতাধিক সাধারণ সাথী ও মাদরাসা শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। তাদেরকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় রক্তাক্ত হয়ে এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে অনেককে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার ফজরের পর থেকে ইজতেমা মাঠের গেটগুলো জড়ো হতে থাকে সাদপন্থীরা। বেলা বাড়ার সাথে সাথে তাদের ভীড় বাড়তে থাকে।

বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে তারা বাটা গেট ও টিনশেট মসজিদ গেঠ ভাঙ্গতে শুরু করে একই সময় একযোগে সবগুলো গেটে হামলা করে সাদপন্থীরা।

এ সময় পুলিশ রহস্যজনকভাবে নীরব ভূমিকা পালন করে। সকাল থেকে পুলিশ পাহারা থাকলেও তারা গেট ভাঙ্গতে বা মাঠে প্রবেশ করতে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরিস্থিতি সংঘর্ষের দিকে যাচ্ছে দেখেও পুলিশ কেন তাদের সংগঠিত হওয়ার সুযোগ দিলো তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে অনেকেই।

এখন অবশ্য পুলিশ প্রশাসন উভয় পক্ষকে মাঠ ছেড়ে যাওয়ার আহবান জানিয়েছেন। শনিবার বিকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক আহবান করা হয়েছে।

মন্তব্য

মতামত দিন

জাতীয় পাতার আরো খবর

বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের খবর ভিত্তিহীন: পাকিস্তান হাইকমিশনের বিবৃতি

আরটিএনএনঢাকা: ঢাকায় বিএনপির ৩ নেতার সঙ্গে পাকিস্তানি কূটনীতিকদের বৈঠকের খবর ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে পাকিস্তান হাইকমিশন। . . . বিস্তারিত

চার টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীকে অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: চার টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীকে অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বিষয়টি ন . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com