সর্বশেষ সংবাদ: |
  • ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে আমাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো জানিয়েছি: ড. কামাল
  • দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন নিয়ে সুজনের সংশয়, বিতর্কিত নির্বাচন হলে দেশের তরুণরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে : বদিউল আলম মজুমদার
  • জিয়া অরফানেজ মামলায় রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল, সাজা স্থগিত ও জামিন চাওয়া হয়েছে, নির্বাচনে বাধা নেই : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
  • বিকল্পধারার চেয়ারম্যান ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলার বৈঠক চলছে
  • তারেক রহমানের ভিডিও কনফারেন্স বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিষয়

আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর

০৭ নভেম্বর,২০১৮

আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
আরটিএনএন
ঢাকা: আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর। ১৯৭৫ সালের শেষদিকে দ্রুত রাজনৈতিক রক্তাক্ত উত্থান-পতনের ঘটনাবলির মধ্যে এই দিনে তৎকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতা সংহত করে অপেক্ষাকৃত স্থিতিশীলতার সূচনা করেন। সিপাহী-জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঢাকা সেনানিবাসের বন্দীদশা থেকে মুক্ত করে আনেন তৎকালীন সেনা প্রধান জিয়াউর রহমানকে।

বিএনপি দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’, আওয়ামী লীগ ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’ এবং জাসদ ‘সিপাহী জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে। দিনটি উপলক্ষে বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও সামাজিক- সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

১৫ আগস্টের কালরাতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যার মাত্র ৭৯ দিন পর অশুভ শক্তি ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ৪ জাতীয় নেতাকে। এ প্রেক্ষাপটে ৩ থেকে ৭ নভেম্বর সামরিক বাহিনীর মধ্যে একাধিকবার অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটে।

একপর্যায়ে জিয়াউর রহমান গৃহবন্দি হন। সেসব ঘটনায় অনেক মুক্তিযোদ্ধা, সেনা কর্মকর্তা ও জওয়ানের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। ৬ ও ৭ নভেম্বর সংঘটিত অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল তাহের। বন্দিদশা থেকে জিয়াকে মুক্ত করেছিলেন তিনি। এরপর অতিদ্রুত নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে স্বীয় পদে আসীন হন জিয়াউর রহমান।

রাজনৈতিক নেতৃত্বের চরম ব্যর্থতার কারণে তখন দেশ চলে যায় সামরিক শাসনের অধীনে। জিয়াউর রহমান প্রথমে উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এবং পরে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের পদে আসীন হন।

একপর্যায়ে বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে রাষ্ট্রপতি হন তিনি। অন্যদিকে বন্দিদশা থেকে জিয়াকে মুক্ত করেও বাঁচতে পারেননি কর্নেল তাহের। কোর্ট মার্শালের বিচারে তাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়।

গত ৩৭ বছরে অধিকাংশ সময় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস সরকারিভাবে পালিত হয়েছে। ১৯৭৬ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত এই দিনে সরকারি ছুটি ছিল। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তা বাতিল করা হয়। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে ছুটি পুনর্বহাল করে। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসে আবার তা বাতিল করে। আওয়ামী লীগ সরকার সেই সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। এর অংশ হিসেবে আজ বুধবার সকাল ১০টায় শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের সমাধিতে দলটির কেন্দ্রীয় নেতাসহ সব পর্যায়ের নেতাকর্মীরা পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন। কর্মসূচিতে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে উপস্থিত থাকতে দলটির পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়।

আগামীকাল বেলা ২টায় রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে হবে আলোচনা সভা। এছাড়া ৭ নভেম্বর উপলক্ষে দল ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে পোস্টার ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে এবং অঙ্গসংগঠনগুলো আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, রচনা প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করবে।

মন্তব্য

মতামত দিন

জাতীয় পাতার আরো খবর

দেশের সকল পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইট বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: দেশে সকল পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইট আগামী ছয় মাসের জন্য ব্লক করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। অবিল . . . বিস্তারিত

বিতর্কিত নির্বাচন হলে তরুণরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে: বদিউল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদকআরটিএনএনঢাকা: দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদি . . . বিস্তারিত

 

 

 

 

 

 



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ড. সরদার এম. আনিছুর রহমান,
ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০-১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com